মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩
শিরোনাম:
শ্রীপুরে যুবদল নেতার সংবাদ সম্মেলনজমি বিক্রির কথা বলে দুই প্রবাসীর কাছ থেকে ৩০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগমাদকাসক্ত ব্যক্তি ও মাদকে জড়িত পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের বাইরে রাখার নির্দেশ এমপি বাচ্চুরশ্রীপুর পৌর বিএনপির উদ্যোগে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিতশ্রীপুরে নানা আয়োজনে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপনসাব-ক্লাস্টার প্রশিক্ষণ ভাতা লোপাটের অভিযোগ, শ্রীপুরে তোলপাড়পরিচয়হীন শিশুরাও মেতেছিল ঈদের আনন্দে গাজীপুরের ‘শিশু পল্লী প্লাস’গাজীপুর -৩ সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম বাচ্চুকে ফুলেল সংবর্ধনাঈদ বোনাসের দাবিতে শ্রীপুরে শিক্ষা অফিসে দপ্তরিদের অবস্থান৬২ হাজার টাকায় কেনা বিড়াল অসুস্থ, টাকা ফেরত দিতে আইনি নোটিশশ্রীপুরে আরসিসি ঢালাই রাস্তার উদ্বোধনশ্রীপুরে মোটর ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন৫ বছরে ২০ হাজার কিমি খাল খননের লক্ষ্য: শ্রীপুরে পানিসম্পদ মন্ত্রী এ্যানিশ্রীপুরে বিনাসরিষা-১১ ও বারি সরিষা-১৪ এর সম্প্রসারণে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিতশ্রীপুরে প্রাথমিক স্কুলের ভোট কেন্দ্র মেরামতের লাখ লাখ টাকা লোপাট

নেপথ্যে শিক্ষা অফিসার ফাতেমা নাসরিন

শ্রীপুরে প্রাথমিক স্কুলের ভোট কেন্দ্র মেরামতের লাখ লাখ টাকা লোপাট

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:২৯ অপরাহ্ণ
শ্রীপুরে প্রাথমিক স্কুলের ভোট কেন্দ্র মেরামতের  লাখ লাখ টাকা লোপাট
google news আজকের বাণী এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন
Listen to this article Ready

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভোটকেন্দ্র সংস্কারের নামে সরকারি অর্থ হরিলুটের অভিযোগ উঠেছে। নির্বাচন উপলক্ষে সারাদেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ১২৩১টি ভোটকেন্দ্র সংস্কারের নামে ৪১ কোটি ১২ লক্ষ টাকা ব্যয় করে। সারাদেশের মত শ্রীপুর উপজেলায় ২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নামমাত্র কাজ দেখিয়ে প্রায় লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করার চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। অভিযোগের তীর খোদ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ফাতেমা নাসরিন ও সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়গুলোর প্রধান শিক্ষকদের দিকে।

​সরেজমিনে বিভিন্ন বিদ্যালয় ঘুরে দেখা গেছে, বরাদ্দের টাকা লোপাট করতে অপ্রয়োজনীয় ও তুচ্ছ কাজকে বড় খরচ হিসেবে দেখানো হয়েছে।
​যোগীর ছিট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়: এই বিদ্যালয়ে বরাদ্দ ছিল ৩৩,৩৩৩ টাকা। প্রধান শিক্ষক হাতে পেয়েছেন ২৬,০০০ টাকা। এই সামান্য টাকায় টয়লেট পরিষ্কার, পুরনো বৈদ্যুতিক ওয়ারিং মেরামত এবং কিছু বাল্ব কেনা দেখানো হয়েছে। অথচ শিক্ষার্থীদের হাত ধোয়ার বেসিনে একটি পানির কল পর্যন্ত লাগানো হয়নি।

​ধামলই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়: ৩৩,৩৩৩ টাকা বরাদ্দের বিপরীতে প্রধান শিক্ষক পেয়েছেন ২৪,৬০০ টাকা। এই টাকায় মাত্র ৩টি ফ্যান, কয়েক জোড়া তালা ও কিছু বাল্ব কেনা হয়েছে।

​২ নং গাজীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা কোহিনুর বেগমকে দেড় লক্ষ টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছে। বিপুল এই অর্থ দিয়েও কেবল ৩টি ফ্যান, দরজা-জানালা ও টয়লেট মেরামতের সাধারণ কাজ দেখানো হয়েছে অথচ শহীদ মিনার রং করার মত ২ হাজার টাকা হয়নি।

​ফরিদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়: ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা ব্যয়ে স্কুলের দরজা-জানালা, বাল্ব ও গেট মেরামতের দাবি করেছেন শিক্ষিকা নূরজাহান বেগম।

মুলাইদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক অনুকুল সরকার এক লক্ষ বিশ হাজার টাকা অনুদান পেয়েছেন তিনি অন্যান্য স্কুলের মত টয়লেট তালা গ্রিল গেট দরজা জানালা মেরামত করেছেন, তিনি বলছেন এক লক্ষ বিশ হাজার টাকার কাজে এক লক্ষ ৪২ হাজার টাকা খরচ করেছেন কাজ করে আরো বিশ হাজার টাকার লস।

​দুর্নীতির ‘মাস্টারমাইন্ড’ যখন শিক্ষা অফিসার
​অভিযোগ উঠেছে, এই অর্থ আত্মসাতের পুরো ছকটি তৈরি করেছেন শ্রীপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ফাতেমা নাসরিন। তিনি শুধু দুর্নীতির সুযোগই করে দেননি, বরং বরাদ্দকৃত টাকা থেকে নিজের ভাগও বুঝে নিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

​অনুসন্ধানে জানা গেছে, গণমাধ্যম বা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের প্রশ্ন এড়াতে তিনি শিক্ষকদের বিশেষ ‘কৌশল’ শিখিয়ে দিয়েছেন। সাংবাদিকদের সামনে কী বলতে হবে এবং কীভাবে তথ্য গোপন করতে হবে, সে বিষয়েও তিনি শিক্ষকদের নির্দেশনা দিয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

​এবিষয়ে বক্তব্য এড়িয়ে যাচ্ছেন অভিযুক্তরা
​অর্থ আত্মসাতের এসব সুনির্দিষ্ট অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ফাতেমা নাসরিন সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি। পুরো বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে তিনি নিজের মতো করে সাজানো কিছু তথ্য উপস্থাপন করার চেষ্টা করেন। এবং সাংবাদিকদের ভুল তথ্য দিয়ে অন্য দপ্তরে পাঠিয়ে দিয়ে মূল ঘটনাকে ধামাচাপার দেওয়ার চেষ্টা করে।

​শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দাবি, সরকারি এই বরাদ্দের টাকা যদি সঠিকভাবে বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যয় হতো, তবে শিক্ষার পরিবেশ উন্নত হতো। কিন্তু প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের যোগসাজশে এই অর্থ লোপাট হওয়ায় ক্ষোভ বিরাজ করছে স্থানীয়দের মাঝে। তারা দ্রুত এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

শ্রীপুরে যুবদল নেতার সংবাদ সম্মেলন

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:২৬ অপরাহ্ণ
শ্রীপুরে যুবদল নেতার সংবাদ সম্মেলন

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা, কুরুচিপূর্ণ ও মানহানিকর অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মাওনা ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক রোমান।

​লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, গত বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) মাওনা ডেকু গার্মেন্টসের সামনে পল্লী চিকিৎসক আতিকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পল্লী চিকিৎসকের স্ত্রী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে জড়িয়ে মিথ্যা, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করেন। তাকে ‘চাঁদাবাজ’ আখ্যা দিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি ও নির্যাতনের যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং তার দীর্ঘদিনের সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা।
​ঘটনার প্রকৃত বিবরণ তুলে ধরে ফজলুল হক রোমান বলেন, ঘটনার দিন তিনি স্থানীয় সুমনের বাড়ির পাশের একটি চা দোকানে ‘উজ্জ্বল’ নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে অবস্থান করছিলেন। উজ্জ্বল হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে (যেহেতু তিনি উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগের রোগী) স্থানীয় সিকিউরিটি গার্ডদের সহযোগিতায় তাকে তাৎক্ষণিক বাসায় পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হয় এবং পরবর্তীতে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। কিন্তু পরবর্তীতে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গুজব ছড়িয়ে দেওয়া হয় যে, উজ্জ্বলকে মারধর করা হয়েছে। উক্ত মিথ্যা সংবাদের সূত্র ধরে পল্লী চিকিৎসক আতিকের কাছে জানতে চাইলে তিনি ও অন্যরা একে অপরের ওপর দায় চাপান, যার ভিডিও রেকর্ড তার কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।
​তিনি আরও অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের দোসররা তাকে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতে এবং বিএনপি ও যুবদলের সুনাম নষ্ট করতে এই ধরনের ষড়যন্ত্রমূলক অপপ্রচার চালাচ্ছে।
​সংবাদ সম্মেলন থেকে তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান এবং তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন করে দোষীদের শাস্তির আওতায় আনার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর অপপ্রচারে কান না দেওয়ার জন্য এলাকাবাসী ও সর্বস্তরের মানুষের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।

জমি বিক্রির কথা বলে দুই প্রবাসীর কাছ থেকে ৩০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ

শ্রীপুর (গাজীপুর) সংবাদাতা প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ৬:০৯ অপরাহ্ণ
জমি বিক্রির কথা বলে দুই প্রবাসীর কাছ থেকে ৩০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার  অভিযোগ

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার পূর্ব সোনাব গ্রামের দুই প্রবাসী ভাইয়ের কাছ থেকে জমি বিক্রির কথা বলে ৩০ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে একই এলাকার ফিরোজ মিয়া ও তাঁর চার ছেলের বিরুদ্ধে।

টাকা নেওয়ার প্রায় এক বছর পার হলেও জমি রেজিস্ট্রি করে না দিয়ে নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পূর্ব সোনাব গ্রামের বাসিন্দা শরিফুল ইসলাম ও তাঁর ছোট ভাই রিমন মিয়া দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে রয়েছেন। শরিফুল প্রায় ১৪ বছর ধরে মালয়েশিয়ায় এবং রিমন গত এক বছর ধরে সৌদি আরবে কর্মরত। তাঁদের মা শেফালি আক্তার জানান, প্রতিবেশী ফিরোজ মিয়া তাঁর ছেলে পারভেজ, ইন্নছ, আলমাছ ও হাসানকে বিদেশে পাঠানোর প্রয়োজনের কথা বলে তাঁদের কাছে ২৮ শতাংশ জমি বিক্রির প্রস্তাব দেন।

পরে জমি মাপজোক করে ধাপে ধাপে দুই ভাইয়ের কাছ থেকে মোট ৩০ লাখ টাকা নেওয়া হয়। টাকা পরিশোধের পর শরিফুলদের পরিবার জমির দখল বুঝে পেয়ে প্রায় এক বছর ধরে সেখানে চাষাবাদও করে। তবে জমি রেজিস্ট্রির সময় এলে ফিরোজ মিয়া বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

প্রবাশীর পিতা শারিরিক প্রতিবন্ধী তাজ উদ্দিনের দাবি, সম্প্রতি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বিষয়টি জানিয়ে জমি রেজিস্ট্রির জন্য চাপ দেওয়া হলে বিক্রির জন্য স্থাপন করা জমির খুঁটিও তুলে নেওয়া হয়। বর্তমানে অভিযুক্তরা জমি রেজিস্ট্রি করে দিচ্ছেন না, আবার নেওয়া ৩০ লাখ টাকাও ফেরত দিচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন তাঁরা।

অভিযুক্ত ফিরোজ মিয়া ও তাঁর ছেলেদের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ফিরুজ মিয়ার ছেলে আলমাছ বলেন, তাদের সাথে কথা হয়েছে ১৪ শতাংশ জমি রেজিস্ট্রি করে দিবো যেহেতু জমির নামজারী নেই তাই দেরী হচ্ছে। কতো টাকা নিয়েছেন এ বিষয়ে তার কিছুই জানা নেই।

শ্রীপুর থানার উপপরিদর্শক শহিদুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত হচ্ছে।

মাদকাসক্ত ব্যক্তি ও মাদকে জড়িত পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের বাইরে রাখার নির্দেশ এমপি বাচ্চুর

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৯:৩৫ অপরাহ্ণ
মাদকাসক্ত ব্যক্তি ও মাদকে জড়িত পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের বাইরে রাখার নির্দেশ এমপি বাচ্চুর

গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডাক্তার এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু মাদকাসক্ত ব্যক্তি ও মাদকের সঙ্গে জড়িত পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতার বাইরে রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন।

সোমবার সকাল ৯ টায় শ্রীপুর উপজেলার মাসিক আইনশৃঙ্খলা সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদ ভূঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডাক্তার এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু।

এ সময় তিনি মাদকের বিভিন্ন কুফল তুলে ধরে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে মাদকাসক্তদের কোনো স্থান নেই। সমাজের সব স্তর থেকে মাদকাসক্তদের বয়কট করতে হবে। এ লক্ষ্যে প্রাথমিকভাবে মাদকাসক্ত ব্যক্তি ও মাদকের সঙ্গে জড়িত পরিবারগুলোকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতার বাইরে রাখার নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। তবে তারা যদি মাদক সেবন ও বিক্রি থেকে বিরত থেকে সমাজের মূল ধারায় ফিরে আসতে পারেন, তাহলে তাদের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার ব্যবস্থা করা হবে।