বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩
শিরোনাম:
লতিফপুর আশরাফুল উলুম আলিম মাদ্রাসায় অনিয়মের অভিযোগমিথ্যা মামলায় হয়রানির অভিযোগে শ্রীপুরে সংবাদ সম্মেলনবগুড়া সিটি কর্পোরেশন গঠনের প্রস্তাব উঠতে পারে নিকার সভায়চট্টগ্রাম থেকে ১৯ এপ্রিল হজ ফ্লাইট শুরুনম্বর প্লেটেই আসল খেলা : ৬ লাখের সিএনজি ২৫ লাখ!গাজীপুরে ভূমি তথ্য সংগ্রহ ও সেবা ক্যাম্প পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসকগাজীপুরে গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ ও অতিরিক্ত দামে বিক্রি, সেনা অভিযানে জরিমানা সাড়ে ৪ লাখমধ্যরাতেও ফিলিং স্টেশনে যানবাহনের দীর্ঘ সারিশ্রীপুরে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিতTestশ্রীপুর পৌর বিএনপির উদ্যোগে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিতশ্রীপুরে নানা আয়োজনে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপনসাব-ক্লাস্টার প্রশিক্ষণ ভাতা লোপাটের অভিযোগ, শ্রীপুরে তোলপাড়পরিচয়হীন শিশুরাও মেতেছিল ঈদের আনন্দে গাজীপুরের ‘শিশু পল্লী প্লাস’গাজীপুর -৩ সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম বাচ্চুকে ফুলেল সংবর্ধনা

বিদেশি মাল্টায় শ্রীপুরে নতুন সম্ভাবনা

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২২ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:৪৯ অপরাহ্ণ
বিদেশি মাল্টায় শ্রীপুরে নতুন সম্ভাবনা
google news আজকের বাণী এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন
গাজীপুরের শ্রীপুরে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিদেশি মাল্টা চাষে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছেন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার মতিউর রহমান। চাকরি ছেড়ে কৃষিকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করে মাত্র কয়েক বছরের মধ্যেই তিনি গড়ে তুলেছেন দেশের অন্যতম আকর্ষণীয় মাল্টা বাগান ‘বাওয়ানী এগ্রো ট্যুরিজম’। ইউটিউবে দেখে স্ব-শিক্ষায় আধুনিক মাল্টা চাষ প্রযুক্তি আয়ত্ত করে তিনি এখন সফল কৃষি উদ্যোক্তা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন এলাকাজুড়ে।
উপজেলার বরমী ইউনিয়নের ডালেশহর সাতখামাইর এলাকায় প্রায় ৭ বিঘা জমিজুড়ে তৈরি হয়েছে তাঁর এই মাল্টা বাগান। চার বছর আগে শুরু করা এই বাগানে বর্তমানে রয়েছে ৫০০ মিশরীয় হলুদ মাল্টা গাছ এবং ৬০টি দার্জিলিং কমলা গাছ। সঠিক পরিচর্যা, উন্নত প্রযুক্তি ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে চাষের ফলে এসব গাছ এখন ফলের ভারে নুয়ে পড়েছে। এটি তাঁর দ্বিতীয় বাণিজ্যিক ফলন, যা ইতোমধ্যেই শ্রীপুরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
মতিউর রহমান জানিয়েছেন, প্রথম বছর গাছপ্রতি প্রায় ২০ কেজি মাল্টা পেয়েছিলেন। আবহাওয়া অনুকূল থাকায় আগের বার ফলন উল্লেখযোগ্য ছিল। তবে চলতি মৌসুমে অতিবৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে ফলন কিছুটা কম হয়েছে। তবুও পুরো বাগান থেকে প্রায় ৩ হাজার কেজি মাল্টা উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি আশা করছেন। বাজারে বিদেশি হলুদ মাল্টার চাহিদা বেশি হওয়ায় তিনি এই ফলন থেকে প্রায় ১ কোটি টাকার মতো আয় প্রত্যাশা করছেন।
তিনি বলেন, “আমি সবসময় প্রযুক্তিনির্ভর কৃষিতে বিশ্বাস করি। ইউটিউব দেখে শিখেছি, বিদেশি কৃষকের চাষাবাদের ভিডিও থেকে অনুপ্রেরণা নিয়েছি। পরে নিজের জমিতে পরীক্ষামূলকভাবে মাল্টার গাছ লাগাই। পরবর্তীতে বাণিজ্যিকভাবে শুরু করি। এখন এর ফলেই আমার জীবনে নতুন অধ্যায় তৈরি হয়েছে।”
বাগান ঘুরে দেখা যায়, সারি সারি গাছে ঝুলে থাকা হলুদ মাল্টা বাগানকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে। বাগানে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গেই চোখে পড়ে সুপরিকল্পিত নকশা ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ। পর্যটকদের জন্য রয়েছে আলাদা হাঁটার পথ, বসার জায়গা, ছবি তোলার স্পট এবং ছায়া বিশ্রামকেন্দ্র। প্রতিদিনই আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে দর্শনার্থীরা বাগান পরিদর্শনে আসছেন। এর ফলে স্থানীয় পর্যটনেও নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
মাওনা থেকে বাগান পরিদর্শনে আসা কনটেন্ট ক্রিয়েটর শাজাহান মল্লিক বলেন, “এই মৌসুমে ভিটামিন সি আমাদের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজন। এখানে আমরা যে বিশুদ্ধ ও অর্গানিক মাল্টা পাচ্ছি, তা সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং ভেজালমুক্ত। এটি আমাদের কাছে সত্যিই এক ধরনের সফলতা।”
শ্রীপুর পৌরসভা থেকে পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা রেজাউল করিম কৌশিক বলেন, “ফেসবুকে ভিডিও দেখে স্ত্রীর আবদারে এখানে আসলাম। আমি ব্যাংকে চাকরি করি, তবে এখানে এসে আমারও ইচ্ছে হচ্ছে চাকরি ছেড়ে কৃষি উদ্যোক্তা হওয়ার। খুব শিগগিরই মতিউর ভাইয়ের পরামর্শ নিতে আসব।
বাগান পরিচর্যা কর্মী নুরল হক জানান, “এখানে যারা ঘুরে আসেন, তারা মাল্টা দেখে হাতে করে কয়েক কেজি ফল কিনে নিয়ে যান। কেউ ৬০০ টাকা দিয়ে দুই কেজি মাল্টা নিয়ে যান, কেউ আবার পুরো পরিবারকে নিয়ে আসেন ছবি তোলার জন্য। এর ফলে স্থানীয় শ্রমিকদের জন্যও নতুন আয়ের সুযোগ তৈরি হয়েছে।”
মাল্টা বাগান ঘিরে স্থানীয় অর্থনীতিও চাঙা হতে শুরু করেছে। আশপাশের গ্রামের অনেক মানুষ এখানে কাজের সুযোগ পাচ্ছেন। কেউ ফল সংগ্রহে, কেউ পরিচর্যায়, কেউ আবার পর্যটক ব্যবস্থাপনায় যুক্ত হয়েছেন। পাশাপাশি স্থানীয় বাজারে ব্যবসার বিস্তারও ঘটেছে।
মতিউর রহমান বলেন, “আমার লক্ষ্য ছিল এমন কিছু করা, যা কৃষিভিত্তিক হলেও আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর হবে। শুধু নিজে সফল হওয়া নয়, এলাকার মানুষকেও এই পথে উদ্বুদ্ধ করতে চাই।”
শ্রীপুরে আগে বিদেশি জাতের মাল্টা চাষ তেমন জনপ্রিয় ছিল না। কিন্তু মতিউরের সফলতা এখন অনেকের মাঝেই নতুন উৎসাহ জাগিয়েছে। কৃষি বিশেষজ্ঞরাও বলছেন, দেশে উপযুক্ত পরিচর্যা ও পরিবেশ থাকলে বিদেশি মাল্টা চাষ ব্যাপক সম্ভাবনাময় একটি খাত হতে পারে।
চাকরি ছেড়ে কৃষিকে বেছে নেওয়া মতিউর রহমান আজ শ্রীপুরে সফলতার অনুপ্রেরণাদায়ক উদাহরণ। বিদেশি মাল্টা চাষে তাঁর এই অর্জন শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং এলাকার কৃষিভিত্তিক উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দিয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুমাইয়া সুলতানা বন্যা জানিয়েছেন, “শ্রীপুরের মাটি ও জলবায়ু মাল্টা চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। মতিউর রহমানের এই সফল উদ্যোগের পরিপ্রেক্ষিতে এলাকায় আরও অনেকে মাল্টা চাষে আগ্রহী হচ্ছেন। কৃষি বিভাগও নিয়মিত পরামর্শ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়ে তাদের সহায়তা করছে।”
এছাড়া স্থানীয় যুবক ও কনটেন্ট ক্রিয়েটররা মনে করছেন, মতিউরের এই উদ্যোগ এলাকার তরুণদের মধ্যে উদ্যোক্তা মনোভাব জাগাতে সহায়ক হচ্ছে। শ্রীপুরে এখন অনেকেই চাকরি ছেড়ে কৃষি খাতে নিজস্ব উদ্যোগ শুরু করার চিন্তা করছেন। ফলে শুধু কৃষি চাষ নয়, পর্যটন, বিক্রয় ও স্থানীয় অর্থনীতিরও নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলেছে।

হজ ব্যবসায় ব্যস্ত প্রভাষক

লতিফপুর আশরাফুল উলুম আলিম মাদ্রাসায় অনিয়মের অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৫৫ অপরাহ্ণ
লতিফপুর আশরাফুল উলুম আলিম মাদ্রাসায় অনিয়মের অভিযোগ

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার লতিফপুর আশরাফুল উলুম আলিম মাদ্রাসায় দীর্ঘদিন ধরে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। প্রতিষ্ঠানের ইবতেদায়ী শাখার শিক্ষিকা আলেয়া আক্তার প্রায় এক বছর ধরে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থেকেও বেতন-ভাতা গ্রহণ করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অন্যদিকে, আরবি বিভাগের প্রভাষক গোলাম কিবরিয়া হজ্ব ও উমরার ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত থাকায় নিয়মিত পাঠদানে মনোযোগী নন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

জানা যায়, তিনি বছরে দুইবার করে সৌদি আরব যান এবং গত দুই বছরে অন্তত চারবার সেখানে গিয়েছেন।
প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আলেয়া আক্তার ২০২৫ সালের মে মাস থেকে বিভিন্ন অজুহাতে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত রয়েছেন। প্রথমদিকে তিনি একজন প্রক্সি শিক্ষক নিয়োগ দিলেও কয়েক মাস পর সেই শিক্ষকও চলে যান। ফলে ইবতেদায়ী শাখার শিক্ষার্থীরা কার্যত শিক্ষকশূন্য অবস্থায় পড়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষক জানান, প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান দিন দিন নিম্নমুখী হচ্ছে। অনেক শিক্ষক নিয়মিত শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত থাকেন না এবং শ্রেণি কার্যক্রমে অবহেলা করেন। সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে প্রতিষ্ঠানটি ইচ্ছেমতো পরিচালিত হচ্ছে বলেও অভিযোগ তাদের।

মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রফি উদ্দিন আহমেদ বলেন,আলেয়া আক্তার ১১ মাস অনুপস্থিত থাকার পর গত মাস থেকে তার বেতন বন্ধ করা হয়েছে। অপর শিক্ষক গোলাম কিবরিয়া হজ্ব ও উমরার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত, তিনি গত বছর সৌদি আরব গিয়েছিলেন এবং এ বছরও যাওয়ার আবেদন দিয়েছেন। আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগতি করেছি।

অভিযুক্ত দুইজন শিক্ষকের মুঠোফোনে একধিক বার যোগাযোগের চেষ্ঠা করলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ব্যারিস্টার সজীব আহমেদ বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অপরদিকে শ্রীপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন,বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মিথ্যা মামলায় হয়রানির অভিযোগে শ্রীপুরে সংবাদ সম্মেলন

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:১১ অপরাহ্ণ
মিথ্যা মামলায় হয়রানির অভিযোগে শ্রীপুরে সংবাদ সম্মেলন

গাজীপুরের শ্রীপুরে মিথ্যা মামলার মাধ্যমে হয়রানির অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার। সোমবার (১৩ এপ্রিল) মাওনা চৌরাস্তায় এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, মোস্তাফিজুর রহমান মিলন মিথ্যা মামলা দিয়ে মো: ফিরুজ আহমেদসহ তার পরিবারের সদস্যদের হয়রানি করছেন। ভুক্তভোগীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে তাদের হয়রানি করা হচ্ছে।
ভুক্তভোগী ফিরুজ আহমেদ বলেন,
“দীর্ঘ দিন ধরে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাদের হয়রানি করা হচ্ছে। আমাদের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে, সেগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।”
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন হাজি মো. নুরুজ্জামান, মো: ফিরুজ আহমেদ এবং তাদের পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা।
বক্তারা প্রশাসনের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

বগুড়া সিটি কর্পোরেশন গঠনের প্রস্তাব উঠতে পারে নিকার সভায়

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০৫ অপরাহ্ণ
বগুড়া সিটি কর্পোরেশন গঠনের প্রস্তাব উঠতে পারে নিকার সভায়

দেশের ১৩তম সিটি কর্পোরেশন হিসেবে বগুড়া সিটি কর্পোরেশন গঠনের প্রস্তাব প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) সভায় উঠতে পারে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে শিগগিরই এ সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, গতকাল রোববার মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে প্রাক-নিকার সচিব কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের পক্ষ থেকে বগুড়া সিটি কর্পোরেশন গঠন সংক্রান্ত প্রস্তাবটি উপস্থাপনের পর তা অনুমোদন পেয়েছে। পরবর্তী নিকার সভায় বিষয়টি উত্থাপন করা হবে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০১০ সালের বিধিমালা অনুযায়ী সিটি কর্পোরেশন হওয়ার প্রায় সব শর্তই বগুড়া পূরণ করেছে। ২০২২ সালের জনশুমারি অনুযায়ী এখানকার স্থায়ী জনসংখ্যা ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০০ হলেও বাস্তবে প্রায় ১০ লাখ মানুষের বসবাস রয়েছে। প্রতি বর্গকিলোমিটারে জনঘনত্ব ৬ হাজারের বেশি।

অর্থনৈতিক দিক থেকেও বগুড়া শক্ত অবস্থানে রয়েছে। পৌরসভার বার্ষিক আয় প্রায় ৬০ কোটি টাকা। পাশাপাশি এখানে সিরামিক, ফাউন্ড্রি, ওষুধ, কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণসহ প্রায় ২০ হাজার শিল্প-প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

প্রস্তাব অনুযায়ী, বগুড়া সদর ও শাহজাহানপুর উপজেলার কিছু ইউনিয়ন যুক্ত করে সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে দেশে ১২টি সিটি কর্পোরেশন রয়েছে। নিকার সভায় অনুমোদন পেলে বগুড়া হবে দেশের ১৩তম সিটি কর্পোরেশন।