বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
শিরোনাম:
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি পদ পেলেন অধ্যাপক এস এম রফিকুল ইসলামশ্রীপুরে যুবদল নেতার সংবাদ সম্মেলনজমি বিক্রির কথা বলে দুই প্রবাসীর কাছ থেকে ৩০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগমাদকাসক্ত ব্যক্তি ও মাদকে জড়িত পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের বাইরে রাখার নির্দেশ এমপি বাচ্চুরশ্রীপুর পৌর বিএনপির উদ্যোগে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিতশ্রীপুরে নানা আয়োজনে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপনসাব-ক্লাস্টার প্রশিক্ষণ ভাতা লোপাটের অভিযোগ, শ্রীপুরে তোলপাড়পরিচয়হীন শিশুরাও মেতেছিল ঈদের আনন্দে গাজীপুরের ‘শিশু পল্লী প্লাস’গাজীপুর -৩ সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম বাচ্চুকে ফুলেল সংবর্ধনাঈদ বোনাসের দাবিতে শ্রীপুরে শিক্ষা অফিসে দপ্তরিদের অবস্থান৬২ হাজার টাকায় কেনা বিড়াল অসুস্থ, টাকা ফেরত দিতে আইনি নোটিশশ্রীপুরে আরসিসি ঢালাই রাস্তার উদ্বোধনশ্রীপুরে মোটর ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন৫ বছরে ২০ হাজার কিমি খাল খননের লক্ষ্য: শ্রীপুরে পানিসম্পদ মন্ত্রী এ্যানিশ্রীপুরে বিনাসরিষা-১১ ও বারি সরিষা-১৪ এর সম্প্রসারণে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

শ্রীপুরে বিলুপ্তপ্রায় খেজুর রসের ঐতিহ্য

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৮:৪৫ অপরাহ্ণ
শ্রীপুরে বিলুপ্তপ্রায় খেজুর রসের ঐতিহ্য
google news আজকের বাণী এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন
Listen to this article Ready

গাজীপুরের শ্রীপুরে শীত মানেই খেজুর রসের যে পরিচিত দৃশ্য ছিল, তা এখন আর আগের মতো দেখা যায় না। এক যুগ আগেও ভোর হলেই বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রামগুলোতে গাছিদের ব্যস্ততা চোখে পড়ত। কাঁধে হাঁড়ি নিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে রস বিক্রি করতেন তারা। কিন্তু শিল্পায়ন, বনভূমি উজাড় ও কৃষিজমি সংকোচনের কারণে কমে গেছে খেজুর গাছ, ফলে হারিয়ে যাচ্ছে গাছি ও রস সংগ্রহের ঐতিহ্য।

হেরা পটকা গ্রামের হাবিবুল্লাহ জানান, আগে শত শত গাছ থেকে রস আসত, গুড় বানানোর সুবাসে বাড়ি মুখর থাকত। এখন সেই স্মৃতি শুধু গল্পেই বেঁচে আছে। একই গ্রামের জাকির হোসেন বলেন, একসময় মা–দাদিদের হাতের রসের পিঠা–পায়েস শীতের আনন্দ বাড়িয়ে দিত; এখন কাঁচা রস বা গুঁড় চোখেই পড়ে না।

গাড়ারন গ্রামের অভিজ্ঞ গাছি আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, “আগে প্রচুর গাছ ছিল, রসও পেতাম। অনেক গাছ কেটে ফেলতে হয়েছে, আর গাছ নেই, রসও নেই।”

 

 

গোসিংগা ইউনিয়নের গাছি আব্দুল আলী বলেন, কারখানা বেড়ে যাওয়ায় গাছ কমেছে। এবার তিনি অন্যের প্রায় ১৫০টি গাছ থেকে রস সংগ্রহ করছেন। তার ভাষায়, “একটি গাছ থেকে চার মাস রস পাওয়া যায়। মাসে ৫০ হাজার টাকার মতো আয় হয়। এবার কাঁচা রস কেজি ৫০ টাকা, পাটালি গুঁড় ৪৫০ এবং রশি গুঁড় ৩০০ টাকা।”

রস সংগ্রহের ঝুঁকির কথাও জানান গাছি হোসেন আলী। রশি বেঁধে গাছের মাথায় উঠে পরিষ্কার করা, ঘটি ঝোলানো, সব মিলিয়ে কাজটি অত্যন্ত বিপদজনক। বয়সের কারণে এখন আর আগের মতো গাছে উঠতে পারেন না।

সাতখামাইর এলাকার প্রবীণ আব্দুল মোতালেব (৮০) বলেন, “আমাদের এলাকায় ভোর হতেই রসের ধুম পড়ে যেত। এখন গাছগুলোও তেমন নেই, আর গাছিও নাই।”

মাওনা ইউনিয়নের সদস্য হাফেজ শামীম আহাম্মদ মৃধা বলেন,
“গাছি কম থাকার কারণ হচ্ছে শিল্পায়নের ফলে গাছ কমে যাচ্ছে। খেজুর রসের স্বাদ এখন স্মৃতির পাতায়। বাজারে চাহিদা আছে, কিন্তু রস পাওয়া যায় খুব কম। এখনই গাছ লাগানোর উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বই ছাড়া খেজুর রস চিনবে না।”

১নং মাওনা ইউনিয়নের স্থানীয় বাসিন্দা আতাউর সরকার ও তৈয়ব হোসেন খান জানান, “খেজুর গাছ থাকা সত্ত্বেও গাছি না পাওয়ায় নিজেদের চাহিদা পূরণের জন্য নিজেরাই নিজেদের গাছ কাটছি, যেন আমরা এবং নিকট প্রতিবেশিরা এই শীতকালীন মিষ্টি রসের স্বাদ থেকে বঞ্চিত না হই।”

স্থানীয় যুবক জাহিদ হাসান বাপ্পি বলেন, “রস আমার খুবই পছন্দের একটি জিনিস। একসাথে চার–পাঁচ গ্লাস খেতেও পারি। অনেক কষ্ট করে চার–পাঁচ দিন খুঁজে আজ অবশেষে এই দুই হাড়ি রস পেয়েছি।”

 

শ্রীপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুমাইয়া সুলতানা বন্যা জানান, খেজুর গাছ গ্রামীণ সংস্কৃতি ও অর্থনীতির অংশ। শিল্পায়ন ও অব্যবস্থাপনায় গাছ কমে গেছে। কৃষি বিভাগ সাধারণ মানুষকে গাছ লাগাতে উৎসাহিত করছে এবং প্রয়োজন হলে প্রশিক্ষণ ও সহায়তা দেবে। তার মতে, এখনই উদ্যোগ না নিলে খেজুর রসের ঐতিহ্য হারিয়ে যাবে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি পদ পেলেন অধ্যাপক এস এম রফিকুল ইসলাম

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৫ অপরাহ্ণ
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি পদ পেলেন অধ্যাপক এস এম রফিকুল ইসলাম

গাজীপুর ৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডাক্তার এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চুকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির পদে নির্বাচিত করা হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে সংসদ সদস্য চিফ হুইপ জনাব নুরুল ইসলাম মনি এই কমিটি গঠনের প্রস্তাব করলে এ কমিটি গঠন করা হয়।

অধ্যাপক ডাক্তার রফিকুল ইসলাম বাচ্চু গাজীপুর জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক। তিনি ড্যাবের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য। ব্যক্তি জীবনে সৎ ও আদর্শবাদী এ রাজনীতিবিদ আজীবন মানুষের কল্যাণ প্রতিষ্ঠায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে প্রথমবারের মতো গাজীপুর ৩ আসন থেকে বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

চিকিৎসা বিষয়ক অভিজ্ঞ এ চিকিৎসক রাজনীতিবিদকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি পদে নির্বাচিত করায় স্বাস্থ্য বিভাগে আমূল পরিবর্তন আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তার এ নিয়োগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন গাজীপুরের বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীরা।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি পদে নির্বাচিত করায় শ্রীপুর প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি দৈনিক বণিক বার্তা গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি এস এম মাহফুল হাসান হান্নান।

চিকিৎসা সেবায় অভিজ্ঞতার আলোকে অধ্যাপক ডাক্তার এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু দেশের সাধারণ প্রান্তিক মানুষের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতে কাজ করবেন।

শ্রীপুরে যুবদল নেতার সংবাদ সম্মেলন

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:২৬ অপরাহ্ণ
শ্রীপুরে যুবদল নেতার সংবাদ সম্মেলন

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা, কুরুচিপূর্ণ ও মানহানিকর অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মাওনা ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক রোমান।

​লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, গত বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) মাওনা ডেকু গার্মেন্টসের সামনে পল্লী চিকিৎসক আতিকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পল্লী চিকিৎসকের স্ত্রী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে জড়িয়ে মিথ্যা, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করেন। তাকে ‘চাঁদাবাজ’ আখ্যা দিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি ও নির্যাতনের যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং তার দীর্ঘদিনের সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা।
​ঘটনার প্রকৃত বিবরণ তুলে ধরে ফজলুল হক রোমান বলেন, ঘটনার দিন তিনি স্থানীয় সুমনের বাড়ির পাশের একটি চা দোকানে ‘উজ্জ্বল’ নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে অবস্থান করছিলেন। উজ্জ্বল হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে (যেহেতু তিনি উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগের রোগী) স্থানীয় সিকিউরিটি গার্ডদের সহযোগিতায় তাকে তাৎক্ষণিক বাসায় পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হয় এবং পরবর্তীতে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। কিন্তু পরবর্তীতে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গুজব ছড়িয়ে দেওয়া হয় যে, উজ্জ্বলকে মারধর করা হয়েছে। উক্ত মিথ্যা সংবাদের সূত্র ধরে পল্লী চিকিৎসক আতিকের কাছে জানতে চাইলে তিনি ও অন্যরা একে অপরের ওপর দায় চাপান, যার ভিডিও রেকর্ড তার কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।
​তিনি আরও অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের দোসররা তাকে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতে এবং বিএনপি ও যুবদলের সুনাম নষ্ট করতে এই ধরনের ষড়যন্ত্রমূলক অপপ্রচার চালাচ্ছে।
​সংবাদ সম্মেলন থেকে তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান এবং তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন করে দোষীদের শাস্তির আওতায় আনার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর অপপ্রচারে কান না দেওয়ার জন্য এলাকাবাসী ও সর্বস্তরের মানুষের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।

জমি বিক্রির কথা বলে দুই প্রবাসীর কাছ থেকে ৩০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ

শ্রীপুর (গাজীপুর) সংবাদাতা প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ৬:০৯ অপরাহ্ণ
জমি বিক্রির কথা বলে দুই প্রবাসীর কাছ থেকে ৩০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার  অভিযোগ

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার পূর্ব সোনাব গ্রামের দুই প্রবাসী ভাইয়ের কাছ থেকে জমি বিক্রির কথা বলে ৩০ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে একই এলাকার ফিরোজ মিয়া ও তাঁর চার ছেলের বিরুদ্ধে।

টাকা নেওয়ার প্রায় এক বছর পার হলেও জমি রেজিস্ট্রি করে না দিয়ে নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পূর্ব সোনাব গ্রামের বাসিন্দা শরিফুল ইসলাম ও তাঁর ছোট ভাই রিমন মিয়া দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে রয়েছেন। শরিফুল প্রায় ১৪ বছর ধরে মালয়েশিয়ায় এবং রিমন গত এক বছর ধরে সৌদি আরবে কর্মরত। তাঁদের মা শেফালি আক্তার জানান, প্রতিবেশী ফিরোজ মিয়া তাঁর ছেলে পারভেজ, ইন্নছ, আলমাছ ও হাসানকে বিদেশে পাঠানোর প্রয়োজনের কথা বলে তাঁদের কাছে ২৮ শতাংশ জমি বিক্রির প্রস্তাব দেন।

পরে জমি মাপজোক করে ধাপে ধাপে দুই ভাইয়ের কাছ থেকে মোট ৩০ লাখ টাকা নেওয়া হয়। টাকা পরিশোধের পর শরিফুলদের পরিবার জমির দখল বুঝে পেয়ে প্রায় এক বছর ধরে সেখানে চাষাবাদও করে। তবে জমি রেজিস্ট্রির সময় এলে ফিরোজ মিয়া বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

প্রবাশীর পিতা শারিরিক প্রতিবন্ধী তাজ উদ্দিনের দাবি, সম্প্রতি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বিষয়টি জানিয়ে জমি রেজিস্ট্রির জন্য চাপ দেওয়া হলে বিক্রির জন্য স্থাপন করা জমির খুঁটিও তুলে নেওয়া হয়। বর্তমানে অভিযুক্তরা জমি রেজিস্ট্রি করে দিচ্ছেন না, আবার নেওয়া ৩০ লাখ টাকাও ফেরত দিচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন তাঁরা।

অভিযুক্ত ফিরোজ মিয়া ও তাঁর ছেলেদের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ফিরুজ মিয়ার ছেলে আলমাছ বলেন, তাদের সাথে কথা হয়েছে ১৪ শতাংশ জমি রেজিস্ট্রি করে দিবো যেহেতু জমির নামজারী নেই তাই দেরী হচ্ছে। কতো টাকা নিয়েছেন এ বিষয়ে তার কিছুই জানা নেই।

শ্রীপুর থানার উপপরিদর্শক শহিদুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত হচ্ছে।