রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২
রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২

আইপিএলের নিলামে বাংলাদেশের ৭ ক্রিকেটার

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৩:৩৯ অপরাহ্ণ
আইপিএলের নিলামে বাংলাদেশের ৭ ক্রিকেটার
google news আজকের বাণী এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

আগামী ১৬ ডিসেম্বর আইপিএলের নিলাম। ১৩৫৫ জন খেলোয়াড় নিবন্ধন করেছিলেন। সেখান থেকে কাটছাঁট করে ৩৫০ জনকে রাখা হয়েছে। এর মধ্যে সাত জন বাংলাদেশের ক্রিকেটার।

ক্রিকবাজের এক প্রতিবেদন নিশ্চিত করেছে, বিসিসিআই ফ্র্যাঞ্চাইজিদের কাছে একটি মেইল দিয়ে মিনি অকশনের সময় জানিয়েছে। ওই দিন স্থানীয় সময় বেলা ১টায় (বাংলাদেশ সময় ৩টা) ৩৫০ জন খেলোয়াড়কে নিয়ে নিলাম হবে।

এই সাড়ে তিনশ খেলোয়াড়ের মধ্যে ২৪০ জন ভারতীয়, ১১০ জন বিদেশি। ৭৭ জন খেলোয়াড়ের স্লট ফাঁকা, এর মধ্যে বিদেশি ৩১ জন। সবচেয়ে বেশি অর্থ আছে কলকাতা নাইট রাইডার্সের- ৬৪ কোটি ৩০ লাখ ভারতীয় রুপি। এখনো তারা ৬ বিদেশিসহ ১৩ জন খেলোয়াড় কিনতে পারবে।

বাংলাদেশ থেকে সংক্ষিপ্ত নিলাম তালিকায় জায়গা পাওয়া ক্রিকেটাররা হলেন মুস্তাফিজুর রহমান, তানজিম হাসান সাকিব, রিশাদ হোসেন, তাসকিন আহমেদ, নাহিদ রানা, রাকিবুল হাসান ও শরিফুল ইসলাম। প্রাথমিকভাবে সাকিব আল হাসান থাকলেও বাদ পড়েছেন সবশেষ তালিকা থেকে।

৪০ জন ক্রিকেটারের ভিত্তিমূল্য সর্বোচ্চ ২ কোটি রুপি। একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে মুস্তাফিজ এই সর্বোচ্চ ক্যাটাগরিতে আছেন। গত মৌসুমে দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে খেলেছেন বাঁহাতি পেসার।

রিশাদের ভিত্তিমূল্য ৭৫ লাখ রুপি। একই ক্যাটাগরিতে আছেন তাসকিন, নাহিদ, শরিফুল, তানজিম। রাকিবুলের ভিত্তিমূল্য ৩০ লাখ রুপি। সাত জনের মধ্যে কেবল মুস্তাফিজের আইপিএল খেলার অভিজ্ঞতা আছে, ৬০ ম্যাচ খেলেছেন তিনি।

একই দিন নতুন করে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে ৩৫ জন খেলোয়াড়কে, যেখানে শিরোনাম কেড়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার কুইন্টন ডি কক। এতে শ্রীলঙ্কান খেলোয়াড়রাও আছেন, যারা প্রাথমিক তালিকায় ছিলেন না। ডি ককের নাম যুক্ত করা হয়েছে একটি ফ্র্যাঞ্চাইজির সুপারিশে। এবারে তার ভিত্তিমূল্য ১ কোটি রুপি, যা আগের মেগা নিলামের তুলনায় অর্ধেক। গতবার কলকাতা নাইট রাইডার্স দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটারকে নিয়েছিল ২ কোটি রুপিতে। মৌসুমটা ভালো কাটাতে না পারায় তাকে ছেড়ে দেয় সাবেক চ্যাম্পিয়নরা। এবার উইকেটকিপার-ব্যাটারদের জন্য নির্ধারিত তৃতীয় স্লটে আছেন ডি কক।

হঠাৎ ডি কককে নিয়ে আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর আগ্রহ অস্বাভাবিক নয়। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক অবসর থেকে সরে এসে তিনি ২২ গজ মাতাচ্ছেন। ভারতের বিপক্ষে বিশাখাপত্তমে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে সেঞ্চুরি করেছেন এই ব্যাটার।

নতুন খেলোয়াড়দের মধ্যে শ্রীলঙ্কার ত্রাভিন ম্যাথু, বিনুরা ফার্নান্দো, কুশল পেরেরা ও দুনিথ ভেল্লালাগে আছেন।

বিসিসিআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, নিলামের শুরু হবে ক্যাপড খেলোয়াড়দের নিয়ে- ব্যাটার, অলরাউন্ডার, উইকেটকিপার/ব্যাটার, ফাস্ট বোলার ও স্পিন বোলার ক্যাটাগরিতে। তারপর আনক্যাপড খেলোয়াড়দের তোলা হবে নিলামে।

শ্রীপুর পৌর বিএনপির উদ্যোগে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬, ৫:০৪ পূর্বাহ্ণ
শ্রীপুর পৌর বিএনপির উদ্যোগে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

শ্রীপুরে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে শ্রীপুর পৌর বিএনপির উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৬ মার্চ (বৃহস্পতিবার) শ্রীপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা ভবনে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা.এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু।

প্রধান অতিথি অধ্যাপক ডাক্তার রফিকুল ইসলাম বলেন, দলকে শক্তিশালী করতে সকল নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। তিনি আরো বলেন, গাজীপুর-৩ আসনের বিভিন্ন এলাকায় উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়ন করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি দলের নেতাকর্মীদের জনগণের পাশে থেকে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শ্রীপুর পৌর বিএনপির আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির সরকার।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি পীরজাদা আলহাজ্ব এস. এম. রুহুল আমিন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, শ্রীপুর পৌর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির ১ নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন বেপারী।

এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন-পৌর বিএনপি আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আহসান কবির, পৌর বিএনপির সদস্য শরীফ আহমেদ সিদ্দিকী, আবুল হোসেন প্রদান এবং শ্রীপুর পৌর যুবদলের সদস্য সচিব আবু তাহের প্রদান। আরো উপস্থিত ছিলেন পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মিলন।
অনুষ্ঠান শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে দলীয় নেতাকর্মীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

শ্রীপুরে নানা আয়োজনে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬, ২:১৪ অপরাহ্ণ
শ্রীপুরে নানা আয়োজনে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

গাজীপুরের শ্রীপুরে যথাযোগ্য মর্যাদা ও নানা আয়োজনে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে শ্রীপুরের স্মৃতিসৌধ ‘৭১’-এ শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক এস এম রফিকুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ব্যারিস্টার সজীব আহমেদসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

দিবসটির অন্যতম আকর্ষণ ছিল শ্রীপুর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ এতে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। পরে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে শ্রীপুর উপজেলা পরিষদ মাঠে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এসময় শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনাদের মধ্যে নগদ অর্থ প্রদান করা হয়। এতে অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য অধ্যাপক এস এম রফিকুল ইসলাম।

দুপুরে উপজেলা ও পৌর বিএনপির উদ্যোগে সংসদ সদস্যের নেতৃত্বে একটি বিজয় র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিতে বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।

সাব-ক্লাস্টার প্রশিক্ষণ ভাতা লোপাটের অভিযোগ, শ্রীপুরে তোলপাড়

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬, ৫:২৫ অপরাহ্ণ
সাব-ক্লাস্টার প্রশিক্ষণ ভাতা লোপাটের অভিযোগ, শ্রীপুরে তোলপাড়

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সাব-ক্লাস্টার প্রশিক্ষণের ভাতা থেকে প্রতি বছর লাখ লাখ টাকা লোপাটের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ‘পিইডিপি-৪’ কর্মসূচির আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সাব-ক্লাস্টার প্রশিক্ষণের জন্য শ্রীপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের অনুকূলে প্রায় ৬ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে অভিযোগ পাওয়া গেছে, বরাদ্দের বড় একটি অংশ নয়ছয় করা হয়েছে।
উপজেলায় মোট সাতটি ক্লাস্টারে প্রায় ১ হাজার ২০০ শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন। নিয়ম অনুযায়ী, বছরে চারবার সাব-ক্লাস্টার প্রশিক্ষণ আয়োজনের কথা। প্রতি তিন মাস অন্তর ৩০ জন শিক্ষককে নিয়ে একটি প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয় এবং নির্ধারিত বিদ্যালয়কে ভেন্যু হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ওই বিদ্যালয়কেই প্রশিক্ষণার্থীদের খাবার ও নাস্তার ব্যবস্থা করতে হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষক অভিযোগ করেন, প্রতি প্রশিক্ষণার্থীর জন্য সরকারিভাবে ৫৪০ টাকা এবং কোর্স ম্যাটেরিয়াল বাবদ অতিরিক্ত ৪৫ টাকা বরাদ্দ থাকলেও এ বিষয়ে কোনো স্বচ্ছতা রাখা হয় না। বরং নিন্মমানের খাবার ও প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহ করে বরাদ্দের অর্থ আত্মসাৎ করা হচ্ছে।
শিক্ষকদের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট এটিইউদের মাধ্যমে খাবার ও উপকরণ সরবরাহে অনিয়ম করা হচ্ছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগও রয়েছে।
এ বিষয়ে গাজীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কহিনুর বেগম বলেন, ‘প্রতি প্রশিক্ষণার্থীর জন্য আমরা ৪০০ টাকা করে পেয়েছি।’ অন্যদিকে তেলিহাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বেলায়েত হোসেন বলেন, ‘আমরা ২০০ টাকা করে পেয়েছি।’
অভিযোগের বিষয়ে সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মনির হোসেন দাবি করেন, বরাদ্দকৃত অর্থ থেকে ১৫ শতাংশ ভ্যাট ও ১০ শতাংশ আইটি বাবদ কর্তন করা হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ দাবির সত্যতা পাওয়া যায়নি।
এদিকে, ২০১৭ সালে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় দায়িত্ব পালনকালে একই ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল বর্তমান উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফাতেমা নাসরিনের বিরুদ্ধে।