খুঁজুন
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ২ মাঘ, ১৪৩২

দুর্নীতিবাজদের আগে অ্যাভয়েড করা হতো, এখন লাফ দিয়ে যাই সম্মান করতে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৪:০৯ অপরাহ্ণ
দুর্নীতিবাজদের আগে অ্যাভয়েড করা হতো, এখন লাফ দিয়ে যাই সম্মান করতে

দুর্নীতি প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

তিনি বলেন, দুর্নীতি বন্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। আগে দুর্নীতিগ্রস্ত লোককে সামাজিকভাবে অ্যাভয়েড করা হতো, মানুষ ঘৃণা করতো। তারা ছেলে-মেয়েদের বিয়ে দিতে পারতো না। আর এখন লাফ দিয়ে আমরা যাই বিয়ে দিতে, সম্মান জানাতে।

মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) সকালে শিল্পকলা একাডেমিতে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস উপলক্ষে দুর্নীতি দমন কমিশন আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থ উপদেষ্টা বলেন, সমাজে দুর্নীতিকে ঘৃণা করতে হবে। বর্তমানে দুর্নীতিবাজ পুরষ্কৃত হচ্ছে। সমাজের সব ব্যক্তির পক্ষ থেকে দুর্নীতির তথ্য আসতে হবে। এনফোর্সমেন্ট একটি কঠিন বিষয়। বর্তমানে দুদক আগের চেয়ে বেশি দৃশ্যমান।

ড. সালেহউদ্দিন বলেন, রাজনীতিবিদদের সদিচ্ছা থাকলে সমাজে পচন ধরবে না, কমে আসবে দু্র্নীতি। আর্থিক ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বড় বিষয়। হাজার হাজার কোটি টাকা দুর্নীতি হয়েছে, শাস্তি কী দেবেন? সারাজীবন কারাগারে থাকলেও সাজা হয় না। কারণ দেশের অনেক ক্ষতি হয়ে গেছে। শুধু শাস্তি দিয়েই নয়, সামাজিকভাবে দুর্নীতিবাজদের প্রতিরোধ করলে দুর্নীতি কমে আসবে।

সভাপতির বক্তব্যে দুদক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন বলেন, গত ১৫ বছরে যেসব দেশে আমাদের বিপুল পরিমাণ অর্থ চলে গেছে, সেখানে আজ আমাদের কার্যকর যোগাযোগ নেই; এমনকি যোগাযোগের পথও খুঁজে পাচ্ছি না। বিদেশে আমাদের কষ্টার্জিত অর্থ ‘ডার্টি মানি’ হিসেবে পড়ে আছে, আর সেসব দেশে এই অর্থ উদ্ধার বা ব্যবস্থাপনার মতো লোকবলও আমাদের নেই।

মোমেন আরও বলেন, আগে মধ্যপ্রাচ্য ও আমেরিকা থেকে বাংলাদেশে টাকা আসতো। এখন বাস্তবতা উল্টো—বাংলাদেশ থেকে অর্থ আমেরিকাসহ বিভিন্ন দেশে যায় এবং পরে কোনো না কোনোভাবে আবার দেশে ফিরে আসে। এসব লেনদেনে বিভিন্ন ধরনের ‘ইনসেনটিভও’ থাকে। এত বড় কাঠামো একদিনে, এক মাসে বা এক বছরে বদলানো সম্ভব নয়।

ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন বলেন, গত ১৫ বছর ধরে যারা অপরাধ করেছেন, আমাদের দেশের রাজনৈতিক এলিটরা কোটি টাকার বিনিময়ে তাদের সীমান্ত পার করে দিয়েছেন। এসব লোককে আপনারা নির্বাচিত করবেন কি না তা চিন্তা করতে হবে। এখন সময় এসেছে—এমন লোকদের আমরা নির্বাচিত করবো কি না এটা ভাবার।

তিনি বলেন, ভোট হলে শতভাগ লোক দুর্নীতির বিরুদ্ধে ভোট দেবে, তারপরও দুর্নীতি দূর করা কঠিন। আগামী নির্বাচন পরবর্তী শাসন করার জন্য দুঃশাসক, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী রাখলে উন্নত দেশ পাওয়া কঠিন। ক্ষমতাচ্যুতরা পালিয়ে যাওয়ার সময় তাদের কে যারা সহযোগিতা করেছে টাকার বিনিময়ে, তাদের ভোট না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন দুদক চেয়ারম্যান।

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, গত ১৫ বছরে যেসব দেশে টাকা পাচার হয়েছে, সেসব দেশের সঙ্গে দুদকের যোগাযোগ নেই। এসব টাকা ফিরিয়ে আনার জন্য সেসব দেশে ফাস্ট সেক্রেটারি পদমর্যাদার কর্মকর্তা পাঠাতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

চেয়ারম্যান আরও বলেন, গত বছরের ৫ আগস্টের পর থেকে অনেকেই দেশ ছেড়েছেন—পালিয়ে গেছেন। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি থেকে শুরু করে বায়তুল মোকাররমের খতিব—এটিই দেখায় দুর্নীতি কত গভীরে পৌঁছেছে। যদি শুরুতেই দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া যেতো, তাহলে আমাদের ১৫–১৬ বছরের ভোগান্তি হতো না।

তিনি বলেন, ২০০৮ সালের নির্বাচনের সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী সম্পদ বিবরণী জমা দিয়েছিলেন। সেখানে কৃষিজমির পরিমাণ দেখানো হয়েছিল ৫ দশমিক ২১ একর। ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন যাচাই করেও তাতে সমস্যা পাওয়া যায়নি। কিন্তু তদন্তে দেখা যায়, জমি রয়েছে ২৯ একর। গাড়ির বিবরণীতেও অসংগতি পাওয়া যায়—অতিরিক্ত দুটি গাড়ি যুক্ত ছিল, যার একটি তৎকালীন এক এমপি এবং অন্যটি সাবেক যুব প্রতিমন্ত্রীর নামে, যা কিনা ‘পাঁচ নম্বর সুধা সদন’ এর নামে কেনা হয়েছিল এবং সরকারের ভর্তুকিও দেওয়া হয়নি।

মোহাম্মদ আবদুল মোমেন বলেন, যদি তখনই এসব অসংগতি ধরা হতো, সেক্ষেত্রে তার নমিনেশন বাতিল হতো। নমিনেশন বাতিল হলে তিনি এমপি বা প্রধানমন্ত্রী—কিছুই হতে পারতেন না। এমনকি তার দল ক্ষমতায় আসতো কি না সেটাও প্রশ্ন ছিল।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের মহাপরিচালক ড. এ কে এনামুল হক বলেন, বাংলাদেশে ১৪ থেকে ১৫ ধরনের দুর্নীতি রয়েছে। আমরা শুধু ঘুস নিয়ে কাজ করছি, দুর্নীতির অনেকগুলো ধরনের মধ্যে ঘুস মাত্র একটি ধরণ।

দুদক কমিশনার (অনুসন্ধান) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহসান ফরিদ বলেন, দুর্নীতি বন্ধ করতে হলে সরকারি সব প্রকল্পের ডিটেইলস অনলাইনে পাবলিশ করতে হবে। এমনকি কোনো তথ্য আপডেট হলেও তা জনগণকে জানাতে হবে। টাকা একবার চুরি হয়ে গেলে তা উদ্ধার করা কঠিন। বাংলাদেশে দুর্নীতি পদ্ধতি ভিন্ন, এখানে বিদেশি পদ্ধতি কাজ করবে না। আমাদের নিজস্ব মডেল তৈরি করতে হবে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- দুদক কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী, দুদক সচিব মোহাম্মদ খালেদ রহীম, দুদক মহাপরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলী, আব্দুল্লাহ আল জাহিদ, আক্তার হোসেন, আবু হেনা মুস্তফা জামান, মোকাম্মেল হকসহ দুদকের পরিচালক, উপপরিচালক, সহকারী পরিচালক, উপসহকারী পরিচালকসহ পাঁচ শতাতিক কর্মকর্তা-কর্মচারী।

সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন

সুপ্রিম কোর্ট নিয়ে অসত্য সংবাদ প্রকাশ করলে আদালত অবমাননার দায় নিতে হবে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৪:৫৫ অপরাহ্ণ
সুপ্রিম কোর্ট নিয়ে অসত্য সংবাদ প্রকাশ করলে আদালত অবমাননার দায় নিতে হবে

ভবিষ্যতে সুপ্রিম কোর্ট সংক্রান্ত কোনো মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর বা অসত্য সংবাদ প্রকাশ বা প্রচার করা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে আদালত অবমাননাকর কার্যক্রমের জন্য আইনানুগভাবে দায়ভার গ্রহণ করতে হবে বলে সতর্ক করেছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সতর্ক বার্তা দিয়েছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গণমাধ্যমকর্মীদের বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট সংক্রান্ত কোনো সংবাদ প্রকাশ বা প্রচারের আগে সুপ্রিম কোর্টের মিডিয়া ফোকাল পার্সন অথবা রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয় থেকে সংশ্লিষ্ট সংবাদের বস্তুনিষ্ঠতা ও সত্যতা যাচাই করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো। ভবিষ্যতে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট সংক্রান্ত কোনো মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর বা অসত্য সংবাদ প্রকাশ বা প্রচার করা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে উক্তরূপ আদালত অবমাননাকর কার্যক্রমের জন্য আইনানুগভাবে দায়ভার গ্রহণ করতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করায় আপিল বিভাগের একজন জ্যেষ্ঠ বিচারপতি এবং বেঞ্চ প্রদান না করায় হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারপতি ছুটিতে গিয়েছেন- এরূপ ভুল সংবাদ টিভি স্ক্রলসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে; যা সম্পূর্ণরূপে অসত্য, বিভ্রান্তকর ও অত্যন্ত দুঃখজনক। গণমাধ্যমে এ ধরনের মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচার দেশের সর্বোচ্চ আদালত সম্পর্কে জনমনে ভ্রান্ত ধারণার সৃষ্টি করে এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের মর্যাদা ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে। তদুপরি, দেশের সর্বোচ্চ আদালত সম্পর্কে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য পরিবেশন আদালত অবমাননার শামিল। অথচ সুপ্রিম কোর্ট সংক্রান্ত কোনো সংবাদ প্রকাশ বা প্রচারের পূর্বে সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমকর্মীরা যদি সুপ্রিম কোর্ট রেজিস্ট্রি থেকে সংবাদের যথার্থতা যাচাই করতেন, তবে এহেন অনভিপ্রেত পরিস্থিতির উদ্ভব হতো না।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম তার মায়ের অসুস্থতাজনিত কারণে ছুটি গ্রহণ করেছেন এবং হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি ফরিদ আহমেদ অসুস্থতাজনিত কারণে হাসপাতালে ভর্তি থাকায় সাময়িকভাবে বিচারকার্যে অংশগ্রহণ করতে পারছেন না। এই বিষয়গুলোর সঙ্গে গণমাধ্যমে প্রচারিত সংবাদের কোনো সম্পর্ক নেই।

আইপিএলের সব খেলা সম্প্রচার বন্ধ রাখার নির্দেশ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৪:৪১ অপরাহ্ণ
আইপিএলের সব খেলা সম্প্রচার বন্ধ রাখার নির্দেশ

বাংলাদেশের তারকা খেলোয়াড় মুস্তাফিজুর রহমানকে কলকাতা নাইট রাইডার্স দল থেকে বাদ দেওয়ায় ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগের (আইপিএল) সব খেলা এবং অনুষ্ঠান প্রচার/সম্প্রচার বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে সরকার।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে সই করেছেন মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব ফিরোজ খান।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড কর্তৃক আগামী ২৬ মার্চ ২০২৬ থেকে অনুষ্ঠেয় ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগ (আইপিএল) ক্রিকেট খেলায় বাংলাদেশের তারকা খেলোয়াড় মুস্তাফিজুর রহমানকে কলকাতা নাইট রাইডার্স দল থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দৃষ্টিগোচর হয়েছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের এহেন সিদ্ধান্তের কোনো যৌক্তিক কারণ জানা নেই এবং এমন সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের জনগণকে ব্যথিত, মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ করেছে।

এমতাবস্থায়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগ (আইপিএল)-এর সব খেলা এবং অনুষ্ঠান প্রচার/সম্প্রচার বন্ধ রাখার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে ও জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হলো।

কয়েকদিন ধরেই বাংলাদেশি পেসার মুস্তাফিজুর রহমানের আসন্ন আইপিএলে খেলা নিয়ে আলোচনা ছিল তুঙ্গে। ভারতের কট্টর হিন্দুত্ববাদী দলগুলো তাকে বাদ দেওয়ার দাবিতে লাগাতার বিক্ষোভ করে আসছিল। যার রেশ ধরে শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকালে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআইয়ের সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া ফিজকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশনার কথা জানান। পরে কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়, মুস্তাফিজ আর তাদের স্কোয়াডে নেই।

শ্রীপুরে দুই জামায়াতকর্মীসহ বিএনপিতে যোগ দিল শতাধিক মানুষ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ২:৩১ অপরাহ্ণ
শ্রীপুরে দুই জামায়াতকর্মীসহ বিএনপিতে যোগ দিল শতাধিক মানুষ

গাজীপুরের শ্রীপুরে দুই জামায়াতকর্মীসহ বিএনপিতে যোগ দিয়েছে শতাধিক সাধারণ মানুষ। তারা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলে সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন।

সোমবার (৫জানুয়ারি) সকালে উপজেলার টেপিরবাড়ি গ্রামে কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাজীপুর-৩ সংসদীয় আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক ডাঃ এসএস রফিকুল ইসলাম বাচ্চু’র হাতে ফুল দিয়ে তারা বিএনপিতে যোগ দেন।

এর মধ্যে শ্রীপুর পৌর ৭নং ওয়ার্ড জামায়েত কর্মী মঞ্জিল মাঝি, জাকিরুল ইসলাম, ব্যবসায়ী সোলেমান হোসেন, দলিল লিখক আমির হোসেন, কৃষকলীগ নেতা হুমায়ুন কবিরসহ শতাধিক বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ বিএনপিতে যোগ দেন।

এসময় ইউসিসিএর চেয়ারম্যান ও শ্রীপুর উপজেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এসএম মাহফুল হাসান হান্নান, শ্রীপুর পৌর বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন বেপারী, শ্রীপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক রাশিদুল ইসলাম নয়ন, তেলিহাটি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সেলিম বন্দুকসীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।