মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩
শিরোনাম:
শ্রীপুরে যুবদল নেতার সংবাদ সম্মেলনজমি বিক্রির কথা বলে দুই প্রবাসীর কাছ থেকে ৩০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগমাদকাসক্ত ব্যক্তি ও মাদকে জড়িত পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের বাইরে রাখার নির্দেশ এমপি বাচ্চুরশ্রীপুর পৌর বিএনপির উদ্যোগে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিতশ্রীপুরে নানা আয়োজনে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপনসাব-ক্লাস্টার প্রশিক্ষণ ভাতা লোপাটের অভিযোগ, শ্রীপুরে তোলপাড়পরিচয়হীন শিশুরাও মেতেছিল ঈদের আনন্দে গাজীপুরের ‘শিশু পল্লী প্লাস’গাজীপুর -৩ সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম বাচ্চুকে ফুলেল সংবর্ধনাঈদ বোনাসের দাবিতে শ্রীপুরে শিক্ষা অফিসে দপ্তরিদের অবস্থান৬২ হাজার টাকায় কেনা বিড়াল অসুস্থ, টাকা ফেরত দিতে আইনি নোটিশশ্রীপুরে আরসিসি ঢালাই রাস্তার উদ্বোধনশ্রীপুরে মোটর ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন৫ বছরে ২০ হাজার কিমি খাল খননের লক্ষ্য: শ্রীপুরে পানিসম্পদ মন্ত্রী এ্যানিশ্রীপুরে বিনাসরিষা-১১ ও বারি সরিষা-১৪ এর সম্প্রসারণে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিতশ্রীপুরে প্রাথমিক স্কুলের ভোট কেন্দ্র মেরামতের লাখ লাখ টাকা লোপাট

খুলনায় ১৫ মাসে ৬২ হত্যা

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১০:৪৪ পূর্বাহ্ণ
খুলনায় ১৫ মাসে ৬২ হত্যা
google news আজকের বাণী এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন
Listen to this article Ready

খুলনা জেলার ৯ উপজেলায় গেল ১৫ মাসে ৬২টি হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ৪৩ হত্যার রহস্য উন্মোচন করেছে জেলা পুলিশ। এসব হত্যার নেপথ্যে যেমন রয়েছে পরকীয়া, পূর্বশত্রুতা, তেমনি রয়েছে মাদক কারবার ও আধিপত্য নিয়ে বিরোধ। সর্বোচ্চ ১৫টি হত্যার ঘটনা ঘটেছে জেলার রূপসা উপজেলায়।

আর সবচেয়ে কম দুটি হত্যার ঘটনা ঘটে তেরখাদা উপজেলায়। নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপের শঙ্কা প্রকাশ করেছে নাগরিক নেতারা।

তবে পুলিশের দাবি, জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তারা বেশির ভাগ ঘটনারই রহস্য উন্মোচন করেছে।

খুলনা জেলা পুলিশ সুপারের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে চলতি বছরের নভেম্বর পর্যন্ত জেলায় ৬২টি হত্যার ঘটনা ঘটে। রূপসা থানায় ১৫টি, তেরখাদা থানায় দুটি, দিঘলিয়া থানায় চারটি, ফুলতলা থানায় ১০টি, ডুমুরিয়া থানায় ১১টি, বটিয়াঘাটা থানায় চারটি, দাকোপ থানায় সাতটি, পাইকগাছা থানায় চারটি ও কয়রা থানায় পাঁচটি হত্যার ঘটনা ঘটে। হত্যাগুলোর মধ্যে গুলি করে পাঁচটি, গুরুতর জখম করে তিনটি, অজ্ঞাত কারণে ৯টি, শ্বাসরোধে দুটি, পরকীয়ার কারণে পাঁচটি, আর্থিক ও ব্যাবসায়িক কারণে পাঁচটি ঘটনা ঘটে। তদান্তাধীন ১৯টি ঘটনার মধ্যে জেলা পুলিশ ১১টি ও নৌ পুলিশ আটটি ঘটনা তদন্ত করছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানান, জেলার ক্রাইমের ক্ষেত্রে ‘হটজোন রূপসা’। শহরতলির এই উপজেলাটিতে আধিপত্য নিয়ে প্রায়ই হতাহতের ঘটনা ঘটে। নদী ও সড়ক বেষ্টিত উপজেলায় অপরাধ সংঘটনের পর সহজে সরে পড়া সহজ। এ ছাড়া মাদক কারবারের অন্যতম পথ। ফলে এখানেই বেশি অপরাধের ঘটনা ঘটছে।

জানা গেছে, জেলার ফুলতলা, দিঘলিয়া, রূপসা, ডুমুরিয়া ও বটিয়াঘাটা থানা এলাকায় রয়েছে প্রায় অর্ধশত মাদকের স্পট। এই কারবারিদের শক্তিশালী নেটওয়ার্ক রয়েছে। তারা কতিপয় অসাধু পুলিশ কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে এই কারবার পরিচালনা করছে।

নবাগত পুলিশ সুপারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, খুলনা জেলার ৫৩১টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৩৫টি ঝুঁকিপূর্ণ। তালিকার শীর্ষে রয়েছে পাইকগাছা। এ উপজেলায় ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে ৩৫টি কেন্দ্র। এ ছাড়া কয়রার ১৪টি, ডুমুরিয়ার ২৭টি, ফুলতলার চারটি, দিঘলিয়ার আটটি, তেরখাদার ছয়টি, রূপসার ২৩টি, দাকোপের ১৩টি ও বটিয়াঘাটার পাঁচটি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ।

খুলনা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান জানান, এরই মধ্যে হত্যাসহ বেশির ভাগ ঘটনার রহস্য উন্মোচন করেতে পুলিশ সমর্থ্য হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করেছে। মাদক কারবারিদের কোনো ছাড়া দেওয়া হচ্ছে না। ফলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

খুলনা নাগরিক সমাজের সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট বাবুল হাওলদার বলেন, বর্তমানে মানুষ নিরাপত্তাহীন ও শঙ্কায় রয়েছে। নির্বাচনী তফসিলের পর সব দলই মাঠে থাকবে। তাই আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।

সংবাদকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে খুলনার নবাগত পুলিশ সুপার মাহাবুবুর রহমান জানান, নির্বাচনকালীন যেকোনো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য পুলিশ প্রস্তুত আছে।

শ্রীপুরে যুবদল নেতার সংবাদ সম্মেলন

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:২৬ অপরাহ্ণ
শ্রীপুরে যুবদল নেতার সংবাদ সম্মেলন

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা, কুরুচিপূর্ণ ও মানহানিকর অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মাওনা ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক রোমান।

​লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, গত বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) মাওনা ডেকু গার্মেন্টসের সামনে পল্লী চিকিৎসক আতিকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পল্লী চিকিৎসকের স্ত্রী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে জড়িয়ে মিথ্যা, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করেন। তাকে ‘চাঁদাবাজ’ আখ্যা দিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি ও নির্যাতনের যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং তার দীর্ঘদিনের সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা।
​ঘটনার প্রকৃত বিবরণ তুলে ধরে ফজলুল হক রোমান বলেন, ঘটনার দিন তিনি স্থানীয় সুমনের বাড়ির পাশের একটি চা দোকানে ‘উজ্জ্বল’ নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে অবস্থান করছিলেন। উজ্জ্বল হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে (যেহেতু তিনি উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগের রোগী) স্থানীয় সিকিউরিটি গার্ডদের সহযোগিতায় তাকে তাৎক্ষণিক বাসায় পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হয় এবং পরবর্তীতে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। কিন্তু পরবর্তীতে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গুজব ছড়িয়ে দেওয়া হয় যে, উজ্জ্বলকে মারধর করা হয়েছে। উক্ত মিথ্যা সংবাদের সূত্র ধরে পল্লী চিকিৎসক আতিকের কাছে জানতে চাইলে তিনি ও অন্যরা একে অপরের ওপর দায় চাপান, যার ভিডিও রেকর্ড তার কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।
​তিনি আরও অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের দোসররা তাকে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতে এবং বিএনপি ও যুবদলের সুনাম নষ্ট করতে এই ধরনের ষড়যন্ত্রমূলক অপপ্রচার চালাচ্ছে।
​সংবাদ সম্মেলন থেকে তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান এবং তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন করে দোষীদের শাস্তির আওতায় আনার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর অপপ্রচারে কান না দেওয়ার জন্য এলাকাবাসী ও সর্বস্তরের মানুষের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।

জমি বিক্রির কথা বলে দুই প্রবাসীর কাছ থেকে ৩০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ

শ্রীপুর (গাজীপুর) সংবাদাতা প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ৬:০৯ অপরাহ্ণ
জমি বিক্রির কথা বলে দুই প্রবাসীর কাছ থেকে ৩০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার  অভিযোগ

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার পূর্ব সোনাব গ্রামের দুই প্রবাসী ভাইয়ের কাছ থেকে জমি বিক্রির কথা বলে ৩০ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে একই এলাকার ফিরোজ মিয়া ও তাঁর চার ছেলের বিরুদ্ধে।

টাকা নেওয়ার প্রায় এক বছর পার হলেও জমি রেজিস্ট্রি করে না দিয়ে নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পূর্ব সোনাব গ্রামের বাসিন্দা শরিফুল ইসলাম ও তাঁর ছোট ভাই রিমন মিয়া দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে রয়েছেন। শরিফুল প্রায় ১৪ বছর ধরে মালয়েশিয়ায় এবং রিমন গত এক বছর ধরে সৌদি আরবে কর্মরত। তাঁদের মা শেফালি আক্তার জানান, প্রতিবেশী ফিরোজ মিয়া তাঁর ছেলে পারভেজ, ইন্নছ, আলমাছ ও হাসানকে বিদেশে পাঠানোর প্রয়োজনের কথা বলে তাঁদের কাছে ২৮ শতাংশ জমি বিক্রির প্রস্তাব দেন।

পরে জমি মাপজোক করে ধাপে ধাপে দুই ভাইয়ের কাছ থেকে মোট ৩০ লাখ টাকা নেওয়া হয়। টাকা পরিশোধের পর শরিফুলদের পরিবার জমির দখল বুঝে পেয়ে প্রায় এক বছর ধরে সেখানে চাষাবাদও করে। তবে জমি রেজিস্ট্রির সময় এলে ফিরোজ মিয়া বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

প্রবাশীর পিতা শারিরিক প্রতিবন্ধী তাজ উদ্দিনের দাবি, সম্প্রতি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বিষয়টি জানিয়ে জমি রেজিস্ট্রির জন্য চাপ দেওয়া হলে বিক্রির জন্য স্থাপন করা জমির খুঁটিও তুলে নেওয়া হয়। বর্তমানে অভিযুক্তরা জমি রেজিস্ট্রি করে দিচ্ছেন না, আবার নেওয়া ৩০ লাখ টাকাও ফেরত দিচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন তাঁরা।

অভিযুক্ত ফিরোজ মিয়া ও তাঁর ছেলেদের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ফিরুজ মিয়ার ছেলে আলমাছ বলেন, তাদের সাথে কথা হয়েছে ১৪ শতাংশ জমি রেজিস্ট্রি করে দিবো যেহেতু জমির নামজারী নেই তাই দেরী হচ্ছে। কতো টাকা নিয়েছেন এ বিষয়ে তার কিছুই জানা নেই।

শ্রীপুর থানার উপপরিদর্শক শহিদুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত হচ্ছে।

মাদকাসক্ত ব্যক্তি ও মাদকে জড়িত পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের বাইরে রাখার নির্দেশ এমপি বাচ্চুর

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৯:৩৫ অপরাহ্ণ
মাদকাসক্ত ব্যক্তি ও মাদকে জড়িত পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের বাইরে রাখার নির্দেশ এমপি বাচ্চুর

গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডাক্তার এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু মাদকাসক্ত ব্যক্তি ও মাদকের সঙ্গে জড়িত পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতার বাইরে রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন।

সোমবার সকাল ৯ টায় শ্রীপুর উপজেলার মাসিক আইনশৃঙ্খলা সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদ ভূঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডাক্তার এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু।

এ সময় তিনি মাদকের বিভিন্ন কুফল তুলে ধরে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে মাদকাসক্তদের কোনো স্থান নেই। সমাজের সব স্তর থেকে মাদকাসক্তদের বয়কট করতে হবে। এ লক্ষ্যে প্রাথমিকভাবে মাদকাসক্ত ব্যক্তি ও মাদকের সঙ্গে জড়িত পরিবারগুলোকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতার বাইরে রাখার নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। তবে তারা যদি মাদক সেবন ও বিক্রি থেকে বিরত থেকে সমাজের মূল ধারায় ফিরে আসতে পারেন, তাহলে তাদের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার ব্যবস্থা করা হবে।