মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩
শিরোনাম:
শ্রীপুরে যুবদল নেতার সংবাদ সম্মেলনজমি বিক্রির কথা বলে দুই প্রবাসীর কাছ থেকে ৩০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগমাদকাসক্ত ব্যক্তি ও মাদকে জড়িত পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের বাইরে রাখার নির্দেশ এমপি বাচ্চুরশ্রীপুর পৌর বিএনপির উদ্যোগে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিতশ্রীপুরে নানা আয়োজনে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপনসাব-ক্লাস্টার প্রশিক্ষণ ভাতা লোপাটের অভিযোগ, শ্রীপুরে তোলপাড়পরিচয়হীন শিশুরাও মেতেছিল ঈদের আনন্দে গাজীপুরের ‘শিশু পল্লী প্লাস’গাজীপুর -৩ সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম বাচ্চুকে ফুলেল সংবর্ধনাঈদ বোনাসের দাবিতে শ্রীপুরে শিক্ষা অফিসে দপ্তরিদের অবস্থান৬২ হাজার টাকায় কেনা বিড়াল অসুস্থ, টাকা ফেরত দিতে আইনি নোটিশশ্রীপুরে আরসিসি ঢালাই রাস্তার উদ্বোধনশ্রীপুরে মোটর ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন৫ বছরে ২০ হাজার কিমি খাল খননের লক্ষ্য: শ্রীপুরে পানিসম্পদ মন্ত্রী এ্যানিশ্রীপুরে বিনাসরিষা-১১ ও বারি সরিষা-১৪ এর সম্প্রসারণে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিতশ্রীপুরে প্রাথমিক স্কুলের ভোট কেন্দ্র মেরামতের লাখ লাখ টাকা লোপাট

দেশে কোটিপতি ব্যাংক হিসাব বাড়ছে, বাড়ছে বৈষম্য

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১০:২৭ অপরাহ্ণ
দেশে কোটিপতি ব্যাংক হিসাব বাড়ছে, বাড়ছে বৈষম্য
google news আজকের বাণী এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন
Listen to this article Ready

দেশের ব্যাংকগুলোতে কোটি টাকা বা তারও বেশি অর্থ জমা আছে—এমন হিসাবের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। আর্থিক সংকট, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও চলমান মূল্যস্ফীতির চাপের মধ্যেও বড় অঙ্কের হিসাব বাড়তে থাকায় বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ব্যাংকে কোটি টাকা বা তার বেশি পরিমাণ অর্থ জমা রয়েছে—এমন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের হিসাব সংখ্যা এক লাখ ২৮ হাজার ছাড়িয়েছে।

খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো ব্যাপক চাপে পড়েছে। সংসারের ব্যয় সামাল দিতে অনেকেই আগের সঞ্চয় ভাঙতে বাধ্য হচ্ছেন। ফলে ব্যাংকিং খাতে ছোট অঙ্কের আমানত কমছে। বিপরীতে সমাজের একটি শ্রেণির আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বিত্তশালী ব্যক্তি ও বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কাছেই নতুন হিসাবের বড় অংশ কেন্দ্রীভূত হচ্ছে।

তাদের মতে, অর্থনৈতিক চাপ যতই বাড়ুক, সম্পদশালী জনগোষ্ঠীর আয়-সম্পদ বৃদ্ধির ধারায় তেমন বাধা সৃষ্টি হয়নি। ব্যাংকে বড় অঙ্কের সঞ্চয় হিসাব বৃদ্ধিই এর প্রমাণ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।


কোটিপতি হিসাব মানেই ব্যক্তি কোটিপতি নয়

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কোটি টাকার হিসাব মানেই কোটিপতি ব্যক্তির হিসাব নয়। কারণ অনেক প্রতিষ্ঠানও কোটি টাকার বেশি অর্থ জমা রাখে। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ইচ্ছা করলে একাধিক ব্যাংক হিসাব খুলতে পারে। সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংস্থারও বহু কোটি টাকার হিসাব রয়েছে।


তিন মাসে বেড়েছে ৫৫ লাখের বেশি নতুন হিসাব

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুসারে,
২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর শেষে ব্যাংক খাতে মোট হিসাব সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭ কোটি ৪৫ লাখ ৯৬ হাজার ৭০০টি।
চলতি বছরের জুন শেষে এই সংখ্যা ছিল ১৬ কোটি ৯০ লাখ ২ হাজার ৬৭১টি।
অর্থাৎ তিন মাসে হিসাব বেড়েছে ৫৫ লাখ ৯৪ হাজার ২৯টি।


৭৩৪টি নতুন কোটি টাকার হিসাব যুক্ত হয়েছে

২০২৫ সালের জুন প্রান্তিকে কোটি টাকার বেশি আমানত থাকা হিসাব ছিল ১ লাখ ২৭ হাজার ৩৩৬টি।
সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে এই সংখ্যা দাঁড়ায় ১ লাখ ২৮ হাজার ৭০টি।
অর্থাৎ তিন মাসে ৭৩৪টি নতুন কোটি টাকার হিসাব যোগ হয়েছে।


কোটি টাকার হিসাব কমেছে– ৫৯ হাজার কোটি টাকা উত্তোলন

হিসাবধারীর সংখ্যা বাড়লেও জমা টাকার পরিমাণ কমেছে।

  • জুন শেষে কোটি টাকার হিসাবে মোট জমা ছিল ৮ লাখ ৮০ হাজার ৭৭২ কোটি টাকা

  • সেপ্টেম্বর শেষে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৮ লাখ ২১ হাজার ৫৬২ কোটি টাকা

তিন মাসে জমা কমেছে ৫৯ হাজার ২০৯ কোটি টাকা


কোটিপতি হিসাবের ইতিহাস

বিবিএস তথ্য অনুযায়ী—

  • ১৯৭২ সালে কোটিপতি হিসাবকারী ছিল মাত্র ৫ জন

  • ১৯৭৫ সালে ৪৭ জন

  • ১৯৮০ সালে ৯৮ জন

  • ১৯৯০ সালে ৯৪৩টি

  • ১৯৯৬ সালে ২,৫৯৪টি

  • ২০০১ সালে ৫,১৬২টি

  • ২০০৬ সালে ৮,৮৮৭টি

  • ২০০৮ সালে ১৯,১৬৩টি

২০২৪ সালের ডিসেম্বরে এই হিসাব সংখ্যা দাঁড়ায় ১ লাখ ২২ হাজার ৮১টি
এখন ২০২৫ সালে তা বেড়ে ১ লাখ ২৮ হাজারে দাঁড়িয়েছে।

শ্রীপুরে যুবদল নেতার সংবাদ সম্মেলন

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:২৬ অপরাহ্ণ
শ্রীপুরে যুবদল নেতার সংবাদ সম্মেলন

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা, কুরুচিপূর্ণ ও মানহানিকর অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মাওনা ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক রোমান।

​লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, গত বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) মাওনা ডেকু গার্মেন্টসের সামনে পল্লী চিকিৎসক আতিকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পল্লী চিকিৎসকের স্ত্রী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে জড়িয়ে মিথ্যা, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করেন। তাকে ‘চাঁদাবাজ’ আখ্যা দিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি ও নির্যাতনের যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং তার দীর্ঘদিনের সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা।
​ঘটনার প্রকৃত বিবরণ তুলে ধরে ফজলুল হক রোমান বলেন, ঘটনার দিন তিনি স্থানীয় সুমনের বাড়ির পাশের একটি চা দোকানে ‘উজ্জ্বল’ নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে অবস্থান করছিলেন। উজ্জ্বল হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে (যেহেতু তিনি উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগের রোগী) স্থানীয় সিকিউরিটি গার্ডদের সহযোগিতায় তাকে তাৎক্ষণিক বাসায় পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হয় এবং পরবর্তীতে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। কিন্তু পরবর্তীতে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গুজব ছড়িয়ে দেওয়া হয় যে, উজ্জ্বলকে মারধর করা হয়েছে। উক্ত মিথ্যা সংবাদের সূত্র ধরে পল্লী চিকিৎসক আতিকের কাছে জানতে চাইলে তিনি ও অন্যরা একে অপরের ওপর দায় চাপান, যার ভিডিও রেকর্ড তার কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।
​তিনি আরও অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের দোসররা তাকে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতে এবং বিএনপি ও যুবদলের সুনাম নষ্ট করতে এই ধরনের ষড়যন্ত্রমূলক অপপ্রচার চালাচ্ছে।
​সংবাদ সম্মেলন থেকে তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান এবং তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন করে দোষীদের শাস্তির আওতায় আনার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর অপপ্রচারে কান না দেওয়ার জন্য এলাকাবাসী ও সর্বস্তরের মানুষের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।

জমি বিক্রির কথা বলে দুই প্রবাসীর কাছ থেকে ৩০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ

শ্রীপুর (গাজীপুর) সংবাদাতা প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ৬:০৯ অপরাহ্ণ
জমি বিক্রির কথা বলে দুই প্রবাসীর কাছ থেকে ৩০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার  অভিযোগ

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার পূর্ব সোনাব গ্রামের দুই প্রবাসী ভাইয়ের কাছ থেকে জমি বিক্রির কথা বলে ৩০ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে একই এলাকার ফিরোজ মিয়া ও তাঁর চার ছেলের বিরুদ্ধে।

টাকা নেওয়ার প্রায় এক বছর পার হলেও জমি রেজিস্ট্রি করে না দিয়ে নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পূর্ব সোনাব গ্রামের বাসিন্দা শরিফুল ইসলাম ও তাঁর ছোট ভাই রিমন মিয়া দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে রয়েছেন। শরিফুল প্রায় ১৪ বছর ধরে মালয়েশিয়ায় এবং রিমন গত এক বছর ধরে সৌদি আরবে কর্মরত। তাঁদের মা শেফালি আক্তার জানান, প্রতিবেশী ফিরোজ মিয়া তাঁর ছেলে পারভেজ, ইন্নছ, আলমাছ ও হাসানকে বিদেশে পাঠানোর প্রয়োজনের কথা বলে তাঁদের কাছে ২৮ শতাংশ জমি বিক্রির প্রস্তাব দেন।

পরে জমি মাপজোক করে ধাপে ধাপে দুই ভাইয়ের কাছ থেকে মোট ৩০ লাখ টাকা নেওয়া হয়। টাকা পরিশোধের পর শরিফুলদের পরিবার জমির দখল বুঝে পেয়ে প্রায় এক বছর ধরে সেখানে চাষাবাদও করে। তবে জমি রেজিস্ট্রির সময় এলে ফিরোজ মিয়া বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

প্রবাশীর পিতা শারিরিক প্রতিবন্ধী তাজ উদ্দিনের দাবি, সম্প্রতি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বিষয়টি জানিয়ে জমি রেজিস্ট্রির জন্য চাপ দেওয়া হলে বিক্রির জন্য স্থাপন করা জমির খুঁটিও তুলে নেওয়া হয়। বর্তমানে অভিযুক্তরা জমি রেজিস্ট্রি করে দিচ্ছেন না, আবার নেওয়া ৩০ লাখ টাকাও ফেরত দিচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন তাঁরা।

অভিযুক্ত ফিরোজ মিয়া ও তাঁর ছেলেদের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ফিরুজ মিয়ার ছেলে আলমাছ বলেন, তাদের সাথে কথা হয়েছে ১৪ শতাংশ জমি রেজিস্ট্রি করে দিবো যেহেতু জমির নামজারী নেই তাই দেরী হচ্ছে। কতো টাকা নিয়েছেন এ বিষয়ে তার কিছুই জানা নেই।

শ্রীপুর থানার উপপরিদর্শক শহিদুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত হচ্ছে।

মাদকাসক্ত ব্যক্তি ও মাদকে জড়িত পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের বাইরে রাখার নির্দেশ এমপি বাচ্চুর

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৯:৩৫ অপরাহ্ণ
মাদকাসক্ত ব্যক্তি ও মাদকে জড়িত পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের বাইরে রাখার নির্দেশ এমপি বাচ্চুর

গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডাক্তার এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু মাদকাসক্ত ব্যক্তি ও মাদকের সঙ্গে জড়িত পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতার বাইরে রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন।

সোমবার সকাল ৯ টায় শ্রীপুর উপজেলার মাসিক আইনশৃঙ্খলা সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদ ভূঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডাক্তার এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু।

এ সময় তিনি মাদকের বিভিন্ন কুফল তুলে ধরে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে মাদকাসক্তদের কোনো স্থান নেই। সমাজের সব স্তর থেকে মাদকাসক্তদের বয়কট করতে হবে। এ লক্ষ্যে প্রাথমিকভাবে মাদকাসক্ত ব্যক্তি ও মাদকের সঙ্গে জড়িত পরিবারগুলোকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতার বাইরে রাখার নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। তবে তারা যদি মাদক সেবন ও বিক্রি থেকে বিরত থেকে সমাজের মূল ধারায় ফিরে আসতে পারেন, তাহলে তাদের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার ব্যবস্থা করা হবে।