বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২
শিরোনাম:
গাজীপুরে ভূমি তথ্য সংগ্রহ ও সেবা ক্যাম্প পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসকগাজীপুরে গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ ও অতিরিক্ত দামে বিক্রি, সেনা অভিযানে জরিমানা সাড়ে ৪ লাখমধ্যরাতেও ফিলিং স্টেশনে যানবাহনের দীর্ঘ সারিশ্রীপুরে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিতTestশ্রীপুর পৌর বিএনপির উদ্যোগে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিতশ্রীপুরে নানা আয়োজনে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপনসাব-ক্লাস্টার প্রশিক্ষণ ভাতা লোপাটের অভিযোগ, শ্রীপুরে তোলপাড়পরিচয়হীন শিশুরাও মেতেছিল ঈদের আনন্দে গাজীপুরের ‘শিশু পল্লী প্লাস’গাজীপুর -৩ সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম বাচ্চুকে ফুলেল সংবর্ধনাসাংবাদিকদের সম্মানে শ্রীপুর প্রেসক্লাবের ইফতার মাহফিলtestঈদ বোনাসের দাবিতে শ্রীপুরে শিক্ষা অফিসে দপ্তরিদের অবস্থান৬২ হাজার টাকায় কেনা বিড়াল অসুস্থ, টাকা ফেরত দিতে আইনি নোটিশশ্রীপুরে আরসিসি ঢালাই রাস্তার উদ্বোধন

শ্রীপুর হানাদারমুক্ত দিবস

১২ ডিসেম্বরের সেই রণাঙ্গনের স্মৃতি

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১:২৬ পূর্বাহ্ণ
১২ ডিসেম্বরের সেই রণাঙ্গনের স্মৃতি
google news আজকের বাণী এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

১৯৭১ সালের ১২ ডিসেম্বর শ্রীপুর উপজেলা পাক হানাদারমুক্ত হয়। এর আগে মুক্তিযোদ্ধারা শ্রীপুর–ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথ কেটে পাকিস্তানি সেনাদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। চারদিক থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের ধারাবাহিক আক্রমণে টিকতে না পেরে ভোরের আগেই শ্রীপুর ত্যাগ করতে শুরু করে পাক সেনারা; আত্মগোপনে চলে যায় রাজাকাররাও।

৭ ডিসেম্বর ইজ্জতপুর রেলসেতুর কাছে পাকিস্তানি সেনাদের সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল সম্মুখসমর হয়। যুদ্ধে শহীদ হন গোসিঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র কিশোর সাহাব উদ্দিন। ওই যুদ্ধে একজন পাক সেনা ও তিন রাজাকার নিহত হয়। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে শ্রীপুরে নিরীহ মানুষ হত্যা, নারী নির্যাতন, গণকবর, অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যদের প্রকাশ্যে হত্যা—এসব বর্বরতায় এলাকাজুড়ে নিস্তব্ধতা নেমে আসে।

শ্রীপুর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল হক জানান, ১৯৭১ সালের ১৮ এপ্রিল থেকে পাক হানাদার বাহিনী শ্রীপুর থানাসহ গোসিঙ্গা কাচারি বাড়ি, কাওরাইদ ও সাতখামাইর রেলস্টেশন, ইজ্জতপুর সেতুসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আটটি ক্যাম্প স্থাপন করে। রাজাকারদের সহযোগিতায় এসব ক্যাম্পে নির্যাতন ও হত্যাযজ্ঞ চালানো হতো।

শ্রীপুর রহমত আলী সরকারি কলেজ মাঠে রয়েছে ১২ শহীদের গণকবর। কেওয়া আকন্দবাড়ীর নজরুল ইসলামের মুক্তিযুদ্ধে যাওয়ার কারণ দেখিয়ে রাজাকাররা তার বাবা ফকির আলমগীর বাদশা আকন্দসহ আরও অন্তত ১১ জনকে ধরে এনে হত্যা করে গণকবরে পুঁতে রাখে।

বীর মুক্তিযোদ্ধা নূরুল ইসলাম মণ্ডল (নুরু মুক্তি) জানান, ৭ ডিসেম্বর ভোরে জেড আই সুবেদের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা ইজ্জতপুর ব্রিজ ক্যাম্পে আক্রমণ চালান। ভোর ৪টা থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধ চলে সকাল ৭টা পর্যন্ত। সাহাব উদ্দিন সম্মুখ সারিতে থেকে যুদ্ধ করতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন। ওই হামলায় পাকিস্তানি সেনাদের একটি টহল ট্রেন ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং রেলসেতু ধ্বংস হয়।

পরপর হামলায় পাক সেনারা বিভিন্ন ক্যাম্প গুটিয়ে শ্রীপুর থানা ক্যাম্পে জড়ো হয়। মুক্তিযোদ্ধারা চারদিক থেকে ক্যাম্প ঘিরে ফেললে হানাদার বাহিনীর রসদ ও যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। প্রবল আক্রমণে বিপর্যস্ত হয় পাক সেনারা।

১১ ডিসেম্বর বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে শহীদ সাহাব উদ্দিনের মরদেহ উদ্ধারে অভিযান চালালে টহল ট্রেনে থাকা পাক সেনাদের সঙ্গে আবারও তুমুল লড়াই হয়। শেষ পর্যন্ত ১১ ডিসেম্বর সন্ধ্যার পর বিভিন্ন ক্যাম্প ছেড়ে ঢাকার দিকে পলায়ন শুরু করে পাক বাহিনী।
১৯৭১ সালের ১২ ডিসেম্বর শ্রীপুর সম্পূর্ণরূপে হানাদার ও রাজাকারমুক্ত হয়।

হানাদারমুক্তির খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ১২ ডিসেম্বর সকালে শ্রীপুর হাসপাতালের সামনে প্রথম উত্তোলন করা হয় স্বাধীন বাংলার লাল-সবুজ পতাকা। এরপর থেকেই দিনটি ‘শ্রীপুর হানাদারমুক্ত দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়ে আসছে।

গাজীপুরে ভূমি তথ্য সংগ্রহ ও সেবা ক্যাম্প পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৩ অপরাহ্ণ
গাজীপুরে ভূমি তথ্য সংগ্রহ ও সেবা ক্যাম্প পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক

মোঃ সোহেল মিয়া,গাজীপুর প্রতিনিধি:
গাজীপুর সদর উপজেলা ভূমি ব্যবস্থাপনা অটোমেশন প্রকল্প ও ইউনডিপি বাংলাদেশের যৌথ আয়োজনে ৫ দিন ব্যাপী ভূমি তথ্য সংগ্রহ ও সেবা ক্যম্প পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক জনাব নুরুল করিম ভূঁইয়া। মঙ্গলবার ৭ই এপ্রিল দুপুরে গাজীপুর সদর উপজেলার বাসন ইউনিয়ন ভূমি অফিস পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় ভূমি তথ্য সংগ্রহ ও সেবা ক্যাম্পে কর্তব্যরত সেবা দানকারীদের সাথে এ ক্যাম্পের উদ্দেশ্য এবং সেবা প্রদান সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি। এসময় বাসন ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মাহ্ আলম কে প্রয়োজনে এ প্রচারণারকে আরও বেগবান ও গতিশীল করতে মসজিদ মাইকিং করারা নির্দেশনা প্রদান করেন তিনি। এ সেবা ক্যাম্পের প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে অটোমেটেড ভূমি সেবা সিস্টেমে তথ্য সন্নিবেশ ও সংশোধন সংক্রান্ত ধারণা প্রদান করা।যাতে করে সহজেই সাধারণ মানুষ অটোমেটেড বা ডিজিটাল ভূমি সম্পর্কে ধারণা নিতে পারে। এসময় সাথে থাকা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সালমা খাতুন ভূমি অফিস সংলগ্ন ভরাট হয়ে যাওয়া পুকুর খনন করলে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ সহ অগ্নিনির্বাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে অবহিত করেন জেলা প্রশাসককে। পরে ভূমি সহকারী কর্মকতা মাহ্ আলমের কক্ষে থাকা পরিদর্শন বইতে স্বাক্ষর করেন জেলা প্রশাসক।এসময় ভূমি অভিযোগের মত কর্মচারীদের কাজের অভিগতির খোঁজখবর নেন দ্রুত সেবার মান নিশ্চিত করতে নির্দেশনা প্রদান করেন ও ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মাহ্ আলমকে ধন্যবাদ জানান তিনি।অয়োজকরা জানিয়েছেন ভূমি তথ্য সংগ্রহ ও সেবা কার্যক্রম চলবে আগামী ১১ এপ্রিল পর্যন্ত । ৫ দিন ব্যাপী এ আয়োজন জনসাধারণের ডিজিটাল ভূমি সংক্রান্ত সেবা সেবার মান উন্নয়নের পাশাপাশি হয়রানি ও জনদুর্ভোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন আয়োজকরা।

গাজীপুরে গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ ও অতিরিক্ত দামে বিক্রি, সেনা অভিযানে জরিমানা সাড়ে ৪ লাখ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৪৪ অপরাহ্ণ
গাজীপুরে গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ ও অতিরিক্ত দামে বিক্রি, সেনা অভিযানে জরিমানা সাড়ে ৪ লাখ

মোঃ সোহেল মিয়া, গাজীপুর প্রতিনিধি:

গাজীপুরে অবৈধভাবে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ ও সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগে দুই প্রতিষ্ঠানকে মোট সাড়ে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে, শনিবার (৪এপ্রিল) বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত গাজীপুর ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট আর্মি ক্যাম্পের নেতৃত্বে মহানগরের সদর মেট্রো থানার দুইটি গ্যাস সিলিন্ডার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি’র ডিলার পয়েন্টে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে নিয়ামত সড়কে অবস্থিত ‘জননী এন্টারপ্রাইজ’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৩ হাজার গ্যাস সিলিন্ডার মজুদসহ বিভিন্ন অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে গাজীপুর জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী মেজিস্ট্রেট।

অপরদিকে সদর মেট্রো থানার আওতাধীন দেশীপাড়া এলাকায় ‘খাজা গরিবে নেওয়াজ স্টিল বিতান’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে প্রায় ১৫ হাজার গ্যাস সিলিন্ডার মজুদের অপরাধসহ নানা অসংগতির প্রমান পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

অভিযান শেষে গাজীপুর জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, ভোক্তা অধিকার ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে। জরিমানার বিষয়টিও তিনি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন।

মধ্যরাতেও ফিলিং স্টেশনে যানবাহনের দীর্ঘ সারি

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:০৭ অপরাহ্ণ
মধ্যরাতেও ফিলিং স্টেশনে যানবাহনের দীর্ঘ সারি

মোঃ সোহেল মিয়া, গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি

গাজীপুর মহানগরীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দেওয়ায় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ যানবাহন চালক ও পরিবহন সংশ্লিষ্টরা। দীর্ঘ সময় পার হলেও পরিস্থিতির কোনো উন্নতি না হওয়ায় জনমনে ক্ষোভ ও চরম ভোগান্তি ছড়িয়ে পড়েছে। মহানগরের অধিকাংশ পাম্প তেল না থাকায় বন্ধ রাখা হয়েছে, আর যে কয়েকটি পাম্প খোলা রয়েছে সেখানে তেলের জন্য যানবাহনের কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ লাইন লক্ষ্য করা গেছে। মূলত মধ্যরাতেও তেলের জন্য অপেক্ষারত চালকদের এই হাহাকার দৃশ্যমান হচ্ছে মহানগরের প্রতিটি প্রান্তে।

সরেজমিনে তদন্তকালে দেখা যায়, গাজীপুর মহানগরের গাছা থানাধীন ঝাজর এলাকায় অবস্থিত ‘গাজীপুর সিটি ফিলিং স্টেশনে’ মধ্যরাতেও কয়েকশ যানবাহনের ভিড় লেগে আছে। মোটরসাইকেল, ব্যক্তিগত গাড়ি থেকে শুরু করে পণ্যবাহী ট্রাক চালকরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষার প্রহর গুনছেন। অনেক চালক অভিযোগ করেছেন যে, দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও শেষ মুহূর্তে চাহিদামতো তেল পাচ্ছেন না। অনেক ক্ষেত্রে পাম্প কর্তৃপক্ষ তেলের পরিমাণ সীমিত করে দেওয়ায় প্রয়োজনীয় পথ পাড়ি দেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ছে। দীর্ঘ অপেক্ষার পর তেল না পেয়ে অনেক চালককে ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গেছে।

জ্বালানি তেলের এই অস্থিরতার পেছনে বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতিকে বড় কারণ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান যুদ্ধাবস্থার প্রভাবে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলের বাজারে বড় ধরনের সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই বৈশ্বিক অস্থিতিশীলতার প্রভাব বাংলাদেশেও অনুভূত হচ্ছে। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে বারবার আশ্বস্ত করা হচ্ছে যে দেশে তেলের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে, তবুও সাধারণ মানুষের মধ্য থেকে প্যানিক বায়িং বা আতঙ্কিত হয়ে তেল সংগ্রহের প্রবণতা কমছে না। ফলে তেলের বাজারে এক ধরনের কৃত্রিম ও প্রকৃত সংকটের মিশ্র রূপ দেখা দিয়েছে।

ভোগান্তিতে পড়া চালকরা জানান, তেলের এই তীব্র সংকটের কারণে স্বাভাবিক যোগাযোগ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। একদিকে লাইনে দাঁড়িয়ে সময়ের অপচয় হচ্ছে, অন্যদিকে সঠিক সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে না পারায় আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন পরিবহন মালিকরা। চালকদের শঙ্কা, যদি এই সংকট দ্রুত নিরসন করা না যায় তবে দেশের পরিবহন খাতে বড় ধরনের বিপর্যয় নেমে আসতে পারে, যার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়বে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামের ওপর। গাজীপুরের মতো শিল্প ও পরিবহন সমৃদ্ধ এলাকায় এই সংকটের প্রভাব দীর্ঘমেয়াদী হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

গাজীপুরের জ্বালানি সংকট নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এখন সময়ের দাবি। পাম্পগুলোতে তেলের সুষম বণ্টন এবং বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় সরকারের সময়োপযোগী পরিকল্পনা বাস্তবায়িত না হলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও চরমে পৌঁছাবে। পরিবহন খাতের স্থিতিশীলতা রক্ষায় প্রশাসনকে দ্রুত নজরদারি বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

জ্বালানি তেলের বর্তমান বাজার দর এবং সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের সর্বশেষ নির্দেশনা জানতে আমাদের পোর্টালের পরবর্তী আপডেটগুলোতে চোখ রাখুন।