খুঁজুন
বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন, ১৪৩২

বাপের বাড়ি যাচ্ছি

অনলাইন ডেস্ক ।।
প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৩, ৩:০৪ অপরাহ্ণ
বাপের বাড়ি যাচ্ছি

আমি খুব সাধারণ মধ্যবিত্ত ঘরের মেয়ে রিয়া। আজ আমার অষ্টম মঙ্গলা। মনটা আমার বেশ খুশি খুশি এটা কখনোই বলতে পারবো না। না, আপনারা যা ভাবছেন ভুল। আপনারা বলবেন বিয়েটা তো আমি নিজেই নিজের ইচ্ছেয় করেছি তাহলে আপত্তিটা কোথায়?

যেটুক খুশি আমায় দেখছেন সেটা আমি বাপের বাড়ি যাচ্ছি বলে শুধু মনটা খুশি। কিন্তু আগামী পরশু আমি আর আমার বর বাবাজীবন যাচ্ছি প্রথমবার একসাথে ঘুরতে থুড়ি মধুচন্দ্রিমা যাপনে। তাই এতো চিন্তা। আসলে অভি আমার ফোনে কথা বলছে না ঠিক মতো সেই বিয়ে দিন থেকে। অথচ ওর কথা বিয়েটা আমি করলাম।

ও হ্যাঁ ভুলেই গেছি, আপনাদের সাথে তো আমার বরের এখনো পরিচয় করাইনি। আমার বর বুবাই দা। আমাদের পরিচয় প্রায় সাত বছর হতে চলল। সেই যখন ক্লাস নাইন আমি যাচ্ছিলাম ঝড়ের বেগে সাইকেল চালিয়ে টিউশন পড়তে। তখন আমি সাইকেল চালানোতে ছেলেদেরও হার মানাই। তো সেই ঝড়ের বেগের সাইকেল এ ধাক্কা লাগলো এক শান্ত সৌম্য নিরীহ ছেলের। সেই ছেলেটিই এই আমার পতিদেব মিস্টার মানব মন্ডল। বিদেশে চাকরি করে কিছু পয়সা-করি করে আজ আমাকে বিয়ে করে জীবনে সবচেয়ে বড় কিছু পাওয়া হয়ে গেছে বলে দাবি করছে।

আজকাল বুবাই হাসতে হাসতে বলে “ধাক্কাটা সেদিন শরীরে লেগেছিল না হৃদয়ে কে জানে”। যাক গে ওর কথা বাদ দিন। তো সেই ঘটনার পর অনেক ওঠানামা আর ভুল বোঝাবুঝি ঠিক বোঝাবুঝির পর আজ আমাদের অষ্টম মঙ্গলা। সে গল্প না হয় আর এক দিন করব। ফিরে আসি আজকের দিনে। আমার অনেক দিনের স্বপ্ন ছিল যে আমি অভি সাথে হানিমুন যাবো পাহাড়ে। আমার এই ‘আপাত শান্ত মনের দুরন্ত’ বর কে নিয়ে একটু ঘুরতে যাবো।

কিন্তু অভি ফোন ধরছে না কেন? ও বলেছিলো দার্জিলিং যে হোটেলটা ও বুকিং করেছে সেটা ওর বিশেষ জানাশোনা। বুবাই এর গল্পটি ওখানে শেষ করে আমি ওর সম্পত্তিতে রাজ করবো। আমি রাজি হয়ে গিয়েছিলাম কিন্তু এখন মনটা মানছে না। একটা মানুষের জীবন শেষ করে দেবো, লোকটা তো আমাকে পাগলের মতো ভালোবাসে।

যাক বাঁচা গেলো আজ আমার জন্মদিন। সারপ্রাইজ হিসেবে একটা দলিল উপহার দিয়েছেন বুবাই আমাকে। লাটাগুড়িতে একটা কটেজ কিনেছেন উনি আমার জন্য হানিমুনে যাবো আমরা ওখানেই। সারাদিন বেশ ভালো কাটলো কিন্তু মন খারাপ হলো বিকাল বেলায়।

আমার আর উনার মামাতো বোন অয়ন্তিকার জন্মদিন এক দিনে বিকালে একটা সারপ্রাইজ পার্টি আয়োজন করা হয়েছিল। আর সেখানেই আমার জন্য ছিলো আরো একটা সারপ্রাইজ। অভি আর অয়ন্তিকার এঙ্গেজমেন্ট। অথচ আমাদের বিয়েতেই ওদের আলাপ। শিল্পপতির মেয়ে বলে বোধহয় অতো তাড়াতাড়ি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে অভি।

বাড়ি ফিরে মনটা কিছুতেই ভালো করতে পারলাম না। শুয়ে পরলাম। উনি বললেন “তোমার মোবাইলটা দেবে একটু একটা গেমস খেলবো। দিয়ে দিলাম।” কি ধরণের মানুষ এই লোকটি কে জানে! কি ধাতুর তৈরি কে জানে? আজ উনি অভি আর আমার ঝগড়াটা দেখেছেন। অভি স্পষ্ট বলেছে, আমি বুবাইকে ঠকিয়েছি তাই ও আমাকে ঠকিয়ে কোনো ভুল করেনি।

সকাল বেলায় উঠে আরো একটা সারপ্রাইজ। অভি আয়ন্তিকাও আসলো আমাদের সাথে। দিনটা ভালো কাটলো। মানে আমি চেষ্টা করলাম সব কিছু ভুলে নতুন করে শুরু করতে। অভি বোধহয় আমাকে কোনদিন ভালোবাসে নি। ও বেশ নির্লিপ্ত। অয়ন্তিকাকে খুশি করতে ব্যাস্ত। আয়ন্তিকা হঠাৎ ঠিক করলো বাইক রেসিং করবে। আমি আপত্তি করলাম ঠিকই কিন্তু বুবাই এর ওপর জোর খাটানোর অধিকার বোধহয় আমার হয়নি এখনো। তাই বেশি জোর ফলাতে চাইলাম না। তবে মনে মনে চাইলাম একটা দিনের জন্যে হিরো হোক সবার চোখে।

কিন্তু রেসিং কোন ফল এলোনা। কারণ অভি এক্সিডেন্ট করলো। সন্ধ্যায় অয়ন্তিকা এলো সাথে এলো চাকর ভাবলারাম। জানতে পারলাম ভ্যাবলারাম আসলে অয়ন্তিকার বন্ধু রাজীব সিনহা পুলিশের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। অভির মোবাইল থেকে, আমার ছাড়াও আরো ছয় সাতটি মেয়ের আপত্তিকর ভিডিও , ছবি ডিলিট করা হয়েছে। যাদেরকে ও নিয়মিত ব্লাকমেইল করতো। অভি হয়তো বাঁচবে না। বেঁচে গেলেও আইনের হাত থেকে ওর রক্ষা নেই, কারণ ওর ব্লেকমেইলের ভয়ে আত্মাহত্যা করছে অয়ন্তিকার বান্ধবি সোনালী। ওর চলে যেতেই বুবাই একটা গোলাপ ফুল নিয়ে আমাকে উপহার দিলো। আর বললো গোলাপটা তুলতে গিয়ে সে নাকি অনেক গুলো কাটার আঘাত পেয়েছেন। সেটা দেখালো। আমি জিজ্ঞেস করলাম “আপনি আমাকে ঠিক কতটা ভালোবাসেন”

ও বললো ” তোমার জন্য আমি জীবন দিতে পারি ,আবার নিতেও পারি।”

আমার চোখে জল এসে গেলো।

শ্রীপুরে মোটর ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ৪:৫৪ অপরাহ্ণ
শ্রীপুরে মোটর ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন

“সঠিক প্রশিক্ষণ, নিরাপদ ভ্রমণ” স্লোগানকে সামনে রেখে গাজীপুরের শ্রীপুরে মোটর ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। দক্ষতা উন্নয়নমূলক কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এনএসডিএ) অনুমোদিত অ্যাসেট প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছে প্রশিকা ইনস্টিটিউট অব স্কিলস ফর এমপ্লয়মেন্ট।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন মো. আহাদ উল্লাহ।
অনুষ্ঠানে উদ্বোধন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর হক এবং সভাপতিত্ব করেন প্রশিকা মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্রের পরিচালক মো. আজিজির রহমান। তিনি বলেন, দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে কারিগরি প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং তারা স্বাবলম্বী হতে পারবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রশিকা মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্রের প্রধান নির্বাহী শওকত চক্রবর্তী, সাবেক উপ-প্রধান নির্বাহী কামরুল হাসান কামাল, জহিরুল ইসলাম কাজল, মমতাজ উদ্দিন ও আবুল বাশারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
এই মোটর ড্রাইভিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স গ্রহণের জন্য প্রস্তুতি নিতে পারবে। এতে স্থানীয় বেকার যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।

৫ বছরে ২০ হাজার কিমি খাল খননের লক্ষ্য: শ্রীপুরে পানিসম্পদ মন্ত্রী এ্যানি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ৩:৫৫ অপরাহ্ণ
৫ বছরে ২০ হাজার কিমি খাল খননের লক্ষ্য: শ্রীপুরে পানিসম্পদ মন্ত্রী এ্যানি

খাল খনন কর্মসূচিকে একটি বিপ্লবী আন্দোলন হিসেবে অভিহিত করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এনি এমপি। তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কৃষকদের স্বার্থে খাল খনন কার্যক্রম শুরু করেছিলেন। খাল খননের মাধ্যমে খালে পানি প্রবাহ নিশ্চিত হওয়ায় কৃষকরা সহজে সেচ দিতে পারতেন, মাছ উৎপাদন হতো এবং খালের পাড়ে বৃক্ষরোপণ সম্ভব হতো।
সোমবার দুপুরে গাজীপুরের শ্রীপুর পৌর এলাকার বৈরাগীরচালা চৌক্কার খাল পরিদর্শনকালে মন্ত্রী জানান, দীর্ঘদিন অবহেলার কারণে দেশের বিভিন্ন স্থানে খাল ভরাট, দখল এবং দূষণের ফলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তি খালে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ করছেন, আবার কেউ কেউ খাল দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করেছেন। ফলে খালগুলো আজ অস্তিত্ব সংকটে।
মন্ত্রী বলেন, নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিমি খাল খননের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। সরকার গঠনের কয়েক দিনের মধ্যেই এর দৃশ্যমান অগ্রগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে মেয়াদের মধ্যেই লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে। শ্রীপুর ও গাজীপুরের আরও বেশ কয়েকটি খাল খনন করা হবে, যদিও নানা বাধা-বিপত্তি আসতে পারে। তবে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে সেগুলো মোকাবিলা করা হবে।
তিনি আরও জানান, দায়িত্ব গ্রহণের পরই কৃষকদের কল্যাণে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে, যার পরিমাণ সারা দেশে প্রায় ১,৫০০ কোটি টাকা। এর মূল উদ্দেশ্য কৃষকদের উৎসাহ দেওয়া। বাংলাদেশ একটি কৃষিপ্রধান দেশ, কৃষিই দেশের অর্থনীতির চাবিকাঠি। সরকার কৃষকদের সহায়তা করতে চায়, যাতে তারা ফসল উৎপাদন বাড়াতে পারেন। সবাইকে চাকরি দেওয়া সম্ভব নয়, তবে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। প্রথম ১৮০ দিনের মধ্যে এর দৃশ্যমান অগ্রগতি ইতিমধ্যেই লক্ষ্য করা গেছে।
মন্ত্রী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কৃষকদের স্বার্থে জনকল্যাণমূলক নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন এবং দেশকে স্বনির্ভরতার পথে এগিয়ে নিয়েছিলেন। বর্তমান সরকারও ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে সামাজিক ও মানবিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে চায়। এছাড়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-এর অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্য রয়েছে।

এ সময় পা‌নি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হো‌সেন, গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডাঃ এসএম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, গাজীপু‌রের জেলা প্রশাসক আলম হো‌সেন ও জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব ড. ব্যারিস্টার ইশরাক আহমেদ সিদ্দিকীসহ প‌ানি উন্নয়ন বো‌র্ডের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছি‌লেন।

শ্রীপুরে বিনাসরিষা-১১ ও বারি সরিষা-১৪ এর সম্প্রসারণে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:৪৮ অপরাহ্ণ
শ্রীপুরে বিনাসরিষা-১১ ও বারি সরিষা-১৪ এর সম্প্রসারণে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

গাজীপুরের শ্রীপুরে উচ্চফলনশীল সরিষার জাত বিনাসরিষা-১১ ও বারি সরিষা-১৪ এর চাষাবাদ সম্প্রসারণ ও জনপ্রিয় করার লক্ষ্যে এক বিশাল মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রায়োগিক মাঠ পরীক্ষণের মাধ্যমে কৃষকদের এসব উন্নত জাতের কার্যকারিতা সরাসরি প্রদর্শনের জন্য এই আয়োজন করা হয়।
​অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. মোহাম্মদ আসাদ উল্লাহ, পিএসও এবং ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, বিনা আঞ্চলিক গবেষণা কেন্দ্র, গাজীপুর। তিনি কৃষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, দেশের ভোজ্যতেলের চাহিদা মেটাতে ও আমদানিনির্ভরতা কমাতে বিনাসরিষা-১১-এর মতো উচ্চফলনশীল জাতগুলো বৈপ্লবিক ভূমিকা রাখতে পারে।
​বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শ্রীপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সুমাইয়া সুলতানা বন্যা খাতুন এবং উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ আফরোজা সরিষার আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি ও সরকারি প্রণোদনা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন।

বিনাসরিষা-১১ ও বারি সরিষা-১৪-এর স্বল্প জীবনকাল এবং অধিক ফলন সম্পর্কে কৃষকদের ধারণা প্রদান।

পরীক্ষামূলক জমিতে সরিষার বাম্পার ফলন দেখে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ সৃষ্টি হয়েছে।
শ্রীপুর উপজেলায় সরিষার আবাদি জমি বাড়িয়ে ভোজ্যতেলে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষে কাজ করার অঙ্গীকার।

​অনুষ্ঠানে এলাকার বিপুল সংখ্যক কৃষক ও কৃষাণী অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন যে, এই উন্নত জাতগুলো চাষের মাধ্যমে কৃষকরা অল্প সময়ে অধিক লাভবান হতে পারবেন।