খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৬ মাঘ, ১৪৩২

খুলনায় ১৫ মাসে ৬২ হত্যা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১০:৪৪ পূর্বাহ্ণ
খুলনায় ১৫ মাসে ৬২ হত্যা

খুলনা জেলার ৯ উপজেলায় গেল ১৫ মাসে ৬২টি হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ৪৩ হত্যার রহস্য উন্মোচন করেছে জেলা পুলিশ। এসব হত্যার নেপথ্যে যেমন রয়েছে পরকীয়া, পূর্বশত্রুতা, তেমনি রয়েছে মাদক কারবার ও আধিপত্য নিয়ে বিরোধ। সর্বোচ্চ ১৫টি হত্যার ঘটনা ঘটেছে জেলার রূপসা উপজেলায়।

আর সবচেয়ে কম দুটি হত্যার ঘটনা ঘটে তেরখাদা উপজেলায়। নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপের শঙ্কা প্রকাশ করেছে নাগরিক নেতারা।

তবে পুলিশের দাবি, জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তারা বেশির ভাগ ঘটনারই রহস্য উন্মোচন করেছে।

খুলনা জেলা পুলিশ সুপারের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে চলতি বছরের নভেম্বর পর্যন্ত জেলায় ৬২টি হত্যার ঘটনা ঘটে। রূপসা থানায় ১৫টি, তেরখাদা থানায় দুটি, দিঘলিয়া থানায় চারটি, ফুলতলা থানায় ১০টি, ডুমুরিয়া থানায় ১১টি, বটিয়াঘাটা থানায় চারটি, দাকোপ থানায় সাতটি, পাইকগাছা থানায় চারটি ও কয়রা থানায় পাঁচটি হত্যার ঘটনা ঘটে। হত্যাগুলোর মধ্যে গুলি করে পাঁচটি, গুরুতর জখম করে তিনটি, অজ্ঞাত কারণে ৯টি, শ্বাসরোধে দুটি, পরকীয়ার কারণে পাঁচটি, আর্থিক ও ব্যাবসায়িক কারণে পাঁচটি ঘটনা ঘটে। তদান্তাধীন ১৯টি ঘটনার মধ্যে জেলা পুলিশ ১১টি ও নৌ পুলিশ আটটি ঘটনা তদন্ত করছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানান, জেলার ক্রাইমের ক্ষেত্রে ‘হটজোন রূপসা’। শহরতলির এই উপজেলাটিতে আধিপত্য নিয়ে প্রায়ই হতাহতের ঘটনা ঘটে। নদী ও সড়ক বেষ্টিত উপজেলায় অপরাধ সংঘটনের পর সহজে সরে পড়া সহজ। এ ছাড়া মাদক কারবারের অন্যতম পথ। ফলে এখানেই বেশি অপরাধের ঘটনা ঘটছে।

জানা গেছে, জেলার ফুলতলা, দিঘলিয়া, রূপসা, ডুমুরিয়া ও বটিয়াঘাটা থানা এলাকায় রয়েছে প্রায় অর্ধশত মাদকের স্পট। এই কারবারিদের শক্তিশালী নেটওয়ার্ক রয়েছে। তারা কতিপয় অসাধু পুলিশ কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে এই কারবার পরিচালনা করছে।

নবাগত পুলিশ সুপারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, খুলনা জেলার ৫৩১টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৩৫টি ঝুঁকিপূর্ণ। তালিকার শীর্ষে রয়েছে পাইকগাছা। এ উপজেলায় ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে ৩৫টি কেন্দ্র। এ ছাড়া কয়রার ১৪টি, ডুমুরিয়ার ২৭টি, ফুলতলার চারটি, দিঘলিয়ার আটটি, তেরখাদার ছয়টি, রূপসার ২৩টি, দাকোপের ১৩টি ও বটিয়াঘাটার পাঁচটি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ।

খুলনা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান জানান, এরই মধ্যে হত্যাসহ বেশির ভাগ ঘটনার রহস্য উন্মোচন করেতে পুলিশ সমর্থ্য হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করেছে। মাদক কারবারিদের কোনো ছাড়া দেওয়া হচ্ছে না। ফলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

খুলনা নাগরিক সমাজের সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট বাবুল হাওলদার বলেন, বর্তমানে মানুষ নিরাপত্তাহীন ও শঙ্কায় রয়েছে। নির্বাচনী তফসিলের পর সব দলই মাঠে থাকবে। তাই আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।

সংবাদকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে খুলনার নবাগত পুলিশ সুপার মাহাবুবুর রহমান জানান, নির্বাচনকালীন যেকোনো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য পুলিশ প্রস্তুত আছে।

সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন

সুপ্রিম কোর্ট নিয়ে অসত্য সংবাদ প্রকাশ করলে আদালত অবমাননার দায় নিতে হবে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৪:৫৫ অপরাহ্ণ
সুপ্রিম কোর্ট নিয়ে অসত্য সংবাদ প্রকাশ করলে আদালত অবমাননার দায় নিতে হবে

ভবিষ্যতে সুপ্রিম কোর্ট সংক্রান্ত কোনো মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর বা অসত্য সংবাদ প্রকাশ বা প্রচার করা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে আদালত অবমাননাকর কার্যক্রমের জন্য আইনানুগভাবে দায়ভার গ্রহণ করতে হবে বলে সতর্ক করেছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সতর্ক বার্তা দিয়েছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গণমাধ্যমকর্মীদের বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট সংক্রান্ত কোনো সংবাদ প্রকাশ বা প্রচারের আগে সুপ্রিম কোর্টের মিডিয়া ফোকাল পার্সন অথবা রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয় থেকে সংশ্লিষ্ট সংবাদের বস্তুনিষ্ঠতা ও সত্যতা যাচাই করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো। ভবিষ্যতে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট সংক্রান্ত কোনো মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর বা অসত্য সংবাদ প্রকাশ বা প্রচার করা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে উক্তরূপ আদালত অবমাননাকর কার্যক্রমের জন্য আইনানুগভাবে দায়ভার গ্রহণ করতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করায় আপিল বিভাগের একজন জ্যেষ্ঠ বিচারপতি এবং বেঞ্চ প্রদান না করায় হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারপতি ছুটিতে গিয়েছেন- এরূপ ভুল সংবাদ টিভি স্ক্রলসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে; যা সম্পূর্ণরূপে অসত্য, বিভ্রান্তকর ও অত্যন্ত দুঃখজনক। গণমাধ্যমে এ ধরনের মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচার দেশের সর্বোচ্চ আদালত সম্পর্কে জনমনে ভ্রান্ত ধারণার সৃষ্টি করে এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের মর্যাদা ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে। তদুপরি, দেশের সর্বোচ্চ আদালত সম্পর্কে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য পরিবেশন আদালত অবমাননার শামিল। অথচ সুপ্রিম কোর্ট সংক্রান্ত কোনো সংবাদ প্রকাশ বা প্রচারের পূর্বে সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমকর্মীরা যদি সুপ্রিম কোর্ট রেজিস্ট্রি থেকে সংবাদের যথার্থতা যাচাই করতেন, তবে এহেন অনভিপ্রেত পরিস্থিতির উদ্ভব হতো না।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম তার মায়ের অসুস্থতাজনিত কারণে ছুটি গ্রহণ করেছেন এবং হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি ফরিদ আহমেদ অসুস্থতাজনিত কারণে হাসপাতালে ভর্তি থাকায় সাময়িকভাবে বিচারকার্যে অংশগ্রহণ করতে পারছেন না। এই বিষয়গুলোর সঙ্গে গণমাধ্যমে প্রচারিত সংবাদের কোনো সম্পর্ক নেই।

আইপিএলের সব খেলা সম্প্রচার বন্ধ রাখার নির্দেশ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৪:৪১ অপরাহ্ণ
আইপিএলের সব খেলা সম্প্রচার বন্ধ রাখার নির্দেশ

বাংলাদেশের তারকা খেলোয়াড় মুস্তাফিজুর রহমানকে কলকাতা নাইট রাইডার্স দল থেকে বাদ দেওয়ায় ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগের (আইপিএল) সব খেলা এবং অনুষ্ঠান প্রচার/সম্প্রচার বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে সরকার।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে সই করেছেন মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব ফিরোজ খান।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড কর্তৃক আগামী ২৬ মার্চ ২০২৬ থেকে অনুষ্ঠেয় ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগ (আইপিএল) ক্রিকেট খেলায় বাংলাদেশের তারকা খেলোয়াড় মুস্তাফিজুর রহমানকে কলকাতা নাইট রাইডার্স দল থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দৃষ্টিগোচর হয়েছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের এহেন সিদ্ধান্তের কোনো যৌক্তিক কারণ জানা নেই এবং এমন সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের জনগণকে ব্যথিত, মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ করেছে।

এমতাবস্থায়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগ (আইপিএল)-এর সব খেলা এবং অনুষ্ঠান প্রচার/সম্প্রচার বন্ধ রাখার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে ও জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হলো।

কয়েকদিন ধরেই বাংলাদেশি পেসার মুস্তাফিজুর রহমানের আসন্ন আইপিএলে খেলা নিয়ে আলোচনা ছিল তুঙ্গে। ভারতের কট্টর হিন্দুত্ববাদী দলগুলো তাকে বাদ দেওয়ার দাবিতে লাগাতার বিক্ষোভ করে আসছিল। যার রেশ ধরে শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকালে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআইয়ের সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া ফিজকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশনার কথা জানান। পরে কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়, মুস্তাফিজ আর তাদের স্কোয়াডে নেই।

শ্রীপুরে দুই জামায়াতকর্মীসহ বিএনপিতে যোগ দিল শতাধিক মানুষ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ২:৩১ অপরাহ্ণ
শ্রীপুরে দুই জামায়াতকর্মীসহ বিএনপিতে যোগ দিল শতাধিক মানুষ

গাজীপুরের শ্রীপুরে দুই জামায়াতকর্মীসহ বিএনপিতে যোগ দিয়েছে শতাধিক সাধারণ মানুষ। তারা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলে সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন।

সোমবার (৫জানুয়ারি) সকালে উপজেলার টেপিরবাড়ি গ্রামে কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাজীপুর-৩ সংসদীয় আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক ডাঃ এসএস রফিকুল ইসলাম বাচ্চু’র হাতে ফুল দিয়ে তারা বিএনপিতে যোগ দেন।

এর মধ্যে শ্রীপুর পৌর ৭নং ওয়ার্ড জামায়েত কর্মী মঞ্জিল মাঝি, জাকিরুল ইসলাম, ব্যবসায়ী সোলেমান হোসেন, দলিল লিখক আমির হোসেন, কৃষকলীগ নেতা হুমায়ুন কবিরসহ শতাধিক বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ বিএনপিতে যোগ দেন।

এসময় ইউসিসিএর চেয়ারম্যান ও শ্রীপুর উপজেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এসএম মাহফুল হাসান হান্নান, শ্রীপুর পৌর বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন বেপারী, শ্রীপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক রাশিদুল ইসলাম নয়ন, তেলিহাটি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সেলিম বন্দুকসীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।