খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৬ মাঘ, ১৪৩২

দলের বিপর্যয়ে হাল ধরেছিলেন খালেদা জিয়া

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১১:০৮ পূর্বাহ্ণ
দলের বিপর্যয়ে হাল ধরেছিলেন খালেদা জিয়া

বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া আর নেই। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। ৮০ বছর বয়সে আজ সকাল ৬টায় তিনি রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।

দীর্ঘ চার দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে অন্যতম প্রধান চরিত্র খালেদা জিয়া ছিলেন। গৃহবধূ থেকে রাজনীতিতে নামা খালেদা জিয়া মাত্র দশ বছরের মধ্যে বিএনপিকে ক্ষমতায় নিয়ে যান।

১৯৮১ সালে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা হওয়ার পর বিপর্যস্ত দলকে টিকিয়ে রাখতে খালেদা জিয়া হাল ধরেন। বিশ্লেষকরা মনে করেন, ক্ষমতার বলয়ের বাইরে থাকা অবস্থায় তিনি দলকে রাজনৈতিকভাবে এগিয়ে নিয়েছিলেন।

জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর বিএনপিতে অভ্যন্তরীণ কোন্দল শুরু হয়।

একই সময়ে অনেক নেতা সামরিক শাসক জেনারেল এরশাদের সঙ্গে শরিক হন। সব মিলিয়ে দল চরম সংকটে পড়ে। সেই সময় ১৯৮৩ সালের ৩ জানুয়ারি খালেদা জিয়া বিএনপিতে যোগ দেন এবং প্রথমে ভাইস চেয়ারম্যান হন। পরের বছর, ১৯৮৪ সালের ১০ মে তিনি দলের চেয়ারপার্সন নির্বাচিত হন।

খালেদা জিয়া ১৯৪৬ সালের ১৫ আগস্ট তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের জলপাইগুড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবার নাম ইস্কান্দর মজুমদার এবং মায়ের নাম তৈয়বা মজুমদার। পরিবারের আদি ভিটা ফেনীর ফুলগাজী উপজেলায়, তবে তারা স্থায়ীভাবে দিনাজপুর শহরের মুদিপাড়া এলাকায় বসবাস করতেন। পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে খালেদা জিয়া ছিলেন তৃতীয়।

তিনি সব সময় পারিবারিক দায়িত্বের সঙ্গে রাজনীতিতেও সক্রিয় ছিলেন, বলেছেন খালেদা জিয়ার ঘনিষ্ঠ ও বিএনপির নেত্রী সেলিমা রহমান।

১৯৮২ সালে বিএনপির নেতৃত্ব গ্রহণের সময় বাংলাদেশে জেনারেল এরশাদের সামরিক শাসন ছিল। নয় বছর ধরে কঠোর আন্দোলনের মধ্য দিয়ে খালেদা জিয়া দলের ও নিজের অবস্থান শক্ত করেন। ১৯৮৩ সালে তিনি সাত দলীয় ঐক্যজোট গঠন করে এরশাদের শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেমেছিলেন।

আওয়ামী লীগ ও বামপন্থী দলগুলোর জোটও তৎকালীন সময়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিল। কিন্তু বিএনপি অংশ না নিয়ে রাজপথের আন্দোলনে থাকার কারণে খালেদা জিয়া আপোষহীন নেত্রী হিসেবে পরিচিত হন। তিনি এরশাদ সরকারের বিরোধিতা করে তিনবার গ্রেপ্তার হন।

এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে খালেদা জিয়া বিএনপিকে পুনরুজ্জীবিত করেছিলেন। এরশাদ সরকারের পতনের পর ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি সব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচনের মাধ্যমে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি ক্ষমতায় আসে।

তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হন। নির্বাচনে তিনি পাঁচটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সবকটিতেই বিজয়ী হন। নির্বাচনের আগে তিন জোটের রূপরেখায় সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের অঙ্গীকার ছিল। নির্বাচনের পর গঠিত পঞ্চম সংসদে খালেদা জিয়া সংসদীয় সরকার পদ্ধতি চালু করার জন্য বিল উত্থাপন করেন, যা ঐকমত্যের ভিত্তিতে পাশ হয়।

সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন

সুপ্রিম কোর্ট নিয়ে অসত্য সংবাদ প্রকাশ করলে আদালত অবমাননার দায় নিতে হবে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৪:৫৫ অপরাহ্ণ
সুপ্রিম কোর্ট নিয়ে অসত্য সংবাদ প্রকাশ করলে আদালত অবমাননার দায় নিতে হবে

ভবিষ্যতে সুপ্রিম কোর্ট সংক্রান্ত কোনো মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর বা অসত্য সংবাদ প্রকাশ বা প্রচার করা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে আদালত অবমাননাকর কার্যক্রমের জন্য আইনানুগভাবে দায়ভার গ্রহণ করতে হবে বলে সতর্ক করেছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সতর্ক বার্তা দিয়েছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গণমাধ্যমকর্মীদের বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট সংক্রান্ত কোনো সংবাদ প্রকাশ বা প্রচারের আগে সুপ্রিম কোর্টের মিডিয়া ফোকাল পার্সন অথবা রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয় থেকে সংশ্লিষ্ট সংবাদের বস্তুনিষ্ঠতা ও সত্যতা যাচাই করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো। ভবিষ্যতে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট সংক্রান্ত কোনো মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর বা অসত্য সংবাদ প্রকাশ বা প্রচার করা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে উক্তরূপ আদালত অবমাননাকর কার্যক্রমের জন্য আইনানুগভাবে দায়ভার গ্রহণ করতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করায় আপিল বিভাগের একজন জ্যেষ্ঠ বিচারপতি এবং বেঞ্চ প্রদান না করায় হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারপতি ছুটিতে গিয়েছেন- এরূপ ভুল সংবাদ টিভি স্ক্রলসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে; যা সম্পূর্ণরূপে অসত্য, বিভ্রান্তকর ও অত্যন্ত দুঃখজনক। গণমাধ্যমে এ ধরনের মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচার দেশের সর্বোচ্চ আদালত সম্পর্কে জনমনে ভ্রান্ত ধারণার সৃষ্টি করে এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের মর্যাদা ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে। তদুপরি, দেশের সর্বোচ্চ আদালত সম্পর্কে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য পরিবেশন আদালত অবমাননার শামিল। অথচ সুপ্রিম কোর্ট সংক্রান্ত কোনো সংবাদ প্রকাশ বা প্রচারের পূর্বে সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমকর্মীরা যদি সুপ্রিম কোর্ট রেজিস্ট্রি থেকে সংবাদের যথার্থতা যাচাই করতেন, তবে এহেন অনভিপ্রেত পরিস্থিতির উদ্ভব হতো না।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম তার মায়ের অসুস্থতাজনিত কারণে ছুটি গ্রহণ করেছেন এবং হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি ফরিদ আহমেদ অসুস্থতাজনিত কারণে হাসপাতালে ভর্তি থাকায় সাময়িকভাবে বিচারকার্যে অংশগ্রহণ করতে পারছেন না। এই বিষয়গুলোর সঙ্গে গণমাধ্যমে প্রচারিত সংবাদের কোনো সম্পর্ক নেই।

আইপিএলের সব খেলা সম্প্রচার বন্ধ রাখার নির্দেশ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৪:৪১ অপরাহ্ণ
আইপিএলের সব খেলা সম্প্রচার বন্ধ রাখার নির্দেশ

বাংলাদেশের তারকা খেলোয়াড় মুস্তাফিজুর রহমানকে কলকাতা নাইট রাইডার্স দল থেকে বাদ দেওয়ায় ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগের (আইপিএল) সব খেলা এবং অনুষ্ঠান প্রচার/সম্প্রচার বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে সরকার।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে সই করেছেন মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব ফিরোজ খান।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড কর্তৃক আগামী ২৬ মার্চ ২০২৬ থেকে অনুষ্ঠেয় ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগ (আইপিএল) ক্রিকেট খেলায় বাংলাদেশের তারকা খেলোয়াড় মুস্তাফিজুর রহমানকে কলকাতা নাইট রাইডার্স দল থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দৃষ্টিগোচর হয়েছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের এহেন সিদ্ধান্তের কোনো যৌক্তিক কারণ জানা নেই এবং এমন সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের জনগণকে ব্যথিত, মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ করেছে।

এমতাবস্থায়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগ (আইপিএল)-এর সব খেলা এবং অনুষ্ঠান প্রচার/সম্প্রচার বন্ধ রাখার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে ও জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হলো।

কয়েকদিন ধরেই বাংলাদেশি পেসার মুস্তাফিজুর রহমানের আসন্ন আইপিএলে খেলা নিয়ে আলোচনা ছিল তুঙ্গে। ভারতের কট্টর হিন্দুত্ববাদী দলগুলো তাকে বাদ দেওয়ার দাবিতে লাগাতার বিক্ষোভ করে আসছিল। যার রেশ ধরে শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকালে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআইয়ের সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া ফিজকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশনার কথা জানান। পরে কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়, মুস্তাফিজ আর তাদের স্কোয়াডে নেই।

শ্রীপুরে দুই জামায়াতকর্মীসহ বিএনপিতে যোগ দিল শতাধিক মানুষ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ২:৩১ অপরাহ্ণ
শ্রীপুরে দুই জামায়াতকর্মীসহ বিএনপিতে যোগ দিল শতাধিক মানুষ

গাজীপুরের শ্রীপুরে দুই জামায়াতকর্মীসহ বিএনপিতে যোগ দিয়েছে শতাধিক সাধারণ মানুষ। তারা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলে সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন।

সোমবার (৫জানুয়ারি) সকালে উপজেলার টেপিরবাড়ি গ্রামে কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাজীপুর-৩ সংসদীয় আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক ডাঃ এসএস রফিকুল ইসলাম বাচ্চু’র হাতে ফুল দিয়ে তারা বিএনপিতে যোগ দেন।

এর মধ্যে শ্রীপুর পৌর ৭নং ওয়ার্ড জামায়েত কর্মী মঞ্জিল মাঝি, জাকিরুল ইসলাম, ব্যবসায়ী সোলেমান হোসেন, দলিল লিখক আমির হোসেন, কৃষকলীগ নেতা হুমায়ুন কবিরসহ শতাধিক বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ বিএনপিতে যোগ দেন।

এসময় ইউসিসিএর চেয়ারম্যান ও শ্রীপুর উপজেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এসএম মাহফুল হাসান হান্নান, শ্রীপুর পৌর বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন বেপারী, শ্রীপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক রাশিদুল ইসলাম নয়ন, তেলিহাটি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সেলিম বন্দুকসীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।