সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩
শিরোনাম:
লতিফপুর আশরাফুল উলুম আলিম মাদ্রাসায় অনিয়মের অভিযোগমিথ্যা মামলায় হয়রানির অভিযোগে শ্রীপুরে সংবাদ সম্মেলনবগুড়া সিটি কর্পোরেশন গঠনের প্রস্তাব উঠতে পারে নিকার সভায়চট্টগ্রাম থেকে ১৯ এপ্রিল হজ ফ্লাইট শুরুনম্বর প্লেটেই আসল খেলা : ৬ লাখের সিএনজি ২৫ লাখ!গাজীপুরে ভূমি তথ্য সংগ্রহ ও সেবা ক্যাম্প পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসকগাজীপুরে গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ ও অতিরিক্ত দামে বিক্রি, সেনা অভিযানে জরিমানা সাড়ে ৪ লাখমধ্যরাতেও ফিলিং স্টেশনে যানবাহনের দীর্ঘ সারিশ্রীপুরে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিতTestশ্রীপুর পৌর বিএনপির উদ্যোগে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিতশ্রীপুরে নানা আয়োজনে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপনসাব-ক্লাস্টার প্রশিক্ষণ ভাতা লোপাটের অভিযোগ, শ্রীপুরে তোলপাড়পরিচয়হীন শিশুরাও মেতেছিল ঈদের আনন্দে গাজীপুরের ‘শিশু পল্লী প্লাস’গাজীপুর -৩ সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম বাচ্চুকে ফুলেল সংবর্ধনা

শেষ পর্যন্ত কি জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা হচ্ছে এনসিপির?

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১১:৫৯ পূর্বাহ্ণ
শেষ পর্যন্ত কি জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা হচ্ছে এনসিপির?
google news আজকের বাণী এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে রাজনীতির মাঠে বিএনপি বলয়ের বাইরে শক্তিশালী বলয় তৈরি করছে জামায়াতসহ ইসলামি আট দল। তারা সমঝোতার দরজা এখনো খোলা রেখেছে। নবীন দল জাতীয় নাগরিক পার্টিও (এনসিপি) করেছে নতুন জোট। তবে শেষ পর্যন্ত তারা বিএনপি কিংবা জামায়াতের সঙ্গেই সমঝোতার আভাস দিচ্ছে।

জামায়াত জানিয়েছে, এনসিপির সঙ্গে আলোচনা এখনো চলমান। অভ্যুত্থানের শরিক যে কাউকে তারা সমঝোতায় নিয়ে নির্বাচন করতে আগ্রহী। এক্ষেত্রে নির্বাচনের ডামাডোলের শুরু থেকেই এনসিপিকে সমোঝতা করে নির্বাচনের প্রস্তাব দিয়েছে জামায়াত। এছাড়া জোট গঠনের পরেও এনসিপির সঙ্গে আলোচনা রয়েছে বলে জানিয়েছে দলটি।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও প্রচার বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জোবায়ের জাগো নিউজকে বলেন, ‘এনসিপিকে তো আমরা আগেই প্রস্তাব দিয়েছি। আলোচনা আছে তাদের পক্ষ থেকে। আলোচনা চলছে। অভ্যুত্থানে যারা অবদান রেখেছে, আমরা তাদের প্রতি সর্বোচ্চ সহমর্মিতা দেখাবো। ব্যক্তি ও দল দুটোই দেখবো। কিন্তু আমাদের সমঝোতায় এলেই যে তাকে প্রার্থী করা হবে এটার তো নিশ্চয়তা নেই। তবে শীর্ষ নেতাদের জন্য আমাদের কনসিডারেশন থাকবে। আসন বণ্টনের জন্য সংখ্যা জরুরি নয়।’

এনসিপির আলোচনার টেবিলে ‘জামায়াত’
গত ৭ ডিসেম্বর এনসিপি, এবি পার্টি ও রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন গণতান্ত্রিক সংস্কার নামে জোট গঠন করেছে। এনসিপি সূত্রে যায়, জোট গঠন করলেও শেষ পর্যন্ত দলটি বিএনপি কিংবা জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা করে নির্বাচন করবে।

এনসিপির একজন কেন্দ্রীয় সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জাগো নিউজকে বলেন, ‘বিএনপির সঙ্গে জোট হওয়ার যে সম্ভাবনা ছিল সেটা কমে গেছে। জামায়াতের সঙ্গে ফরমালি আলোচনা না হলেও কয়েক মাস আগে থেকে একসঙ্গে আন্দোলনসহ সমঝোতা করে নির্বাচনের বিষয়ে কথাবার্তা হয়েছে।’

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনসিপির একজন যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক জাগো নিউজকে বলেন, ‘জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতায় যেতে এনসিপির অনেক নেতাই ইচ্ছুক। বিএনপির সঙ্গে আসন নিয়ে বনিবনা হচ্ছে না। বিগত কয়েক মাস থেকেই জামায়াতের সঙ্গে আলোচনা চলছে। বিএনপির সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে। সেক্ষেত্রে শেষ পর্যন্ত কোনো একদিকে যাবে।’

তিনি বলেন, ‘জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা করতে প্রথম থেকে দ্বিতীয় সারির অনেক নেতার সম্মতি রয়েছে। জামায়াতের সঙ্গে যাওয়ার কিছু কারণ হলো- বেশি আসন পাওয়ার সম্ভাবনা আছে, এতে দলের সিনিয়র সারির প্রায় প্রত্যেকে নির্বাচন করতে পারবে। অভ্যন্তরীণ কোন্দল নেই। ফলে স্বতন্ত্রভাবে প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা কম। আরেকটি বিষয় হলো, জামায়াতের সঙ্গে গেলে তাদের যে রিসোর্স সেগুলোর সুবিধা পাওয়া যাবে। এছাড়া ইসলামি আট দলের নির্দিষ্ট সমর্থক ও যে লোকবল রয়েছে সে সুবিধা পাওয়া যাবে।’

এই নেতা জানান, জামায়াতের সঙ্গে গেলে অনেক সুবিধা রয়েছে। বিএনপির সঙ্গে গেলে কী কী অসুবিধা আছে সে বিষয়ে এনসিপির আলাপ আলোচনার টেবিলে ঘুরপাক খাচ্ছে।

তারা জানান, প্রাথমিকভাবে বিএনপি ২৩৭ আসনে প্রার্থী ঘোষণার পর অধিকাংশ জায়গায় বিদ্রোহীরা হট্টগোল করেছে। এনসিপিকে নমিনেশন দিলে সেখানে যে বিশৃঙ্খলা হবে না তারও নিশ্চয়তা নেই। ফলে এনসিপির প্রথম সারি থেকে দ্বিতীয় সারির অনেকে জামায়াতের সঙ্গে নির্বাচনি সমঝোতায় যেতে আগ্রহী, যাতে তারা নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন।

জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও শিক্ষা সেলের সহ-সম্পাদক মাহবুব আলম জাগো নিউজকে বলেন, ‘এনসিপি নির্দিষ্ট নীতি ও আদর্শ নিয়ে রাজনীতি করছে। জুলাই সনদ নিয়ে এনসিপির অবস্থানের সঙ্গে যাদের মিলবে তাদের সঙ্গে আমরা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি এবং ঐক্যবদ্ধভাবে আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবো। এনসিপি সমঝোতা করে নির্বাচন করবে কি না সেটা নিশ্চিত হতে আরও কিছুদিন সময় লাগবে। তবে এনসিপি তার স্বতন্ত্র রাজনীতি চালিয়ে যাবে। সে অনুযায়ী ৩০০ আসনে প্রার্থীও দিচ্ছে।’

আট দলের শরিকরা যা বলছেন

ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ ইউনুস আহমাদ জাগো নিউজকে বলেন, ‘বিএনপির সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় অনেকে আসতে চায়। আমরাও আলোচনার পথ রাখছি। ইসলামি দলের বাইরেও যারা দেশপ্রেমিক ও জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী কিংবা ১৫ বছর ফ্যাসিবাদবিরোধী অবস্থানে ছিলেন তারাও চাইলে আট দলের সঙ্গে আসতে পারেন। সেই সুযোগ এখনো রয়েছে।’

অধ্যক্ষ ইউনুস বলেন, ‘আসন ভাগাভাগির উদ্দেশ্য নিয়ে কেউ এলে আমরা নেগেটিভলি দেখবো। এখানে কে কত আসনে নির্বাচন করবে এটা মুখ্য নয়, আমরা চাইবো কোন দলের কোন প্রার্থীকে দিলে সে জিতে আসতে পারে। এটা আমরা গুরুত্ব দেবো।’

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব জালাল উদ্দিন আহমেদ জাগো নিউজকে বলেন, ‘এখনো অনেক দল আলোচনা করে, কথাবার্তা বলে। বিএনপি শরিকদের অনেকে আসন না পেয়ে এবং মূল্যায়ন না করার অভিযোগে বের হয়ে আসছে। তারাও আমাদের সঙ্গে আলোচনা করছে। কিছুদিন আগেও এনসিপির সদস্য সচিব আখতারের সঙ্গে কথা হয়েছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কারা আসবে, বলার মতো সময় আসেনি।’

জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদের একজন সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জাগো নিউজকে বলেন, ‘এনসিপি আমাদের সঙ্গে আসার বিষয়টা এনসিপিই ভালো বলতে পারবে। পারস্পরিক কথাবার্তা এখনো চলমান। মনোনয়ন প্রত্যাহারের আগ পর্যন্ত এনসিপি আমাদের সঙ্গী হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।’

তিনি আরও বলেন, ‘রিসেন্টলি নুরুল হক নুর ও এবি পার্টির আসাদুজ্জামান ফুয়াদের সঙ্গে যে ঘটনা ঘটেছে, এগুলোর অনেক প্রভাব পড়ে জোটের ক্ষেত্রে। এই ছোট দলগুলো বুঝতে পেরেছে তাদের সেফ জোন কোথায়। অনেকেই বিশ্বাস করে জামায়াতে গেলে তারা জামায়াতের ফিল্ড ফোর্স কাজে লাগাতে পারবে। তারা বুঝতে পেরেছে জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা করে নির্বাচন করলে শৃঙ্খল সাংগঠনিক শক্তি আর ম্যানপাওয়ারকে তারা কাজে লাগাতে পারবে। এটা জামায়াত করবেও।

হজ ব্যবসায় ব্যস্ত প্রভাষক

লতিফপুর আশরাফুল উলুম আলিম মাদ্রাসায় অনিয়মের অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৫৫ অপরাহ্ণ
লতিফপুর আশরাফুল উলুম আলিম মাদ্রাসায় অনিয়মের অভিযোগ

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার লতিফপুর আশরাফুল উলুম আলিম মাদ্রাসায় দীর্ঘদিন ধরে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। প্রতিষ্ঠানের ইবতেদায়ী শাখার শিক্ষিকা আলেয়া আক্তার প্রায় এক বছর ধরে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থেকেও বেতন-ভাতা গ্রহণ করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অন্যদিকে, আরবি বিভাগের প্রভাষক গোলাম কিবরিয়া হজ্ব ও উমরার ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত থাকায় নিয়মিত পাঠদানে মনোযোগী নন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

জানা যায়, তিনি বছরে দুইবার করে সৌদি আরব যান এবং গত দুই বছরে অন্তত চারবার সেখানে গিয়েছেন।
প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আলেয়া আক্তার ২০২৫ সালের মে মাস থেকে বিভিন্ন অজুহাতে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত রয়েছেন। প্রথমদিকে তিনি একজন প্রক্সি শিক্ষক নিয়োগ দিলেও কয়েক মাস পর সেই শিক্ষকও চলে যান। ফলে ইবতেদায়ী শাখার শিক্ষার্থীরা কার্যত শিক্ষকশূন্য অবস্থায় পড়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষক জানান, প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান দিন দিন নিম্নমুখী হচ্ছে। অনেক শিক্ষক নিয়মিত শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত থাকেন না এবং শ্রেণি কার্যক্রমে অবহেলা করেন। সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে প্রতিষ্ঠানটি ইচ্ছেমতো পরিচালিত হচ্ছে বলেও অভিযোগ তাদের।

মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রফি উদ্দিন আহমেদ বলেন,আলেয়া আক্তার ১১ মাস অনুপস্থিত থাকার পর গত মাস থেকে তার বেতন বন্ধ করা হয়েছে। অপর শিক্ষক গোলাম কিবরিয়া হজ্ব ও উমরার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত, তিনি গত বছর সৌদি আরব গিয়েছিলেন এবং এ বছরও যাওয়ার আবেদন দিয়েছেন। আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগতি করেছি।

অভিযুক্ত দুইজন শিক্ষকের মুঠোফোনে একধিক বার যোগাযোগের চেষ্ঠা করলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ব্যারিস্টার সজীব আহমেদ বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অপরদিকে শ্রীপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন,বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মিথ্যা মামলায় হয়রানির অভিযোগে শ্রীপুরে সংবাদ সম্মেলন

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:১১ অপরাহ্ণ
মিথ্যা মামলায় হয়রানির অভিযোগে শ্রীপুরে সংবাদ সম্মেলন

গাজীপুরের শ্রীপুরে মিথ্যা মামলার মাধ্যমে হয়রানির অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার। সোমবার (১৩ এপ্রিল) মাওনা চৌরাস্তায় এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, মোস্তাফিজুর রহমান মিলন মিথ্যা মামলা দিয়ে মো: ফিরুজ আহমেদসহ তার পরিবারের সদস্যদের হয়রানি করছেন। ভুক্তভোগীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে তাদের হয়রানি করা হচ্ছে।
ভুক্তভোগী ফিরুজ আহমেদ বলেন,
“দীর্ঘ দিন ধরে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাদের হয়রানি করা হচ্ছে। আমাদের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে, সেগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।”
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন হাজি মো. নুরুজ্জামান, মো: ফিরুজ আহমেদ এবং তাদের পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা।
বক্তারা প্রশাসনের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

বগুড়া সিটি কর্পোরেশন গঠনের প্রস্তাব উঠতে পারে নিকার সভায়

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০৫ অপরাহ্ণ
বগুড়া সিটি কর্পোরেশন গঠনের প্রস্তাব উঠতে পারে নিকার সভায়

দেশের ১৩তম সিটি কর্পোরেশন হিসেবে বগুড়া সিটি কর্পোরেশন গঠনের প্রস্তাব প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) সভায় উঠতে পারে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে শিগগিরই এ সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, গতকাল রোববার মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে প্রাক-নিকার সচিব কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের পক্ষ থেকে বগুড়া সিটি কর্পোরেশন গঠন সংক্রান্ত প্রস্তাবটি উপস্থাপনের পর তা অনুমোদন পেয়েছে। পরবর্তী নিকার সভায় বিষয়টি উত্থাপন করা হবে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০১০ সালের বিধিমালা অনুযায়ী সিটি কর্পোরেশন হওয়ার প্রায় সব শর্তই বগুড়া পূরণ করেছে। ২০২২ সালের জনশুমারি অনুযায়ী এখানকার স্থায়ী জনসংখ্যা ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০০ হলেও বাস্তবে প্রায় ১০ লাখ মানুষের বসবাস রয়েছে। প্রতি বর্গকিলোমিটারে জনঘনত্ব ৬ হাজারের বেশি।

অর্থনৈতিক দিক থেকেও বগুড়া শক্ত অবস্থানে রয়েছে। পৌরসভার বার্ষিক আয় প্রায় ৬০ কোটি টাকা। পাশাপাশি এখানে সিরামিক, ফাউন্ড্রি, ওষুধ, কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণসহ প্রায় ২০ হাজার শিল্প-প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

প্রস্তাব অনুযায়ী, বগুড়া সদর ও শাহজাহানপুর উপজেলার কিছু ইউনিয়ন যুক্ত করে সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে দেশে ১২টি সিটি কর্পোরেশন রয়েছে। নিকার সভায় অনুমোদন পেলে বগুড়া হবে দেশের ১৩তম সিটি কর্পোরেশন।