খুঁজুন
রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১ চৈত্র, ১৪৩২

নুহাশপল্লীতে শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় হুমায়ূন আহমেদের ৭৭তম জন্মদিন উদযাপন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২৫, ৬:৪৮ অপরাহ্ণ
নুহাশপল্লীতে শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় হুমায়ূন আহমেদের ৭৭তম জন্মদিন উদযাপন

বাংলা সাহিত্যের অমর কথাশিল্পী, নাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদের ৭৭তম জন্মদিন আজ (১৩ নভেম্বর)। মৃত্যুর পরও তাঁর সৃষ্টির আবেশে আজও বেঁচে আছেন তিনি। প্রিয় লেখককে স্মরণ করতে গাজীপুরের পিরুজালী গ্রামে অবস্থিত নুহাশপল্লীতে ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীদের ঢল নেমেছে সকাল থেকেই।

সকালে লেখকের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন, দুই পুত্র নিনিত ও নিষাদসহ পরিবারের সদস্যরা হুমায়ূন আহমেদের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন ও কবর জিয়ারত করেন। এ সময় তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। পুরো নুহাশপল্লী তখন মুখরিত হয়ে ওঠে ভক্তদের পদচারণায়, স্মৃতিচারণে আর ভালোবাসার আবেশে।

দিনভর নুহাশপল্লীতে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। কেউ হাতে ফুল নিয়ে সমাধিতে দাঁড়িয়ে চোখের জল ফেলেছেন, কেউ আবার প্রিয় চরিত্র হিমু’র মতো হলুদ পাঞ্জাবি পরে এসেছেন প্রিয় লেখককে শ্রদ্ধা জানাতে। বিকেলে হুমায়ূন আহমেদের প্রিয় গান ও সংলাপ পাঠের আয়োজন করা হয়। সন্ধ্যা ঘনাতেই পুরো নুহাশপল্লী আলোয় ঝলমল করে ওঠে—১,০৭৭টি মোমবাতি প্রজ্বলনের মধ্য দিয়ে স্মরণ করা হয় প্রিয় লেখককে। পরে কাটা হয় জন্মদিনের কেক এবং সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

এ সময় মেহের আফরোজ শাওন বলেন,
“হুমায়ূনের অসমাপ্ত স্বপ্ন—একটি ক্যান্সার হাসপাতাল ও জাদুঘর প্রতিষ্ঠা—এখনো পূরণ করতে পারিনি। এই ব্যর্থতার দায় আমি নিজের কাঁধে নিচ্ছি। তবে তাঁর প্রতি মানুষের ভালোবাসাই আমাদের অনুপ্রেরণা।”

গাজীপুরের শালবনঘেরা নুহাশপল্লী প্রায় ৪০ বিঘা জায়গাজুড়ে গড়ে তোলা হুমায়ূনের স্বপ্নের রাজ্য। এখানে রয়েছে ফলের বাগান, দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর পরিবেশ। এখানেই তিনি লিখেছেন তাঁর বহু জনপ্রিয় উপন্যাস ও নাটকের চিত্রনাট্য। মৃত্যুর পরও এই পল্লী হয়ে উঠেছে ভক্তদের এক পবিত্র তীর্থস্থান।

১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে মাতামহের বাড়িতে জন্ম নেন হুমায়ূন আহমেদ। পৈত্রিক নিবাস একই জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রামে। ২০১২ সালের ১৯ জুলাই ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের একটি হাসপাতালে তিনি ইন্তেকাল করেন।

বাংলা সাহিত্যে তাঁর অবদান অপরিসীম। হিমু, মিসির আলি, বাকের ভাই—এসব কালজয়ী চরিত্রের মাধ্যমে তিনি বাঙালির মনের গভীরে জায়গা করে নিয়েছেন। তাঁর সৃষ্টি আজও নতুন প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণার উৎস।

নুহাশপল্লীর লিচুতলার নিচে দাঁড়িয়ে এক তরুণ ভক্ত বলেন,
“স্যার নেই, তবুও তাঁর গল্প, সংলাপ আর চরিত্রগুলো আমাদের সঙ্গে প্রতিদিন কথা বলে। মনে হয়, তিনি এখানেই আছেন—এই গাছের নিচে, এই বাতাসে।”

ভক্তদের এমন ভালোবাসা আর শ্রদ্ধায় একবারেই স্পষ্ট—
হুমায়ূন আহমেদ শুধু একজন লেখক নন, তিনি বাঙালির অনুভূতির নাম।

৬২ হাজার টাকায় কেনা বিড়াল অসুস্থ, টাকা ফেরত দিতে আইনি নোটিশ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ৯:২৭ অপরাহ্ণ
৬২ হাজার টাকায় কেনা বিড়াল অসুস্থ, টাকা ফেরত দিতে  আইনি নোটিশ

গাজীপুরের শ্রীপুরের মাওনা চৌরাস্তা এলাকার গৃহবধূ সানিলা জাহান জুঁইয়ের শখ বিড়াল পালন। আগে থেকেই তাঁর বাসায় একটি মাদী বিড়াল ছিল। সেটির সঙ্গে জুটি করতে তিনি একটি পুরুষ বিড়াল খুঁজছিলেন। এ সময় অনলাইনে বিড়াল বিক্রির একটি বিজ্ঞাপন তাঁর নজরে আসে।

বিজ্ঞাপন দেখে তিনি ঢাকার মালিবাগের সিদ্ধেশ্বরী বয়েজ স্কুলের পাশে অবস্থিত সোহাগ ডিপার্টমেন্টাল স্টোরের দ্বীন ইসলাম মাজেদ ও রাফসান নামের দুই ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তারা একটি বিড়াল দেখিয়ে এর দাম ৬২ হাজার টাকা দাবি করেন। পরে ওই দামে বিড়ালটি কিনতে জুঁই প্রথমে ২ হাজার টাকা অগ্রিম পরিশোধ করেন।

পরে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে বিড়ালটি পাঠানো হয়। কুরিয়ার থেকে বিড়ালটি গ্রহণ করার সময় বাকি ৬০ হাজার টাকা পরিশোধ করেন তিনি। কিন্তু বাসায় আনার পর দেখা যায় বিড়ালটি অসুস্থ।

ভুক্তভোগী সানিলা জাহান জুঁই বলেন, বিড়ালটি কেনার সময় শর্ত ছিল এটি সুস্থ হতে হবে এবং তাঁর বাসায় থাকা মাদী বিড়ালের সঙ্গে মিল (ম্যাচিং) থাকতে হবে। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি বিড়ালটি বাসায় আনার পর দেখা যায় এটি অসুস্থ এবং বাসায় থাকা বিড়ালের সঙ্গে মিলও হচ্ছে না। বিষয়টি জানিয়ে বিক্রেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা বিড়াল ফেরত নিতে ও টাকা ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানান।

তিনি অভিযোগ করেন, বিক্রেতারা তাঁর সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। এ ঘটনায় তিনি আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন।

ভুক্তভোগীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান জানান, বিড়াল বিক্রেতাদের কাছে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নোটিশ পাওয়ার ১০ দিনের মধ্যে তারা যদি বিড়ালটি ফেরত নিয়ে জুঁইয়ের টাকা ফেরত না দেন, তবে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে বিড়াল বিক্রেতাদের সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাদের পাওয়া যায়নি।

শ্রীপুরে আরসিসি ঢালাই রাস্তার উদ্বোধন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬, ২:১৪ অপরাহ্ণ
শ্রীপুরে আরসিসি ঢালাই রাস্তার উদ্বোধন

গাজীপুরের শ্রীপুরে চৌরাস্তা সংলগ্ন আনসার রোড কলিম উদ্দিন চেয়ারম্যান বাড়ি মোড়মুখী ১২০ মিটার আরসিসি (RCC) ঢালাই রাস্তার শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় আনুষ্ঠানিকভাবে এ রাস্তার উদ্বোধন করেন গাজীপুর-৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. এস. এম. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল মোতালিব, শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ব্যারিস্টার সজীব আহমেদ, শ্রীপুর পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী সাহেদ, সহকারী প্রকৌশলী হারুন অর রশিদ, প্রকৌশলী উপসহকারী তানভির আহমেদ এবং ঢাকা বিভাগ সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি হাসান ইকবাল কাজল মৃধা, শ্রীপুর উপজেলা বিআরডিভি চেয়ারম্যান মাহফুল হাসান হান্নান।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন শ্রীপুর পৌর বিএনপির আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির সরকার, সদস্য সচিব বিল্লাল হোসেন বেপারী, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শরিফ সিদ্দিকীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

বক্তারা বলেন, নতুন করে নির্মিত আরসিসি ঢালাই রাস্তার ফলে এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের যাতায়াতের দুর্ভোগ কমবে এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত হবে। পরে দোয়া ও মোনাজাতের মধ্য দিয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান এ এম আর এন্টারপ্রাইজ।

শ্রীপুরে মোটর ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ৪:৫৪ অপরাহ্ণ
শ্রীপুরে মোটর ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন

“সঠিক প্রশিক্ষণ, নিরাপদ ভ্রমণ” স্লোগানকে সামনে রেখে গাজীপুরের শ্রীপুরে মোটর ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। দক্ষতা উন্নয়নমূলক কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এনএসডিএ) অনুমোদিত অ্যাসেট প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছে প্রশিকা ইনস্টিটিউট অব স্কিলস ফর এমপ্লয়মেন্ট।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন মো. আহাদ উল্লাহ।
অনুষ্ঠানে উদ্বোধন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর হক এবং সভাপতিত্ব করেন প্রশিকা মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্রের পরিচালক মো. আজিজির রহমান। তিনি বলেন, দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে কারিগরি প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং তারা স্বাবলম্বী হতে পারবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রশিকা মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্রের প্রধান নির্বাহী শওকত চক্রবর্তী, সাবেক উপ-প্রধান নির্বাহী কামরুল হাসান কামাল, জহিরুল ইসলাম কাজল, মমতাজ উদ্দিন ও আবুল বাশারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
এই মোটর ড্রাইভিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স গ্রহণের জন্য প্রস্তুতি নিতে পারবে। এতে স্থানীয় বেকার যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।