বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩
শিরোনাম:
শ্রীপুরে বিক্রিত জমি পুনর্দখলের চেষ্টার অভিযোগকল্পনালতিফপুর আশরাফুল উলুম আলিম মাদ্রাসায় অনিয়মের অভিযোগমিথ্যা মামলায় হয়রানির অভিযোগে শ্রীপুরে সংবাদ সম্মেলনবগুড়া সিটি কর্পোরেশন গঠনের প্রস্তাব উঠতে পারে নিকার সভায়চট্টগ্রাম থেকে ১৯ এপ্রিল হজ ফ্লাইট শুরুনম্বর প্লেটেই আসল খেলা : ৬ লাখের সিএনজি ২৫ লাখ!গাজীপুরে ভূমি তথ্য সংগ্রহ ও সেবা ক্যাম্প পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসকগাজীপুরে গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ ও অতিরিক্ত দামে বিক্রি, সেনা অভিযানে জরিমানা সাড়ে ৪ লাখমধ্যরাতেও ফিলিং স্টেশনে যানবাহনের দীর্ঘ সারিশ্রীপুরে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিতTestশ্রীপুর পৌর বিএনপির উদ্যোগে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিতশ্রীপুরে নানা আয়োজনে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপনসাব-ক্লাস্টার প্রশিক্ষণ ভাতা লোপাটের অভিযোগ, শ্রীপুরে তোলপাড়

কেরানীগঞ্জে বহুতল ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ১৪ ইউনিট

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ণ
কেরানীগঞ্জে বহুতল ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ১৪ ইউনিট
google news আজকের বাণী এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

ঢাকার কেরানীগঞ্জের বাবুবাজার এলাকায় জমেলা টাওয়ারের ১২ তলা ভবনে আগুন লেগেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ১৪টি ইউনিট। এ ঘটনায় মোট ৪২ জনকে উদ্ধার করে নিরাপদে নামিয়ে এনেছে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা।

শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) ফায়ার সার্ভিস সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, ভোর ৫টা ৩৭ মিনিটে আগুন লাগার খবর পাওয়া যায়। খবর পাওয়ার পর ৫টা ৪৫ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসের প্রথম ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। এরপর একে একে কেরানীগঞ্জ, সদরঘাট ও সিদ্দিক বাজার ফায়ার স্টেশন থেকে মোট ১৪টি ইউনিট আগুন নেভাতে অংশ নেয়। ভবনের নিচতলায় আগুন লাগায় ধোঁয়া দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে ভবনে অবস্থানকারীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের ওসি (মিডিয়া) শাহজাহান সিকদার জানান, সর্বশেষ সাড়ে ৮টা পর্যন্ত আগুন নিভেনি। এ পর্যন্ত মোট ৪২ জনকে উদ্ধার করে বিভিন্ন সিঁড়ি দিয়ে ভবন থেকে নিরাপদে নামিয়ে আনা হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস জানায়, আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছেন। হতাহতের কোনো খবর এখনো পাওয়া যায়নি। ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও উপস্থিত রয়েছেন। আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসার পর তদন্ত করে বিস্তারিত জানানো হব।

শ্রীপুরে বিক্রিত জমি পুনর্দখলের চেষ্টার অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৫৩ অপরাহ্ণ
শ্রীপুরে বিক্রিত জমি পুনর্দখলের চেষ্টার অভিযোগ

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার কেওয়া বাজার এলাকায় বিক্রিত একটি জমি পুনরায় জবর দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারটি চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে বলে জানিয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত জমির মালিক হারিসুল হকের মেয়ে তাসলিমা আক্তার। উল্লেখ্য, জমিটি ৭ নম্বর কেওয়া মৌজায় অবস্থিত। এর এসএ দাগ নম্বর ১৬৬৪ এবং আরএস দাগ নম্বর ৩৩৮৬ ও ৩৩৮৭। ২০০৯ সালে তিনি জমিটি প্রথমে মোক্তার হোসেনের কাছে বিক্রি করেন। পরবর্তীতে মোক্তার হোসেন থেকে মাহমুদা আক্তার রিনা জমির মালিকানা অর্জন করেন।

কিন্তু তৎকালীন পৌর শ্রমিক লীগের সভাপতি জালাল উদ্দীনের প্রলোভনে পড়ে তাসলিমা আক্তার একই জমি পুনরায় বিক্রি করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২২ সালে জালাল পাওয়ার অব অ্যাটর্নির মাধ্যমে প্রায় ১৩ গন্ডা জমি ক্রয় করেন। পরবর্তীতে তিনি ও তার স্ত্রী শিরিনা আক্তারের নামে সমহারে ৩.৫০ শতাংশ জমি সাফ কবলা দলিলের মাধ্যমে রেজিস্ট্রি করেন। এরপর প্রভাব খাটিয়ে জমিটি জবর দখল করেন বলেও দাবি ভুক্তভোগীদের।

পরে ৫ আগস্টের পর জালাল উদ্দীন এলাকা ছেড়ে চলে গেলে মাহমুদা আক্তার রিনা পুনরায় জমির দখল বুঝে পান।

বর্তমানে জালাল শেখের সহযোগী শিরিন আক্তার এবং স্থানীয় জাকির মন্ডলের নেতৃত্বে একদল লোকজন নিয়ে পুনরায় জমি দখলের চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী পরিবারকে মামলা-হামলার ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে বলেও তারা দাবি করেন।

মাহমুদা আক্তার রিনা বলেন, “আমরা এখন ভয়ের মধ্যে বসবাস করছি। যেকোনো সময় হামলার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। প্রশাসনের কাছে আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি।”

রিনার ভাই মাসুদ রানা বলেন, “আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করার চেষ্টা করা হয়েছে। তা না পেরে এখন হামলার চেষ্টা করছে।”
আরেক ভাই আমিনুল ইসলাম জানান, “আমাদের নামে মিথ্যা মামলা হয়েছে বলে ভয় দেখানো হচ্ছে। জমি ছেড়ে না দিলে যেকোনো সময় হামলা হতে পারে বলেও হুমকি দিচ্ছে তারা।”

অপর দিকে জাকির মন্ডল বলেন, “তাসলিমা আক্তার জালাল শেখের কাছে জমি বিক্রি করেছেন। তবে সম্পূর্ণ জমির মালিক তাসলিমা আক্তার না হওয়ায় মাসুদ রানা কিছু অংশ বিক্রিতে সম্মতি দেন। কিন্তু রেজিস্ট্রি সম্পূর্ণ করা হয়নি। আমি জালাল শেখের কাছ থেকে বায়না করেছি। কোনো ধরনের মামলা, হামলা বা হুমকি দেওয়া হয়নি।”

এ বিষয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।

কল্পনা

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৪৩ অপরাহ্ণ
কল্পনা

বাংলাদেশ বাংলাদেশ বাংলাদেশ বাংলাদেশ বাংলাদেশ

হজ ব্যবসায় ব্যস্ত প্রভাষক

লতিফপুর আশরাফুল উলুম আলিম মাদ্রাসায় অনিয়মের অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৫৫ অপরাহ্ণ
লতিফপুর আশরাফুল উলুম আলিম মাদ্রাসায় অনিয়মের অভিযোগ

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার লতিফপুর আশরাফুল উলুম আলিম মাদ্রাসায় দীর্ঘদিন ধরে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। প্রতিষ্ঠানের ইবতেদায়ী শাখার শিক্ষিকা আলেয়া আক্তার প্রায় এক বছর ধরে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থেকেও বেতন-ভাতা গ্রহণ করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অন্যদিকে, আরবি বিভাগের প্রভাষক গোলাম কিবরিয়া হজ্ব ও উমরার ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত থাকায় নিয়মিত পাঠদানে মনোযোগী নন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

জানা যায়, তিনি বছরে দুইবার করে সৌদি আরব যান এবং গত দুই বছরে অন্তত চারবার সেখানে গিয়েছেন।
প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আলেয়া আক্তার ২০২৫ সালের মে মাস থেকে বিভিন্ন অজুহাতে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত রয়েছেন। প্রথমদিকে তিনি একজন প্রক্সি শিক্ষক নিয়োগ দিলেও কয়েক মাস পর সেই শিক্ষকও চলে যান। ফলে ইবতেদায়ী শাখার শিক্ষার্থীরা কার্যত শিক্ষকশূন্য অবস্থায় পড়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষক জানান, প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান দিন দিন নিম্নমুখী হচ্ছে। অনেক শিক্ষক নিয়মিত শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত থাকেন না এবং শ্রেণি কার্যক্রমে অবহেলা করেন। সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে প্রতিষ্ঠানটি ইচ্ছেমতো পরিচালিত হচ্ছে বলেও অভিযোগ তাদের।

মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রফি উদ্দিন আহমেদ বলেন,আলেয়া আক্তার ১১ মাস অনুপস্থিত থাকার পর গত মাস থেকে তার বেতন বন্ধ করা হয়েছে। অপর শিক্ষক গোলাম কিবরিয়া হজ্ব ও উমরার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত, তিনি গত বছর সৌদি আরব গিয়েছিলেন এবং এ বছরও যাওয়ার আবেদন দিয়েছেন। আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগতি করেছি।

অভিযুক্ত দুইজন শিক্ষকের মুঠোফোনে একধিক বার যোগাযোগের চেষ্ঠা করলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ব্যারিস্টার সজীব আহমেদ বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অপরদিকে শ্রীপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন,বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।