খুঁজুন
বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন, ১৪৩২

জাপানের পর ভূমিকম্পে কাঁপলো মিয়ানমার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৩:৪৪ অপরাহ্ণ
জাপানের পর ভূমিকম্পে কাঁপলো মিয়ানমার

জাপানের পর মিয়ানমারে আঘাত হেনেছে ৩ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প। স্থানীয় সময় সোমবার (৮ ডিসেম্বর) দিনগত রাত ১টা ২১ মিনিটে ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়। খবর এএনআইয়ের।

এদিকে, সোমবার (৮ ডিসেম্বর) গভীর রাতে জাপানের পূর্ব অওমোরি উপকূলের কাছে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। এদিন স্থানীয় সময় রাত ১১টা ১৫ মিনিটের দিকে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ভূমিকম্পের পর অওমোরি, ইওয়াতে ও হোক্কাইডোর উপকূলীয় এলাকায় সুনামি সতর্কতাও জারি করা হয়।

ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির (এনসিএস) তথ্য অনুযায়ী, মিয়ানমারের সর্বশেষ এই ভূমিকম্পটির ছিল দেশটির উত্তর-পূর্ব অঞ্চলে। আর এর গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ৩০ কিলোমিটার।

মিয়ানমারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভূমিকম্পটির তীব্রতা কম হলেও ধারাবাহিক কম্পনের কারণে মিয়ানমারে জনমনে উদ্বেগ বাড়ছে। কারণ দেশটি চারটি সক্রিয় টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত হওয়ায় বেশ ভূমিকম্প প্রবণ। সেখানে যে কোনো সময় বড় মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানতে পারে।

এর একদিন আগে, সোমবার দিনে ৩ দশমিক ৫ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প আঘাত হানে মিয়ানমারে। ওই ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল মাত্র ১০ কিলোমিটার। এরপরই আফটারশকের ঝুঁকি ছিল।

ভূমিকম্প ও সুনামির ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর মধ্যে মিয়ানমার অন্যতম। দেশটি চারটি সক্রিয় টেকটোনিক প্লেট- ভারতীয়, ইউরেশীয়, সুন্ডা ও বার্মা প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত হওয়ায় ভূমিকম্পের প্রবণতা বেশি। প্রায় ১৪০০ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি ট্রান্সফর্ম ফল্ট রেখা আন্দমান স্প্রেডিং সেন্টার থেকে উত্তরের সংঘর্ষ অঞ্চলের দিকে বিস্তৃত হয়ে তৈরি করেছে সাগাইং ফল্ট।

এএনআই জানায়, এই সাগাইং ফল্টই মিয়ানমারের সাগাইং, মান্দালে, বাগো ও ইয়াঙ্গুন অঞ্চলের ভূমিকম্প ঝুঁকি বাড়িয়ে দিয়েছে। এই চার অঞ্চলে মিয়ানমারের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪৬ শতাংশ বসবাস করে। যদিও ইয়াঙ্গুন ফল্ট লাইনের থেকে তুলনামূলক দূরে, তবুও ঘনবসতির কারণে ঝুঁকি অনেক বেশি।

এর আগে চলতি বছরের মার্চে ৭ দশমিক ৭ ও ৬ দশমিক ৪ মাত্রার দুটি ভয়াবহ ভূমিকম্পে মধ্য মিয়ানমারের বিশাল অঞ্চল ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

শ্রীপুরে মোটর ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ৪:৫৪ অপরাহ্ণ
শ্রীপুরে মোটর ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন

“সঠিক প্রশিক্ষণ, নিরাপদ ভ্রমণ” স্লোগানকে সামনে রেখে গাজীপুরের শ্রীপুরে মোটর ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। দক্ষতা উন্নয়নমূলক কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এনএসডিএ) অনুমোদিত অ্যাসেট প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছে প্রশিকা ইনস্টিটিউট অব স্কিলস ফর এমপ্লয়মেন্ট।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন মো. আহাদ উল্লাহ।
অনুষ্ঠানে উদ্বোধন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর হক এবং সভাপতিত্ব করেন প্রশিকা মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্রের পরিচালক মো. আজিজির রহমান। তিনি বলেন, দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে কারিগরি প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং তারা স্বাবলম্বী হতে পারবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রশিকা মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্রের প্রধান নির্বাহী শওকত চক্রবর্তী, সাবেক উপ-প্রধান নির্বাহী কামরুল হাসান কামাল, জহিরুল ইসলাম কাজল, মমতাজ উদ্দিন ও আবুল বাশারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
এই মোটর ড্রাইভিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স গ্রহণের জন্য প্রস্তুতি নিতে পারবে। এতে স্থানীয় বেকার যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।

৫ বছরে ২০ হাজার কিমি খাল খননের লক্ষ্য: শ্রীপুরে পানিসম্পদ মন্ত্রী এ্যানি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ৩:৫৫ অপরাহ্ণ
৫ বছরে ২০ হাজার কিমি খাল খননের লক্ষ্য: শ্রীপুরে পানিসম্পদ মন্ত্রী এ্যানি

খাল খনন কর্মসূচিকে একটি বিপ্লবী আন্দোলন হিসেবে অভিহিত করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এনি এমপি। তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কৃষকদের স্বার্থে খাল খনন কার্যক্রম শুরু করেছিলেন। খাল খননের মাধ্যমে খালে পানি প্রবাহ নিশ্চিত হওয়ায় কৃষকরা সহজে সেচ দিতে পারতেন, মাছ উৎপাদন হতো এবং খালের পাড়ে বৃক্ষরোপণ সম্ভব হতো।
সোমবার দুপুরে গাজীপুরের শ্রীপুর পৌর এলাকার বৈরাগীরচালা চৌক্কার খাল পরিদর্শনকালে মন্ত্রী জানান, দীর্ঘদিন অবহেলার কারণে দেশের বিভিন্ন স্থানে খাল ভরাট, দখল এবং দূষণের ফলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তি খালে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ করছেন, আবার কেউ কেউ খাল দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করেছেন। ফলে খালগুলো আজ অস্তিত্ব সংকটে।
মন্ত্রী বলেন, নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিমি খাল খননের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। সরকার গঠনের কয়েক দিনের মধ্যেই এর দৃশ্যমান অগ্রগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে মেয়াদের মধ্যেই লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে। শ্রীপুর ও গাজীপুরের আরও বেশ কয়েকটি খাল খনন করা হবে, যদিও নানা বাধা-বিপত্তি আসতে পারে। তবে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে সেগুলো মোকাবিলা করা হবে।
তিনি আরও জানান, দায়িত্ব গ্রহণের পরই কৃষকদের কল্যাণে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে, যার পরিমাণ সারা দেশে প্রায় ১,৫০০ কোটি টাকা। এর মূল উদ্দেশ্য কৃষকদের উৎসাহ দেওয়া। বাংলাদেশ একটি কৃষিপ্রধান দেশ, কৃষিই দেশের অর্থনীতির চাবিকাঠি। সরকার কৃষকদের সহায়তা করতে চায়, যাতে তারা ফসল উৎপাদন বাড়াতে পারেন। সবাইকে চাকরি দেওয়া সম্ভব নয়, তবে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। প্রথম ১৮০ দিনের মধ্যে এর দৃশ্যমান অগ্রগতি ইতিমধ্যেই লক্ষ্য করা গেছে।
মন্ত্রী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কৃষকদের স্বার্থে জনকল্যাণমূলক নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন এবং দেশকে স্বনির্ভরতার পথে এগিয়ে নিয়েছিলেন। বর্তমান সরকারও ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে সামাজিক ও মানবিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে চায়। এছাড়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-এর অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্য রয়েছে।

এ সময় পা‌নি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হো‌সেন, গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডাঃ এসএম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, গাজীপু‌রের জেলা প্রশাসক আলম হো‌সেন ও জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব ড. ব্যারিস্টার ইশরাক আহমেদ সিদ্দিকীসহ প‌ানি উন্নয়ন বো‌র্ডের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছি‌লেন।

শ্রীপুরে বিনাসরিষা-১১ ও বারি সরিষা-১৪ এর সম্প্রসারণে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:৪৮ অপরাহ্ণ
শ্রীপুরে বিনাসরিষা-১১ ও বারি সরিষা-১৪ এর সম্প্রসারণে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

গাজীপুরের শ্রীপুরে উচ্চফলনশীল সরিষার জাত বিনাসরিষা-১১ ও বারি সরিষা-১৪ এর চাষাবাদ সম্প্রসারণ ও জনপ্রিয় করার লক্ষ্যে এক বিশাল মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রায়োগিক মাঠ পরীক্ষণের মাধ্যমে কৃষকদের এসব উন্নত জাতের কার্যকারিতা সরাসরি প্রদর্শনের জন্য এই আয়োজন করা হয়।
​অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. মোহাম্মদ আসাদ উল্লাহ, পিএসও এবং ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, বিনা আঞ্চলিক গবেষণা কেন্দ্র, গাজীপুর। তিনি কৃষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, দেশের ভোজ্যতেলের চাহিদা মেটাতে ও আমদানিনির্ভরতা কমাতে বিনাসরিষা-১১-এর মতো উচ্চফলনশীল জাতগুলো বৈপ্লবিক ভূমিকা রাখতে পারে।
​বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শ্রীপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সুমাইয়া সুলতানা বন্যা খাতুন এবং উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ আফরোজা সরিষার আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি ও সরকারি প্রণোদনা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন।

বিনাসরিষা-১১ ও বারি সরিষা-১৪-এর স্বল্প জীবনকাল এবং অধিক ফলন সম্পর্কে কৃষকদের ধারণা প্রদান।

পরীক্ষামূলক জমিতে সরিষার বাম্পার ফলন দেখে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ সৃষ্টি হয়েছে।
শ্রীপুর উপজেলায় সরিষার আবাদি জমি বাড়িয়ে ভোজ্যতেলে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষে কাজ করার অঙ্গীকার।

​অনুষ্ঠানে এলাকার বিপুল সংখ্যক কৃষক ও কৃষাণী অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন যে, এই উন্নত জাতগুলো চাষের মাধ্যমে কৃষকরা অল্প সময়ে অধিক লাভবান হতে পারবেন।