খুঁজুন
রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১ চৈত্র, ১৪৩২

এভারকেয়ারে আধাঘণ্টার অবস্থান

প্রধান উপদেষ্টার খালেদা জিয়ার শারীরিক খোঁজখবর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৯:২২ অপরাহ্ণ
প্রধান উপদেষ্টার খালেদা জিয়ার শারীরিক খোঁজখবর

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে বুধবার (৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৭টা ৭ মিনিটে হাসপাতালে গেলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

হাসপাতালে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এ জে এম জাহিদ হোসেন, অধ্যাপক ডা. শাহাবুদ্দিন তালুকদার, খালেদা জিয়ার পরিবারের সদস্য সৈয়দা শর্মিলা রহমান ও শামীম এসকান্দার।

প্রধান উপদেষ্টা প্রায় আধা ঘণ্টা হাসপাতালে অবস্থান করেন। এসময় তিনি খালেদা জিয়ার চিকিৎসা সম্পর্কে বিস্তারিত ব্রিফিং নেন এবং দলীয় নেতাকর্মী ও পরিবারের সদস্যদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান। চিকিৎসকরা জানান, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীনসহ বিভিন্ন দেশের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা চলছে।

সরকারের পক্ষ থেকে সবধরনের সহযোগিতার আশ্বাস পুনর্ব্যক্ত করেন প্রধান উপদেষ্টা এবং দেশবাসীর কাছে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া চেয়েছেন। তার সঙ্গে ছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান।

বিএনপি মিডিয়া উইং কর্মকর্তা শায়রুল কবির খান জানান, ঠিক সন্ধ্যা ৭টা ৭ মিনিটে প্রধান উপদেষ্টাকে হাসপাতালে স্বাগত জানান মহাসচিব মির্জা ফখরুল এবং সরাসরি খালেদা জিয়ার কক্ষে নিয়ে যান।

এর আগের দিন মঙ্গলবার খালেদা জিয়াকে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছিলেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান, এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান।

গত ২৩ নভেম্বর থেকে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন খালেদা জিয়া। পরীক্ষা-নিরীক্ষায় তার ফুসফুসে ইনফেকশন ধরা পড়ে এবং পরে অবস্থাকে সংকটময় বলা হয়। গত ২৭ নভেম্বর থেকে তাকে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে (CCU) রেখে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

এদিকে, এভারকেয়ার হাসপাতালের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। মূল ফটকের দুই পাশে ব্যারিকেড বসানো হয়েছে এবং এসএসএফসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিরাপত্তায় নিয়োজিত রয়েছে। শুধুমাত্র অনুমোদিত ব্যক্তি ছাড়া অন্য কাউকে ভিড় করতে দেওয়া হচ্ছে না।

৬২ হাজার টাকায় কেনা বিড়াল অসুস্থ, টাকা ফেরত দিতে আইনি নোটিশ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ৯:২৭ অপরাহ্ণ
৬২ হাজার টাকায় কেনা বিড়াল অসুস্থ, টাকা ফেরত দিতে  আইনি নোটিশ

গাজীপুরের শ্রীপুরের মাওনা চৌরাস্তা এলাকার গৃহবধূ সানিলা জাহান জুঁইয়ের শখ বিড়াল পালন। আগে থেকেই তাঁর বাসায় একটি মাদী বিড়াল ছিল। সেটির সঙ্গে জুটি করতে তিনি একটি পুরুষ বিড়াল খুঁজছিলেন। এ সময় অনলাইনে বিড়াল বিক্রির একটি বিজ্ঞাপন তাঁর নজরে আসে।

বিজ্ঞাপন দেখে তিনি ঢাকার মালিবাগের সিদ্ধেশ্বরী বয়েজ স্কুলের পাশে অবস্থিত সোহাগ ডিপার্টমেন্টাল স্টোরের দ্বীন ইসলাম মাজেদ ও রাফসান নামের দুই ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তারা একটি বিড়াল দেখিয়ে এর দাম ৬২ হাজার টাকা দাবি করেন। পরে ওই দামে বিড়ালটি কিনতে জুঁই প্রথমে ২ হাজার টাকা অগ্রিম পরিশোধ করেন।

পরে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে বিড়ালটি পাঠানো হয়। কুরিয়ার থেকে বিড়ালটি গ্রহণ করার সময় বাকি ৬০ হাজার টাকা পরিশোধ করেন তিনি। কিন্তু বাসায় আনার পর দেখা যায় বিড়ালটি অসুস্থ।

ভুক্তভোগী সানিলা জাহান জুঁই বলেন, বিড়ালটি কেনার সময় শর্ত ছিল এটি সুস্থ হতে হবে এবং তাঁর বাসায় থাকা মাদী বিড়ালের সঙ্গে মিল (ম্যাচিং) থাকতে হবে। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি বিড়ালটি বাসায় আনার পর দেখা যায় এটি অসুস্থ এবং বাসায় থাকা বিড়ালের সঙ্গে মিলও হচ্ছে না। বিষয়টি জানিয়ে বিক্রেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা বিড়াল ফেরত নিতে ও টাকা ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানান।

তিনি অভিযোগ করেন, বিক্রেতারা তাঁর সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। এ ঘটনায় তিনি আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন।

ভুক্তভোগীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান জানান, বিড়াল বিক্রেতাদের কাছে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নোটিশ পাওয়ার ১০ দিনের মধ্যে তারা যদি বিড়ালটি ফেরত নিয়ে জুঁইয়ের টাকা ফেরত না দেন, তবে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে বিড়াল বিক্রেতাদের সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাদের পাওয়া যায়নি।

শ্রীপুরে আরসিসি ঢালাই রাস্তার উদ্বোধন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬, ২:১৪ অপরাহ্ণ
শ্রীপুরে আরসিসি ঢালাই রাস্তার উদ্বোধন

গাজীপুরের শ্রীপুরে চৌরাস্তা সংলগ্ন আনসার রোড কলিম উদ্দিন চেয়ারম্যান বাড়ি মোড়মুখী ১২০ মিটার আরসিসি (RCC) ঢালাই রাস্তার শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় আনুষ্ঠানিকভাবে এ রাস্তার উদ্বোধন করেন গাজীপুর-৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. এস. এম. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল মোতালিব, শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ব্যারিস্টার সজীব আহমেদ, শ্রীপুর পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী সাহেদ, সহকারী প্রকৌশলী হারুন অর রশিদ, প্রকৌশলী উপসহকারী তানভির আহমেদ এবং ঢাকা বিভাগ সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি হাসান ইকবাল কাজল মৃধা, শ্রীপুর উপজেলা বিআরডিভি চেয়ারম্যান মাহফুল হাসান হান্নান।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন শ্রীপুর পৌর বিএনপির আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির সরকার, সদস্য সচিব বিল্লাল হোসেন বেপারী, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শরিফ সিদ্দিকীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

বক্তারা বলেন, নতুন করে নির্মিত আরসিসি ঢালাই রাস্তার ফলে এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের যাতায়াতের দুর্ভোগ কমবে এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত হবে। পরে দোয়া ও মোনাজাতের মধ্য দিয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান এ এম আর এন্টারপ্রাইজ।

শ্রীপুরে মোটর ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ৪:৫৪ অপরাহ্ণ
শ্রীপুরে মোটর ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন

“সঠিক প্রশিক্ষণ, নিরাপদ ভ্রমণ” স্লোগানকে সামনে রেখে গাজীপুরের শ্রীপুরে মোটর ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। দক্ষতা উন্নয়নমূলক কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এনএসডিএ) অনুমোদিত অ্যাসেট প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছে প্রশিকা ইনস্টিটিউট অব স্কিলস ফর এমপ্লয়মেন্ট।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন মো. আহাদ উল্লাহ।
অনুষ্ঠানে উদ্বোধন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর হক এবং সভাপতিত্ব করেন প্রশিকা মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্রের পরিচালক মো. আজিজির রহমান। তিনি বলেন, দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে কারিগরি প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং তারা স্বাবলম্বী হতে পারবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রশিকা মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্রের প্রধান নির্বাহী শওকত চক্রবর্তী, সাবেক উপ-প্রধান নির্বাহী কামরুল হাসান কামাল, জহিরুল ইসলাম কাজল, মমতাজ উদ্দিন ও আবুল বাশারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
এই মোটর ড্রাইভিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স গ্রহণের জন্য প্রস্তুতি নিতে পারবে। এতে স্থানীয় বেকার যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।