খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৬ মাঘ, ১৪৩২

শেষ পর্যন্ত কি জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা হচ্ছে এনসিপির?

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১১:৫৯ পূর্বাহ্ণ
শেষ পর্যন্ত কি জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা হচ্ছে এনসিপির?

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে রাজনীতির মাঠে বিএনপি বলয়ের বাইরে শক্তিশালী বলয় তৈরি করছে জামায়াতসহ ইসলামি আট দল। তারা সমঝোতার দরজা এখনো খোলা রেখেছে। নবীন দল জাতীয় নাগরিক পার্টিও (এনসিপি) করেছে নতুন জোট। তবে শেষ পর্যন্ত তারা বিএনপি কিংবা জামায়াতের সঙ্গেই সমঝোতার আভাস দিচ্ছে।

জামায়াত জানিয়েছে, এনসিপির সঙ্গে আলোচনা এখনো চলমান। অভ্যুত্থানের শরিক যে কাউকে তারা সমঝোতায় নিয়ে নির্বাচন করতে আগ্রহী। এক্ষেত্রে নির্বাচনের ডামাডোলের শুরু থেকেই এনসিপিকে সমোঝতা করে নির্বাচনের প্রস্তাব দিয়েছে জামায়াত। এছাড়া জোট গঠনের পরেও এনসিপির সঙ্গে আলোচনা রয়েছে বলে জানিয়েছে দলটি।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও প্রচার বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জোবায়ের জাগো নিউজকে বলেন, ‘এনসিপিকে তো আমরা আগেই প্রস্তাব দিয়েছি। আলোচনা আছে তাদের পক্ষ থেকে। আলোচনা চলছে। অভ্যুত্থানে যারা অবদান রেখেছে, আমরা তাদের প্রতি সর্বোচ্চ সহমর্মিতা দেখাবো। ব্যক্তি ও দল দুটোই দেখবো। কিন্তু আমাদের সমঝোতায় এলেই যে তাকে প্রার্থী করা হবে এটার তো নিশ্চয়তা নেই। তবে শীর্ষ নেতাদের জন্য আমাদের কনসিডারেশন থাকবে। আসন বণ্টনের জন্য সংখ্যা জরুরি নয়।’

এনসিপির আলোচনার টেবিলে ‘জামায়াত’
গত ৭ ডিসেম্বর এনসিপি, এবি পার্টি ও রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন গণতান্ত্রিক সংস্কার নামে জোট গঠন করেছে। এনসিপি সূত্রে যায়, জোট গঠন করলেও শেষ পর্যন্ত দলটি বিএনপি কিংবা জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা করে নির্বাচন করবে।

এনসিপির একজন কেন্দ্রীয় সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জাগো নিউজকে বলেন, ‘বিএনপির সঙ্গে জোট হওয়ার যে সম্ভাবনা ছিল সেটা কমে গেছে। জামায়াতের সঙ্গে ফরমালি আলোচনা না হলেও কয়েক মাস আগে থেকে একসঙ্গে আন্দোলনসহ সমঝোতা করে নির্বাচনের বিষয়ে কথাবার্তা হয়েছে।’

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনসিপির একজন যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক জাগো নিউজকে বলেন, ‘জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতায় যেতে এনসিপির অনেক নেতাই ইচ্ছুক। বিএনপির সঙ্গে আসন নিয়ে বনিবনা হচ্ছে না। বিগত কয়েক মাস থেকেই জামায়াতের সঙ্গে আলোচনা চলছে। বিএনপির সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে। সেক্ষেত্রে শেষ পর্যন্ত কোনো একদিকে যাবে।’

তিনি বলেন, ‘জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা করতে প্রথম থেকে দ্বিতীয় সারির অনেক নেতার সম্মতি রয়েছে। জামায়াতের সঙ্গে যাওয়ার কিছু কারণ হলো- বেশি আসন পাওয়ার সম্ভাবনা আছে, এতে দলের সিনিয়র সারির প্রায় প্রত্যেকে নির্বাচন করতে পারবে। অভ্যন্তরীণ কোন্দল নেই। ফলে স্বতন্ত্রভাবে প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা কম। আরেকটি বিষয় হলো, জামায়াতের সঙ্গে গেলে তাদের যে রিসোর্স সেগুলোর সুবিধা পাওয়া যাবে। এছাড়া ইসলামি আট দলের নির্দিষ্ট সমর্থক ও যে লোকবল রয়েছে সে সুবিধা পাওয়া যাবে।’

এই নেতা জানান, জামায়াতের সঙ্গে গেলে অনেক সুবিধা রয়েছে। বিএনপির সঙ্গে গেলে কী কী অসুবিধা আছে সে বিষয়ে এনসিপির আলাপ আলোচনার টেবিলে ঘুরপাক খাচ্ছে।

তারা জানান, প্রাথমিকভাবে বিএনপি ২৩৭ আসনে প্রার্থী ঘোষণার পর অধিকাংশ জায়গায় বিদ্রোহীরা হট্টগোল করেছে। এনসিপিকে নমিনেশন দিলে সেখানে যে বিশৃঙ্খলা হবে না তারও নিশ্চয়তা নেই। ফলে এনসিপির প্রথম সারি থেকে দ্বিতীয় সারির অনেকে জামায়াতের সঙ্গে নির্বাচনি সমঝোতায় যেতে আগ্রহী, যাতে তারা নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন।

জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও শিক্ষা সেলের সহ-সম্পাদক মাহবুব আলম জাগো নিউজকে বলেন, ‘এনসিপি নির্দিষ্ট নীতি ও আদর্শ নিয়ে রাজনীতি করছে। জুলাই সনদ নিয়ে এনসিপির অবস্থানের সঙ্গে যাদের মিলবে তাদের সঙ্গে আমরা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি এবং ঐক্যবদ্ধভাবে আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবো। এনসিপি সমঝোতা করে নির্বাচন করবে কি না সেটা নিশ্চিত হতে আরও কিছুদিন সময় লাগবে। তবে এনসিপি তার স্বতন্ত্র রাজনীতি চালিয়ে যাবে। সে অনুযায়ী ৩০০ আসনে প্রার্থীও দিচ্ছে।’

আট দলের শরিকরা যা বলছেন

ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ ইউনুস আহমাদ জাগো নিউজকে বলেন, ‘বিএনপির সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় অনেকে আসতে চায়। আমরাও আলোচনার পথ রাখছি। ইসলামি দলের বাইরেও যারা দেশপ্রেমিক ও জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী কিংবা ১৫ বছর ফ্যাসিবাদবিরোধী অবস্থানে ছিলেন তারাও চাইলে আট দলের সঙ্গে আসতে পারেন। সেই সুযোগ এখনো রয়েছে।’

অধ্যক্ষ ইউনুস বলেন, ‘আসন ভাগাভাগির উদ্দেশ্য নিয়ে কেউ এলে আমরা নেগেটিভলি দেখবো। এখানে কে কত আসনে নির্বাচন করবে এটা মুখ্য নয়, আমরা চাইবো কোন দলের কোন প্রার্থীকে দিলে সে জিতে আসতে পারে। এটা আমরা গুরুত্ব দেবো।’

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব জালাল উদ্দিন আহমেদ জাগো নিউজকে বলেন, ‘এখনো অনেক দল আলোচনা করে, কথাবার্তা বলে। বিএনপি শরিকদের অনেকে আসন না পেয়ে এবং মূল্যায়ন না করার অভিযোগে বের হয়ে আসছে। তারাও আমাদের সঙ্গে আলোচনা করছে। কিছুদিন আগেও এনসিপির সদস্য সচিব আখতারের সঙ্গে কথা হয়েছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কারা আসবে, বলার মতো সময় আসেনি।’

জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদের একজন সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জাগো নিউজকে বলেন, ‘এনসিপি আমাদের সঙ্গে আসার বিষয়টা এনসিপিই ভালো বলতে পারবে। পারস্পরিক কথাবার্তা এখনো চলমান। মনোনয়ন প্রত্যাহারের আগ পর্যন্ত এনসিপি আমাদের সঙ্গী হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।’

তিনি আরও বলেন, ‘রিসেন্টলি নুরুল হক নুর ও এবি পার্টির আসাদুজ্জামান ফুয়াদের সঙ্গে যে ঘটনা ঘটেছে, এগুলোর অনেক প্রভাব পড়ে জোটের ক্ষেত্রে। এই ছোট দলগুলো বুঝতে পেরেছে তাদের সেফ জোন কোথায়। অনেকেই বিশ্বাস করে জামায়াতে গেলে তারা জামায়াতের ফিল্ড ফোর্স কাজে লাগাতে পারবে। তারা বুঝতে পেরেছে জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা করে নির্বাচন করলে শৃঙ্খল সাংগঠনিক শক্তি আর ম্যানপাওয়ারকে তারা কাজে লাগাতে পারবে। এটা জামায়াত করবেও।

সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন

সুপ্রিম কোর্ট নিয়ে অসত্য সংবাদ প্রকাশ করলে আদালত অবমাননার দায় নিতে হবে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৪:৫৫ অপরাহ্ণ
সুপ্রিম কোর্ট নিয়ে অসত্য সংবাদ প্রকাশ করলে আদালত অবমাননার দায় নিতে হবে

ভবিষ্যতে সুপ্রিম কোর্ট সংক্রান্ত কোনো মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর বা অসত্য সংবাদ প্রকাশ বা প্রচার করা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে আদালত অবমাননাকর কার্যক্রমের জন্য আইনানুগভাবে দায়ভার গ্রহণ করতে হবে বলে সতর্ক করেছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সতর্ক বার্তা দিয়েছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গণমাধ্যমকর্মীদের বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট সংক্রান্ত কোনো সংবাদ প্রকাশ বা প্রচারের আগে সুপ্রিম কোর্টের মিডিয়া ফোকাল পার্সন অথবা রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয় থেকে সংশ্লিষ্ট সংবাদের বস্তুনিষ্ঠতা ও সত্যতা যাচাই করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো। ভবিষ্যতে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট সংক্রান্ত কোনো মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর বা অসত্য সংবাদ প্রকাশ বা প্রচার করা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে উক্তরূপ আদালত অবমাননাকর কার্যক্রমের জন্য আইনানুগভাবে দায়ভার গ্রহণ করতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করায় আপিল বিভাগের একজন জ্যেষ্ঠ বিচারপতি এবং বেঞ্চ প্রদান না করায় হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারপতি ছুটিতে গিয়েছেন- এরূপ ভুল সংবাদ টিভি স্ক্রলসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে; যা সম্পূর্ণরূপে অসত্য, বিভ্রান্তকর ও অত্যন্ত দুঃখজনক। গণমাধ্যমে এ ধরনের মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচার দেশের সর্বোচ্চ আদালত সম্পর্কে জনমনে ভ্রান্ত ধারণার সৃষ্টি করে এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের মর্যাদা ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে। তদুপরি, দেশের সর্বোচ্চ আদালত সম্পর্কে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য পরিবেশন আদালত অবমাননার শামিল। অথচ সুপ্রিম কোর্ট সংক্রান্ত কোনো সংবাদ প্রকাশ বা প্রচারের পূর্বে সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমকর্মীরা যদি সুপ্রিম কোর্ট রেজিস্ট্রি থেকে সংবাদের যথার্থতা যাচাই করতেন, তবে এহেন অনভিপ্রেত পরিস্থিতির উদ্ভব হতো না।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম তার মায়ের অসুস্থতাজনিত কারণে ছুটি গ্রহণ করেছেন এবং হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি ফরিদ আহমেদ অসুস্থতাজনিত কারণে হাসপাতালে ভর্তি থাকায় সাময়িকভাবে বিচারকার্যে অংশগ্রহণ করতে পারছেন না। এই বিষয়গুলোর সঙ্গে গণমাধ্যমে প্রচারিত সংবাদের কোনো সম্পর্ক নেই।

আইপিএলের সব খেলা সম্প্রচার বন্ধ রাখার নির্দেশ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৪:৪১ অপরাহ্ণ
আইপিএলের সব খেলা সম্প্রচার বন্ধ রাখার নির্দেশ

বাংলাদেশের তারকা খেলোয়াড় মুস্তাফিজুর রহমানকে কলকাতা নাইট রাইডার্স দল থেকে বাদ দেওয়ায় ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগের (আইপিএল) সব খেলা এবং অনুষ্ঠান প্রচার/সম্প্রচার বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে সরকার।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে সই করেছেন মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব ফিরোজ খান।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড কর্তৃক আগামী ২৬ মার্চ ২০২৬ থেকে অনুষ্ঠেয় ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগ (আইপিএল) ক্রিকেট খেলায় বাংলাদেশের তারকা খেলোয়াড় মুস্তাফিজুর রহমানকে কলকাতা নাইট রাইডার্স দল থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দৃষ্টিগোচর হয়েছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের এহেন সিদ্ধান্তের কোনো যৌক্তিক কারণ জানা নেই এবং এমন সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের জনগণকে ব্যথিত, মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ করেছে।

এমতাবস্থায়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগ (আইপিএল)-এর সব খেলা এবং অনুষ্ঠান প্রচার/সম্প্রচার বন্ধ রাখার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে ও জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হলো।

কয়েকদিন ধরেই বাংলাদেশি পেসার মুস্তাফিজুর রহমানের আসন্ন আইপিএলে খেলা নিয়ে আলোচনা ছিল তুঙ্গে। ভারতের কট্টর হিন্দুত্ববাদী দলগুলো তাকে বাদ দেওয়ার দাবিতে লাগাতার বিক্ষোভ করে আসছিল। যার রেশ ধরে শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকালে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআইয়ের সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া ফিজকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশনার কথা জানান। পরে কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়, মুস্তাফিজ আর তাদের স্কোয়াডে নেই।

শ্রীপুরে দুই জামায়াতকর্মীসহ বিএনপিতে যোগ দিল শতাধিক মানুষ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ২:৩১ অপরাহ্ণ
শ্রীপুরে দুই জামায়াতকর্মীসহ বিএনপিতে যোগ দিল শতাধিক মানুষ

গাজীপুরের শ্রীপুরে দুই জামায়াতকর্মীসহ বিএনপিতে যোগ দিয়েছে শতাধিক সাধারণ মানুষ। তারা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলে সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন।

সোমবার (৫জানুয়ারি) সকালে উপজেলার টেপিরবাড়ি গ্রামে কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাজীপুর-৩ সংসদীয় আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক ডাঃ এসএস রফিকুল ইসলাম বাচ্চু’র হাতে ফুল দিয়ে তারা বিএনপিতে যোগ দেন।

এর মধ্যে শ্রীপুর পৌর ৭নং ওয়ার্ড জামায়েত কর্মী মঞ্জিল মাঝি, জাকিরুল ইসলাম, ব্যবসায়ী সোলেমান হোসেন, দলিল লিখক আমির হোসেন, কৃষকলীগ নেতা হুমায়ুন কবিরসহ শতাধিক বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ বিএনপিতে যোগ দেন।

এসময় ইউসিসিএর চেয়ারম্যান ও শ্রীপুর উপজেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এসএম মাহফুল হাসান হান্নান, শ্রীপুর পৌর বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন বেপারী, শ্রীপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক রাশিদুল ইসলাম নয়ন, তেলিহাটি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সেলিম বন্দুকসীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।