মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩
শিরোনাম:
শ্রীপুরে যুবদল নেতার সংবাদ সম্মেলনজমি বিক্রির কথা বলে দুই প্রবাসীর কাছ থেকে ৩০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগমাদকাসক্ত ব্যক্তি ও মাদকে জড়িত পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের বাইরে রাখার নির্দেশ এমপি বাচ্চুরশ্রীপুর পৌর বিএনপির উদ্যোগে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিতশ্রীপুরে নানা আয়োজনে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপনসাব-ক্লাস্টার প্রশিক্ষণ ভাতা লোপাটের অভিযোগ, শ্রীপুরে তোলপাড়পরিচয়হীন শিশুরাও মেতেছিল ঈদের আনন্দে গাজীপুরের ‘শিশু পল্লী প্লাস’গাজীপুর -৩ সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম বাচ্চুকে ফুলেল সংবর্ধনাঈদ বোনাসের দাবিতে শ্রীপুরে শিক্ষা অফিসে দপ্তরিদের অবস্থান৬২ হাজার টাকায় কেনা বিড়াল অসুস্থ, টাকা ফেরত দিতে আইনি নোটিশশ্রীপুরে আরসিসি ঢালাই রাস্তার উদ্বোধনশ্রীপুরে মোটর ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন৫ বছরে ২০ হাজার কিমি খাল খননের লক্ষ্য: শ্রীপুরে পানিসম্পদ মন্ত্রী এ্যানিশ্রীপুরে বিনাসরিষা-১১ ও বারি সরিষা-১৪ এর সম্প্রসারণে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিতশ্রীপুরে প্রাথমিক স্কুলের ভোট কেন্দ্র মেরামতের লাখ লাখ টাকা লোপাট

গৃহবধূ থেকে আপসহীন নেত্রী

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১১:১৩ পূর্বাহ্ণ
গৃহবধূ থেকে আপসহীন নেত্রী
google news আজকের বাণী এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন
Listen to this article Ready

বাংলাদেশের জনপ্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, তিনবারের প্রধানমন্ত্রী, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আজ মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তিকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তিনি ১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট ভারতের জলপাইগুড়িতে জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৬০ সালেই কলেজপড়ুয়া বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে তৎকালীন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ক্যাডেট অফিসার জিয়াউর রহমানের বিয়ে হয়।

স্বাধীনতাযুদ্ধের দীর্ঘ ৯ মাস বেগম খালেদা জিয়া দুই সন্তানসহ গৃহবন্দি ছিলেন। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার সংহতি ও বিপ্লবের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনার সঙ্গে সম্পৃক্ত হন তৎকালীন মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান।

পরবর্তী সময়ে তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। ১৯৮১ সালের ৩০ মে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামের সার্কিট হাউসে শহীদ হন।

সে সময় খালেদা জিয়া ছিলেন নিতান্তই একজন গৃহবধূ। দুই সন্তান নিয়ে তখন ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থান করছিলেন খালেদা জিয়া।

রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি তখন বিপর্যস্ত এবং দিশাহারা। জিয়াউর রহমানের পর দলের হাল কে ধরবেন, সেটি নিয়ে নানা আলোচনা চলতে থাকে।

১৯৮২ সালের ২ জানুয়ারি খালেদা জিয়া বিএনপির প্রাথমিক সদস্য হিসেবে যোগ দেন। বছরখানেক যেতে না যেতেই নিজের রাজনৈতিক প্রজ্ঞায় প্রশংসা অর্জন করেন। পরের বছর মার্চে তিনি দলটির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে পদোন্নতি পান।

১৯৮২ সালের ৮ জানুয়ারি সংবাদপত্রে এক বিবৃতিতে তিনি বলেছিলেন, ‘প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে সমগ্র জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে একটি শোষণহীন, দুর্নীতিমুক্ত, আত্মনির্ভরশীল দেশ গঠনের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল গঠন করেছিলেন। বিগত কিছুকাল যাবৎ আমি বিএনপির কার্যক্রম গভীরভাবে লক্ষ্য করেছি।

দলের ঐক্য ও সংহতি বিপন্ন হতে পারে, এমন মনে করে আমাকে দলের দায়িত্ব নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে। তাই দলের বৃহত্তর স্বার্থে বিএনপিতে যোগ দিয়েছি ও দলের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হয়েছি।

দেশ ও জাতির স্বার্থে এবং শহীদ জিয়ার গড়া দলে ঐক্য ও সংহতির স্বার্থে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে যাওয়া আমার লক্ষ্য।’
বিচারপতি আব্দুস সাত্তার অসুস্থ হলে তিনি ১৯৮৪ সালের ১২ জানুয়ারি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন এবং একই বছরের ১০ মে চেয়ারপারসন পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। ১৯৯৩ সালে ১ সেপ্টেম্বর দলের চতুর্থ কাউন্সিলে দ্বিতীয়বার, ২০০৯ সালের ৮ ডিসেম্বর পঞ্চম জাতীয় কাউন্সিলে তৃতীয়বার এবং ২০১৬ সালের ১৯ মার্চ দলের দশম কাউন্সিলে চতুর্থবারের মতো বিএনপির চেয়ারপারসন হন।

বিএনপির দায়িত্ব নেওয়ার পরই নানা প্রতিকূলতার মুখে পড়েন খালেদা জিয়া। দল ঐক্যবদ্ধ রেখে এরশাদের স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলেন। এরশাদের শাসনের বিরুদ্ধে কোনো রকম সমঝোতা না করেই আপসহীন আন্দোলন করে গেছেন। ফলে এরশাদের পতন ত্বরান্বিত হয়। ১৯৮৭ সাল থেকে খালেদা জিয়া ‘এরশাদ হটাও’ এক দফার আন্দোলন শুরু করেন। একটানা নিরলস ও আপসহীন সংগ্রামের পর ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় বিএনপি।

খালেদা জিয়া ১৯৯১ সালে জামায়াতে ইসলামীর সমর্থনে প্রথমবারের মতো দেশের প্রধানমন্ত্রী পদে নির্বাচিত হন। এরপর ১৯৯৬ সালে ১৫ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয়বার ও ২০০১ সালে জোটগতভাবে নির্বাচন করে তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হন তিনি।

খালেদা জিয়া দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থায় (সার্ক) দুবার চেয়ারপারসনের দায়িত্ব পালন করেন। নির্বাচনের ইতিহাসে খালেদা জিয়ার একটি অনন্য রেকর্ড হচ্ছে— পাঁচটি সংসদ নির্বাচনে ২৩ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সব কটিতেই তিনিই জয়ী হয়েছেন।

সেনাসমর্থিত ওয়ান ইলেভেনের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে খালেদা জিয়াকে ২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার করা হয়। দীর্ঘদিন কারাবাসের পর তিনি আইনি লড়াই করে সব কটি মামলায় জামিন নিয়ে মুক্তি পান। কারাগারে থাকাকালে তাকে বিদেশে নির্বাসনে পাঠানোর চেষ্টা করা হয়। কিন্তু তিনি যেতে অস্বীকার করেন।

আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে ২০১০ সালের ১৩ নভেম্বর খালেদা জিয়া ক্যান্টনমেন্টের বাড়ি থেকে উচ্ছেদ হন। তার অভিযোগ, বলপ্রয়োগে তাকে বাসা থেকে বের করে দেওয়া হয়। তিনি ওই বাড়িটিতে ২৮ বছর ছিলেন। জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তার সেনানিবাসের বাড়িটি তার নামে বরাদ্দ দিয়েছিলেন।

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ৩৭টি মামলা হয়েছিল। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় তার সাজা হয়েছিল। গত ৬ আগস্ট সরকারের নির্বাহী আদেশে তার সাজা মওকুফ করা হয়। একই সঙ্গে গত ২৭ নভেম্বর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় তিনি খালাস পান।

রাজনীতিতে যোগ দিয়েই স্বৈরাচার এরশাদবিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে আপসহীন নেত্রীতে পরিণত হয়েছিলেন খালেদা জিয়া। এরশাদবিরোধী আন্দোলনে ১৯৮৩ সালের ২৮ নভেম্বর, ১৯৮৪ সালের ৩ মে, ১৯৮৭ সালের ১১ নভেম্বর খালেদা জিয়া গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও দুইবারের বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়া ওয়ান-ইলেভেনের সময় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশ ছাড়ার জন্য চাপ থাকলেও দেশ ছাড়েননি তিনি। এরপর বিগত ১৫ বছর আওয়ামী লীগের শাসনামলে নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন। জেলও খাটতে হয়েছে তাকে। কিন্তু আপস করেননি।

কারাগারে থাকাবস্থায় খালেদা জিয়াকে স্লো পয়জনিং করে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেছেন বিএনপি নেতারা। আওয়ামী লীগ আমলে তাকে মুক্তি দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠাতে বিএনপি ও তার পরিবারের পক্ষ থেকে বারবার আবেদন জানানো হলেও তাতে সরকার সাড়া দেয়নি। সর্বশেষ আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত ৬ আগস্ট রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে মুক্তি দেন।

শ্রীপুরে যুবদল নেতার সংবাদ সম্মেলন

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:২৬ অপরাহ্ণ
শ্রীপুরে যুবদল নেতার সংবাদ সম্মেলন

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা, কুরুচিপূর্ণ ও মানহানিকর অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মাওনা ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক রোমান।

​লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, গত বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) মাওনা ডেকু গার্মেন্টসের সামনে পল্লী চিকিৎসক আতিকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পল্লী চিকিৎসকের স্ত্রী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে জড়িয়ে মিথ্যা, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করেন। তাকে ‘চাঁদাবাজ’ আখ্যা দিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি ও নির্যাতনের যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং তার দীর্ঘদিনের সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা।
​ঘটনার প্রকৃত বিবরণ তুলে ধরে ফজলুল হক রোমান বলেন, ঘটনার দিন তিনি স্থানীয় সুমনের বাড়ির পাশের একটি চা দোকানে ‘উজ্জ্বল’ নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে অবস্থান করছিলেন। উজ্জ্বল হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে (যেহেতু তিনি উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগের রোগী) স্থানীয় সিকিউরিটি গার্ডদের সহযোগিতায় তাকে তাৎক্ষণিক বাসায় পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হয় এবং পরবর্তীতে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। কিন্তু পরবর্তীতে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গুজব ছড়িয়ে দেওয়া হয় যে, উজ্জ্বলকে মারধর করা হয়েছে। উক্ত মিথ্যা সংবাদের সূত্র ধরে পল্লী চিকিৎসক আতিকের কাছে জানতে চাইলে তিনি ও অন্যরা একে অপরের ওপর দায় চাপান, যার ভিডিও রেকর্ড তার কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।
​তিনি আরও অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের দোসররা তাকে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতে এবং বিএনপি ও যুবদলের সুনাম নষ্ট করতে এই ধরনের ষড়যন্ত্রমূলক অপপ্রচার চালাচ্ছে।
​সংবাদ সম্মেলন থেকে তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান এবং তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন করে দোষীদের শাস্তির আওতায় আনার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর অপপ্রচারে কান না দেওয়ার জন্য এলাকাবাসী ও সর্বস্তরের মানুষের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।

জমি বিক্রির কথা বলে দুই প্রবাসীর কাছ থেকে ৩০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ

শ্রীপুর (গাজীপুর) সংবাদাতা প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ৬:০৯ অপরাহ্ণ
জমি বিক্রির কথা বলে দুই প্রবাসীর কাছ থেকে ৩০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার  অভিযোগ

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার পূর্ব সোনাব গ্রামের দুই প্রবাসী ভাইয়ের কাছ থেকে জমি বিক্রির কথা বলে ৩০ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে একই এলাকার ফিরোজ মিয়া ও তাঁর চার ছেলের বিরুদ্ধে।

টাকা নেওয়ার প্রায় এক বছর পার হলেও জমি রেজিস্ট্রি করে না দিয়ে নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পূর্ব সোনাব গ্রামের বাসিন্দা শরিফুল ইসলাম ও তাঁর ছোট ভাই রিমন মিয়া দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে রয়েছেন। শরিফুল প্রায় ১৪ বছর ধরে মালয়েশিয়ায় এবং রিমন গত এক বছর ধরে সৌদি আরবে কর্মরত। তাঁদের মা শেফালি আক্তার জানান, প্রতিবেশী ফিরোজ মিয়া তাঁর ছেলে পারভেজ, ইন্নছ, আলমাছ ও হাসানকে বিদেশে পাঠানোর প্রয়োজনের কথা বলে তাঁদের কাছে ২৮ শতাংশ জমি বিক্রির প্রস্তাব দেন।

পরে জমি মাপজোক করে ধাপে ধাপে দুই ভাইয়ের কাছ থেকে মোট ৩০ লাখ টাকা নেওয়া হয়। টাকা পরিশোধের পর শরিফুলদের পরিবার জমির দখল বুঝে পেয়ে প্রায় এক বছর ধরে সেখানে চাষাবাদও করে। তবে জমি রেজিস্ট্রির সময় এলে ফিরোজ মিয়া বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

প্রবাশীর পিতা শারিরিক প্রতিবন্ধী তাজ উদ্দিনের দাবি, সম্প্রতি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বিষয়টি জানিয়ে জমি রেজিস্ট্রির জন্য চাপ দেওয়া হলে বিক্রির জন্য স্থাপন করা জমির খুঁটিও তুলে নেওয়া হয়। বর্তমানে অভিযুক্তরা জমি রেজিস্ট্রি করে দিচ্ছেন না, আবার নেওয়া ৩০ লাখ টাকাও ফেরত দিচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন তাঁরা।

অভিযুক্ত ফিরোজ মিয়া ও তাঁর ছেলেদের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ফিরুজ মিয়ার ছেলে আলমাছ বলেন, তাদের সাথে কথা হয়েছে ১৪ শতাংশ জমি রেজিস্ট্রি করে দিবো যেহেতু জমির নামজারী নেই তাই দেরী হচ্ছে। কতো টাকা নিয়েছেন এ বিষয়ে তার কিছুই জানা নেই।

শ্রীপুর থানার উপপরিদর্শক শহিদুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত হচ্ছে।

মাদকাসক্ত ব্যক্তি ও মাদকে জড়িত পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের বাইরে রাখার নির্দেশ এমপি বাচ্চুর

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৯:৩৫ অপরাহ্ণ
মাদকাসক্ত ব্যক্তি ও মাদকে জড়িত পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের বাইরে রাখার নির্দেশ এমপি বাচ্চুর

গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডাক্তার এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু মাদকাসক্ত ব্যক্তি ও মাদকের সঙ্গে জড়িত পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতার বাইরে রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন।

সোমবার সকাল ৯ টায় শ্রীপুর উপজেলার মাসিক আইনশৃঙ্খলা সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদ ভূঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডাক্তার এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু।

এ সময় তিনি মাদকের বিভিন্ন কুফল তুলে ধরে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে মাদকাসক্তদের কোনো স্থান নেই। সমাজের সব স্তর থেকে মাদকাসক্তদের বয়কট করতে হবে। এ লক্ষ্যে প্রাথমিকভাবে মাদকাসক্ত ব্যক্তি ও মাদকের সঙ্গে জড়িত পরিবারগুলোকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতার বাইরে রাখার নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। তবে তারা যদি মাদক সেবন ও বিক্রি থেকে বিরত থেকে সমাজের মূল ধারায় ফিরে আসতে পারেন, তাহলে তাদের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার ব্যবস্থা করা হবে।