বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩
শিরোনাম:
শ্রীপুরে বিক্রিত জমি পুনর্দখলের চেষ্টার অভিযোগকল্পনালতিফপুর আশরাফুল উলুম আলিম মাদ্রাসায় অনিয়মের অভিযোগমিথ্যা মামলায় হয়রানির অভিযোগে শ্রীপুরে সংবাদ সম্মেলনবগুড়া সিটি কর্পোরেশন গঠনের প্রস্তাব উঠতে পারে নিকার সভায়চট্টগ্রাম থেকে ১৯ এপ্রিল হজ ফ্লাইট শুরুনম্বর প্লেটেই আসল খেলা : ৬ লাখের সিএনজি ২৫ লাখ!গাজীপুরে ভূমি তথ্য সংগ্রহ ও সেবা ক্যাম্প পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসকগাজীপুরে গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ ও অতিরিক্ত দামে বিক্রি, সেনা অভিযানে জরিমানা সাড়ে ৪ লাখমধ্যরাতেও ফিলিং স্টেশনে যানবাহনের দীর্ঘ সারিশ্রীপুরে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিতTestশ্রীপুর পৌর বিএনপির উদ্যোগে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিতশ্রীপুরে নানা আয়োজনে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপনসাব-ক্লাস্টার প্রশিক্ষণ ভাতা লোপাটের অভিযোগ, শ্রীপুরে তোলপাড়

ছিনতাই বন্ধে টঙ্গী ফ্লাইওভারের তিন সিঁড়ি সাময়িক বন্ধ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:১২ অপরাহ্ণ
ছিনতাই বন্ধে টঙ্গী ফ্লাইওভারের তিন সিঁড়ি সাময়িক বন্ধ
google news আজকের বাণী এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

ধারাবাহিক ছিনতাইয়ে একাধিক খুন ও বহু পথচারী আহত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে গাজীপুরের আব্দুল্লাহপুর থেকে টঙ্গীর চেরাগ আলী পর্যন্ত ফ্লাইওভারের পাঁচটির মধ্যে তিনটি সিঁড়ি বন্ধ করে দিয়েছে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি)।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের রাজধানীর বিমানবন্দর থেকে গাজীপুরের চান্দনা গাজীপুর পর্যন্ত ২৩ কিলোমিটার মহাসড়কের যানজট দূর করতে ২০১২ সালে হাতে নেওয়া হয় বিআরটির এই প্রকল্প। কিন্তু আব্দুল্লাহপুর থেকে টঙ্গীর চেরাগআলী পর্যন্ত ৪ দশমিক ৫ কিলোমিটার ফ্লাইওভারের কাজ সম্পন্ন হওয়া পর তা বন্ধ হয়ে যায়। সম্প্রতি সরকার বিআরটির এই প্রকল্পটিই আপাতত বন্ধ করে দেয়।

এরপর টঙ্গীবাসী ফ্লাইওভারসহ ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের চারটি লেন খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছে। কিন্তু এখনও চারটি লেন পুরোপুরি খুলে দেওয়া হয়নি। ফলে বিচ্ছিন্নভাবে চলছে যানবাহন।

সম্প্রতি আব্দুল্লাহপুর থেকে টঙ্গীর স্টেশন রোড ও চেরাগআলী পর্যন্ত ফ্লাইওভারে বেড়েছে ছিনতাই।

এতে হতাহতের ঘটনাও ঘটে। বিশেষ করে ফ্লাইওভার থেকে নিচে নামার সিঁড়িগুলোতে ছিনতাইয়ের ঘটনা বেশি ঘটছে। আব্দুলাহপুর থেকে টঙ্গীর চেরাগআলী পর্যন্ত মোট পাঁচটি সিঁড়ি রয়েছে। পথচারীদের ফ্লাইওভার থেকে নিচে নামার জন্য সিঁড়িগুলো নির্মাণ করেছিল বিআরটি।

ফ্লাইওভার স্টেশনে নামার পর যে সিঁড়ি দিয়ে যাত্রীরা নিরাপদে ঘরে ফেরার কথা ছিল, সে সিঁড়িগুলোই এখন মারণফাঁদ।

ফ্লাইওভারে সংঘটিত সম্প্রতিক ছিনতাইয়ের বিবরণ বিশ্লেষনে দেখা যায়, কোনো যাত্রী গাড়ি থেকে নামার পর ছিনতাইকারীরা তাকে ফ্লাইওভারের ওপর থেকে ধাওয়া করে সিঁড়িতে এনে কুপিয়ে হতাহত করে বা সিঁড়ি দিয়ে ফ্লাইওভারে ওঠার সময় আক্রমণ করে। এ প্রক্রিয়ায় একাধিক হতাহতের ঘটনার পর সাধারণ মানুষ বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। বিচারের দাবিতে আন্দোলন, মহাসড়ক ও থানা ঘেরাও এখন টঙ্গীর নিত্যদিনের ঘটনা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ছিনতাই বন্ধে জিএমপি আব্দুল্লাহপুর থেকে টঙ্গীর চেরাগআলী পর্যন্ত ৪ দশমিক ৫ কিলোমিটার ফ্লাইওভারের পাঁচটি সিঁড়ির মধ্যে তিনটি বন্ধ করে দিয়েছে।

আব্দুল্লাহপুর ও চেরাগআলীতে দুটি রেখে বাবি তিনটি সিঁড়ি আপাতত অস্থায়ীভাবে ইট দিয়ে প্রাচীর আকৃতির দেয়াল করে বন্ধ করে দিয়েছে পুলিশ। একইসঙ্গে খোলা রাখা দুটি সিঁড়িতে পুলিশি টহল জোরদার করা হয়ে। কিন্তু এই ফ্লাইওভারের ওপরে বা নিচে কোনো আলো বা সিসি ক্যামেরা না থাকায় ছিনতাইকারীরা সহজেই ছিনতাই করার কাজটি নিরাপদে করে আসছে।
তিনটি সিঁড়ি বন্ধ হলেও পুরো ফ্লাইওভারে এখনও আলো ও সিসি ক্যামেরার ব্যবস্থা হয়নি। শুধু সিঁড়ি বন্ধ নয়, আলো ও সিসি ক্যামেরাসহ পুলিশি নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে এই অপরাধ দমন সম্ভব নয় বলে মনে করছে সাধারণ মানুষ।

 

এসব বিষয়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের(জিএমপি) অপরাধ দক্ষিণ  বিভাগের উপ-কমিশনার মহিউদ্দিন আহমেদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ছিনতাই রোধে অস্থায়ীভাবে ফ্লাইওভারের তিনটি সিঁড়ি বন্ধ করা হয়েছে। জনগণ  চাইলে খুলে দেওয়া হবে। ফ্লাইওভারে আলো ও সিসি ক্যামেরা স্থাপনের বিষয়ে তিনি বলেন, এই সমস্যা সমাধান জটিল হয়ে যাচ্ছে। বিআরটি এ বিষয়ে কোনো  পদক্ষেপ নিচ্ছে না। গাজীপুর সিটিকরপোরেশনও কোনো উদ্যোগ নেয় না। তবে পুলিশ চেষ্টা করছে যেন আলো ও সিসিক্যামেরা স্থাপন করে ও পুলিশ টহল আরো বাড়িয়ে ছিনতাই বন্ধ করা যায়।

শ্রীপুরে বিক্রিত জমি পুনর্দখলের চেষ্টার অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৫৩ অপরাহ্ণ
শ্রীপুরে বিক্রিত জমি পুনর্দখলের চেষ্টার অভিযোগ

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার কেওয়া বাজার এলাকায় বিক্রিত একটি জমি পুনরায় জবর দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারটি চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে বলে জানিয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত জমির মালিক হারিসুল হকের মেয়ে তাসলিমা আক্তার। উল্লেখ্য, জমিটি ৭ নম্বর কেওয়া মৌজায় অবস্থিত। এর এসএ দাগ নম্বর ১৬৬৪ এবং আরএস দাগ নম্বর ৩৩৮৬ ও ৩৩৮৭। ২০০৯ সালে তিনি জমিটি প্রথমে মোক্তার হোসেনের কাছে বিক্রি করেন। পরবর্তীতে মোক্তার হোসেন থেকে মাহমুদা আক্তার রিনা জমির মালিকানা অর্জন করেন।

কিন্তু তৎকালীন পৌর শ্রমিক লীগের সভাপতি জালাল উদ্দীনের প্রলোভনে পড়ে তাসলিমা আক্তার একই জমি পুনরায় বিক্রি করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২২ সালে জালাল পাওয়ার অব অ্যাটর্নির মাধ্যমে প্রায় ১৩ গন্ডা জমি ক্রয় করেন। পরবর্তীতে তিনি ও তার স্ত্রী শিরিনা আক্তারের নামে সমহারে ৩.৫০ শতাংশ জমি সাফ কবলা দলিলের মাধ্যমে রেজিস্ট্রি করেন। এরপর প্রভাব খাটিয়ে জমিটি জবর দখল করেন বলেও দাবি ভুক্তভোগীদের।

পরে ৫ আগস্টের পর জালাল উদ্দীন এলাকা ছেড়ে চলে গেলে মাহমুদা আক্তার রিনা পুনরায় জমির দখল বুঝে পান।

বর্তমানে জালাল শেখের সহযোগী শিরিন আক্তার এবং স্থানীয় জাকির মন্ডলের নেতৃত্বে একদল লোকজন নিয়ে পুনরায় জমি দখলের চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী পরিবারকে মামলা-হামলার ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে বলেও তারা দাবি করেন।

মাহমুদা আক্তার রিনা বলেন, “আমরা এখন ভয়ের মধ্যে বসবাস করছি। যেকোনো সময় হামলার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। প্রশাসনের কাছে আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি।”

রিনার ভাই মাসুদ রানা বলেন, “আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করার চেষ্টা করা হয়েছে। তা না পেরে এখন হামলার চেষ্টা করছে।”
আরেক ভাই আমিনুল ইসলাম জানান, “আমাদের নামে মিথ্যা মামলা হয়েছে বলে ভয় দেখানো হচ্ছে। জমি ছেড়ে না দিলে যেকোনো সময় হামলা হতে পারে বলেও হুমকি দিচ্ছে তারা।”

অপর দিকে জাকির মন্ডল বলেন, “তাসলিমা আক্তার জালাল শেখের কাছে জমি বিক্রি করেছেন। তবে সম্পূর্ণ জমির মালিক তাসলিমা আক্তার না হওয়ায় মাসুদ রানা কিছু অংশ বিক্রিতে সম্মতি দেন। কিন্তু রেজিস্ট্রি সম্পূর্ণ করা হয়নি। আমি জালাল শেখের কাছ থেকে বায়না করেছি। কোনো ধরনের মামলা, হামলা বা হুমকি দেওয়া হয়নি।”

এ বিষয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।

কল্পনা

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৪৩ অপরাহ্ণ
কল্পনা

বাংলাদেশ বাংলাদেশ বাংলাদেশ বাংলাদেশ বাংলাদেশ

হজ ব্যবসায় ব্যস্ত প্রভাষক

লতিফপুর আশরাফুল উলুম আলিম মাদ্রাসায় অনিয়মের অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৫৫ অপরাহ্ণ
লতিফপুর আশরাফুল উলুম আলিম মাদ্রাসায় অনিয়মের অভিযোগ

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার লতিফপুর আশরাফুল উলুম আলিম মাদ্রাসায় দীর্ঘদিন ধরে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। প্রতিষ্ঠানের ইবতেদায়ী শাখার শিক্ষিকা আলেয়া আক্তার প্রায় এক বছর ধরে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থেকেও বেতন-ভাতা গ্রহণ করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অন্যদিকে, আরবি বিভাগের প্রভাষক গোলাম কিবরিয়া হজ্ব ও উমরার ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত থাকায় নিয়মিত পাঠদানে মনোযোগী নন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

জানা যায়, তিনি বছরে দুইবার করে সৌদি আরব যান এবং গত দুই বছরে অন্তত চারবার সেখানে গিয়েছেন।
প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আলেয়া আক্তার ২০২৫ সালের মে মাস থেকে বিভিন্ন অজুহাতে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত রয়েছেন। প্রথমদিকে তিনি একজন প্রক্সি শিক্ষক নিয়োগ দিলেও কয়েক মাস পর সেই শিক্ষকও চলে যান। ফলে ইবতেদায়ী শাখার শিক্ষার্থীরা কার্যত শিক্ষকশূন্য অবস্থায় পড়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষক জানান, প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান দিন দিন নিম্নমুখী হচ্ছে। অনেক শিক্ষক নিয়মিত শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত থাকেন না এবং শ্রেণি কার্যক্রমে অবহেলা করেন। সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে প্রতিষ্ঠানটি ইচ্ছেমতো পরিচালিত হচ্ছে বলেও অভিযোগ তাদের।

মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রফি উদ্দিন আহমেদ বলেন,আলেয়া আক্তার ১১ মাস অনুপস্থিত থাকার পর গত মাস থেকে তার বেতন বন্ধ করা হয়েছে। অপর শিক্ষক গোলাম কিবরিয়া হজ্ব ও উমরার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত, তিনি গত বছর সৌদি আরব গিয়েছিলেন এবং এ বছরও যাওয়ার আবেদন দিয়েছেন। আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগতি করেছি।

অভিযুক্ত দুইজন শিক্ষকের মুঠোফোনে একধিক বার যোগাযোগের চেষ্ঠা করলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ব্যারিস্টার সজীব আহমেদ বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অপরদিকে শ্রীপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন,বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।