খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন, ১৪৩২

শেষ পর্যন্ত কি জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা হচ্ছে এনসিপির?

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১১:৫৯ পূর্বাহ্ণ
শেষ পর্যন্ত কি জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা হচ্ছে এনসিপির?

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে রাজনীতির মাঠে বিএনপি বলয়ের বাইরে শক্তিশালী বলয় তৈরি করছে জামায়াতসহ ইসলামি আট দল। তারা সমঝোতার দরজা এখনো খোলা রেখেছে। নবীন দল জাতীয় নাগরিক পার্টিও (এনসিপি) করেছে নতুন জোট। তবে শেষ পর্যন্ত তারা বিএনপি কিংবা জামায়াতের সঙ্গেই সমঝোতার আভাস দিচ্ছে।

জামায়াত জানিয়েছে, এনসিপির সঙ্গে আলোচনা এখনো চলমান। অভ্যুত্থানের শরিক যে কাউকে তারা সমঝোতায় নিয়ে নির্বাচন করতে আগ্রহী। এক্ষেত্রে নির্বাচনের ডামাডোলের শুরু থেকেই এনসিপিকে সমোঝতা করে নির্বাচনের প্রস্তাব দিয়েছে জামায়াত। এছাড়া জোট গঠনের পরেও এনসিপির সঙ্গে আলোচনা রয়েছে বলে জানিয়েছে দলটি।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও প্রচার বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জোবায়ের জাগো নিউজকে বলেন, ‘এনসিপিকে তো আমরা আগেই প্রস্তাব দিয়েছি। আলোচনা আছে তাদের পক্ষ থেকে। আলোচনা চলছে। অভ্যুত্থানে যারা অবদান রেখেছে, আমরা তাদের প্রতি সর্বোচ্চ সহমর্মিতা দেখাবো। ব্যক্তি ও দল দুটোই দেখবো। কিন্তু আমাদের সমঝোতায় এলেই যে তাকে প্রার্থী করা হবে এটার তো নিশ্চয়তা নেই। তবে শীর্ষ নেতাদের জন্য আমাদের কনসিডারেশন থাকবে। আসন বণ্টনের জন্য সংখ্যা জরুরি নয়।’

এনসিপির আলোচনার টেবিলে ‘জামায়াত’
গত ৭ ডিসেম্বর এনসিপি, এবি পার্টি ও রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন গণতান্ত্রিক সংস্কার নামে জোট গঠন করেছে। এনসিপি সূত্রে যায়, জোট গঠন করলেও শেষ পর্যন্ত দলটি বিএনপি কিংবা জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা করে নির্বাচন করবে।

এনসিপির একজন কেন্দ্রীয় সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জাগো নিউজকে বলেন, ‘বিএনপির সঙ্গে জোট হওয়ার যে সম্ভাবনা ছিল সেটা কমে গেছে। জামায়াতের সঙ্গে ফরমালি আলোচনা না হলেও কয়েক মাস আগে থেকে একসঙ্গে আন্দোলনসহ সমঝোতা করে নির্বাচনের বিষয়ে কথাবার্তা হয়েছে।’

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনসিপির একজন যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক জাগো নিউজকে বলেন, ‘জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতায় যেতে এনসিপির অনেক নেতাই ইচ্ছুক। বিএনপির সঙ্গে আসন নিয়ে বনিবনা হচ্ছে না। বিগত কয়েক মাস থেকেই জামায়াতের সঙ্গে আলোচনা চলছে। বিএনপির সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে। সেক্ষেত্রে শেষ পর্যন্ত কোনো একদিকে যাবে।’

তিনি বলেন, ‘জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা করতে প্রথম থেকে দ্বিতীয় সারির অনেক নেতার সম্মতি রয়েছে। জামায়াতের সঙ্গে যাওয়ার কিছু কারণ হলো- বেশি আসন পাওয়ার সম্ভাবনা আছে, এতে দলের সিনিয়র সারির প্রায় প্রত্যেকে নির্বাচন করতে পারবে। অভ্যন্তরীণ কোন্দল নেই। ফলে স্বতন্ত্রভাবে প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা কম। আরেকটি বিষয় হলো, জামায়াতের সঙ্গে গেলে তাদের যে রিসোর্স সেগুলোর সুবিধা পাওয়া যাবে। এছাড়া ইসলামি আট দলের নির্দিষ্ট সমর্থক ও যে লোকবল রয়েছে সে সুবিধা পাওয়া যাবে।’

এই নেতা জানান, জামায়াতের সঙ্গে গেলে অনেক সুবিধা রয়েছে। বিএনপির সঙ্গে গেলে কী কী অসুবিধা আছে সে বিষয়ে এনসিপির আলাপ আলোচনার টেবিলে ঘুরপাক খাচ্ছে।

তারা জানান, প্রাথমিকভাবে বিএনপি ২৩৭ আসনে প্রার্থী ঘোষণার পর অধিকাংশ জায়গায় বিদ্রোহীরা হট্টগোল করেছে। এনসিপিকে নমিনেশন দিলে সেখানে যে বিশৃঙ্খলা হবে না তারও নিশ্চয়তা নেই। ফলে এনসিপির প্রথম সারি থেকে দ্বিতীয় সারির অনেকে জামায়াতের সঙ্গে নির্বাচনি সমঝোতায় যেতে আগ্রহী, যাতে তারা নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন।

জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও শিক্ষা সেলের সহ-সম্পাদক মাহবুব আলম জাগো নিউজকে বলেন, ‘এনসিপি নির্দিষ্ট নীতি ও আদর্শ নিয়ে রাজনীতি করছে। জুলাই সনদ নিয়ে এনসিপির অবস্থানের সঙ্গে যাদের মিলবে তাদের সঙ্গে আমরা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি এবং ঐক্যবদ্ধভাবে আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবো। এনসিপি সমঝোতা করে নির্বাচন করবে কি না সেটা নিশ্চিত হতে আরও কিছুদিন সময় লাগবে। তবে এনসিপি তার স্বতন্ত্র রাজনীতি চালিয়ে যাবে। সে অনুযায়ী ৩০০ আসনে প্রার্থীও দিচ্ছে।’

আট দলের শরিকরা যা বলছেন

ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ ইউনুস আহমাদ জাগো নিউজকে বলেন, ‘বিএনপির সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় অনেকে আসতে চায়। আমরাও আলোচনার পথ রাখছি। ইসলামি দলের বাইরেও যারা দেশপ্রেমিক ও জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী কিংবা ১৫ বছর ফ্যাসিবাদবিরোধী অবস্থানে ছিলেন তারাও চাইলে আট দলের সঙ্গে আসতে পারেন। সেই সুযোগ এখনো রয়েছে।’

অধ্যক্ষ ইউনুস বলেন, ‘আসন ভাগাভাগির উদ্দেশ্য নিয়ে কেউ এলে আমরা নেগেটিভলি দেখবো। এখানে কে কত আসনে নির্বাচন করবে এটা মুখ্য নয়, আমরা চাইবো কোন দলের কোন প্রার্থীকে দিলে সে জিতে আসতে পারে। এটা আমরা গুরুত্ব দেবো।’

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব জালাল উদ্দিন আহমেদ জাগো নিউজকে বলেন, ‘এখনো অনেক দল আলোচনা করে, কথাবার্তা বলে। বিএনপি শরিকদের অনেকে আসন না পেয়ে এবং মূল্যায়ন না করার অভিযোগে বের হয়ে আসছে। তারাও আমাদের সঙ্গে আলোচনা করছে। কিছুদিন আগেও এনসিপির সদস্য সচিব আখতারের সঙ্গে কথা হয়েছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কারা আসবে, বলার মতো সময় আসেনি।’

জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদের একজন সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জাগো নিউজকে বলেন, ‘এনসিপি আমাদের সঙ্গে আসার বিষয়টা এনসিপিই ভালো বলতে পারবে। পারস্পরিক কথাবার্তা এখনো চলমান। মনোনয়ন প্রত্যাহারের আগ পর্যন্ত এনসিপি আমাদের সঙ্গী হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।’

তিনি আরও বলেন, ‘রিসেন্টলি নুরুল হক নুর ও এবি পার্টির আসাদুজ্জামান ফুয়াদের সঙ্গে যে ঘটনা ঘটেছে, এগুলোর অনেক প্রভাব পড়ে জোটের ক্ষেত্রে। এই ছোট দলগুলো বুঝতে পেরেছে তাদের সেফ জোন কোথায়। অনেকেই বিশ্বাস করে জামায়াতে গেলে তারা জামায়াতের ফিল্ড ফোর্স কাজে লাগাতে পারবে। তারা বুঝতে পেরেছে জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা করে নির্বাচন করলে শৃঙ্খল সাংগঠনিক শক্তি আর ম্যানপাওয়ারকে তারা কাজে লাগাতে পারবে। এটা জামায়াত করবেও।

৬২ হাজার টাকায় কেনা বিড়াল অসুস্থ, টাকা ফেরত দিতে আইনি নোটিশ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ৯:২৭ অপরাহ্ণ
৬২ হাজার টাকায় কেনা বিড়াল অসুস্থ, টাকা ফেরত দিতে  আইনি নোটিশ

গাজীপুরের শ্রীপুরের মাওনা চৌরাস্তা এলাকার গৃহবধূ সানিলা জাহান জুঁইয়ের শখ বিড়াল পালন। আগে থেকেই তাঁর বাসায় একটি মাদী বিড়াল ছিল। সেটির সঙ্গে জুটি করতে তিনি একটি পুরুষ বিড়াল খুঁজছিলেন। এ সময় অনলাইনে বিড়াল বিক্রির একটি বিজ্ঞাপন তাঁর নজরে আসে।

বিজ্ঞাপন দেখে তিনি ঢাকার মালিবাগের সিদ্ধেশ্বরী বয়েজ স্কুলের পাশে অবস্থিত সোহাগ ডিপার্টমেন্টাল স্টোরের দ্বীন ইসলাম মাজেদ ও রাফসান নামের দুই ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তারা একটি বিড়াল দেখিয়ে এর দাম ৬২ হাজার টাকা দাবি করেন। পরে ওই দামে বিড়ালটি কিনতে জুঁই প্রথমে ২ হাজার টাকা অগ্রিম পরিশোধ করেন।

পরে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে বিড়ালটি পাঠানো হয়। কুরিয়ার থেকে বিড়ালটি গ্রহণ করার সময় বাকি ৬০ হাজার টাকা পরিশোধ করেন তিনি। কিন্তু বাসায় আনার পর দেখা যায় বিড়ালটি অসুস্থ।

ভুক্তভোগী সানিলা জাহান জুঁই বলেন, বিড়ালটি কেনার সময় শর্ত ছিল এটি সুস্থ হতে হবে এবং তাঁর বাসায় থাকা মাদী বিড়ালের সঙ্গে মিল (ম্যাচিং) থাকতে হবে। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি বিড়ালটি বাসায় আনার পর দেখা যায় এটি অসুস্থ এবং বাসায় থাকা বিড়ালের সঙ্গে মিলও হচ্ছে না। বিষয়টি জানিয়ে বিক্রেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা বিড়াল ফেরত নিতে ও টাকা ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানান।

তিনি অভিযোগ করেন, বিক্রেতারা তাঁর সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। এ ঘটনায় তিনি আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন।

ভুক্তভোগীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান জানান, বিড়াল বিক্রেতাদের কাছে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নোটিশ পাওয়ার ১০ দিনের মধ্যে তারা যদি বিড়ালটি ফেরত নিয়ে জুঁইয়ের টাকা ফেরত না দেন, তবে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে বিড়াল বিক্রেতাদের সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাদের পাওয়া যায়নি।

শ্রীপুরে আরসিসি ঢালাই রাস্তার উদ্বোধন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬, ২:১৪ অপরাহ্ণ
শ্রীপুরে আরসিসি ঢালাই রাস্তার উদ্বোধন

গাজীপুরের শ্রীপুরে চৌরাস্তা সংলগ্ন আনসার রোড কলিম উদ্দিন চেয়ারম্যান বাড়ি মোড়মুখী ১২০ মিটার আরসিসি (RCC) ঢালাই রাস্তার শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় আনুষ্ঠানিকভাবে এ রাস্তার উদ্বোধন করেন গাজীপুর-৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. এস. এম. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল মোতালিব, শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ব্যারিস্টার সজীব আহমেদ, শ্রীপুর পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী সাহেদ, সহকারী প্রকৌশলী হারুন অর রশিদ, প্রকৌশলী উপসহকারী তানভির আহমেদ এবং ঢাকা বিভাগ সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি হাসান ইকবাল কাজল মৃধা, শ্রীপুর উপজেলা বিআরডিভি চেয়ারম্যান মাহফুল হাসান হান্নান।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন শ্রীপুর পৌর বিএনপির আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির সরকার, সদস্য সচিব বিল্লাল হোসেন বেপারী, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শরিফ সিদ্দিকীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

বক্তারা বলেন, নতুন করে নির্মিত আরসিসি ঢালাই রাস্তার ফলে এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের যাতায়াতের দুর্ভোগ কমবে এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত হবে। পরে দোয়া ও মোনাজাতের মধ্য দিয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান এ এম আর এন্টারপ্রাইজ।

শ্রীপুরে মোটর ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ৪:৫৪ অপরাহ্ণ
শ্রীপুরে মোটর ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন

“সঠিক প্রশিক্ষণ, নিরাপদ ভ্রমণ” স্লোগানকে সামনে রেখে গাজীপুরের শ্রীপুরে মোটর ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। দক্ষতা উন্নয়নমূলক কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এনএসডিএ) অনুমোদিত অ্যাসেট প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছে প্রশিকা ইনস্টিটিউট অব স্কিলস ফর এমপ্লয়মেন্ট।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন মো. আহাদ উল্লাহ।
অনুষ্ঠানে উদ্বোধন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর হক এবং সভাপতিত্ব করেন প্রশিকা মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্রের পরিচালক মো. আজিজির রহমান। তিনি বলেন, দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে কারিগরি প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং তারা স্বাবলম্বী হতে পারবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রশিকা মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্রের প্রধান নির্বাহী শওকত চক্রবর্তী, সাবেক উপ-প্রধান নির্বাহী কামরুল হাসান কামাল, জহিরুল ইসলাম কাজল, মমতাজ উদ্দিন ও আবুল বাশারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
এই মোটর ড্রাইভিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স গ্রহণের জন্য প্রস্তুতি নিতে পারবে। এতে স্থানীয় বেকার যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।