বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩
শিরোনাম:
শ্রীপুরে বিক্রিত জমি পুনর্দখলের চেষ্টার অভিযোগকল্পনালতিফপুর আশরাফুল উলুম আলিম মাদ্রাসায় অনিয়মের অভিযোগমিথ্যা মামলায় হয়রানির অভিযোগে শ্রীপুরে সংবাদ সম্মেলনবগুড়া সিটি কর্পোরেশন গঠনের প্রস্তাব উঠতে পারে নিকার সভায়চট্টগ্রাম থেকে ১৯ এপ্রিল হজ ফ্লাইট শুরুনম্বর প্লেটেই আসল খেলা : ৬ লাখের সিএনজি ২৫ লাখ!গাজীপুরে ভূমি তথ্য সংগ্রহ ও সেবা ক্যাম্প পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসকগাজীপুরে গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ ও অতিরিক্ত দামে বিক্রি, সেনা অভিযানে জরিমানা সাড়ে ৪ লাখমধ্যরাতেও ফিলিং স্টেশনে যানবাহনের দীর্ঘ সারিশ্রীপুরে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিতTestশ্রীপুর পৌর বিএনপির উদ্যোগে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিতশ্রীপুরে নানা আয়োজনে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপনসাব-ক্লাস্টার প্রশিক্ষণ ভাতা লোপাটের অভিযোগ, শ্রীপুরে তোলপাড়

ক্ষমতায় এলে দুর্নীতিতে লাগাম টানার সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা ঠিক করবে বিএনপি

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৮:২৫ অপরাহ্ণ
ক্ষমতায় এলে দুর্নীতিতে লাগাম টানার সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা ঠিক করবে বিএনপি
google news আজকের বাণী এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে দেশে দুর্নীতিতে লাগাম টানার পাশাপাশি যেকোনো মূল্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

নির্বাচন কমিশনের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার প্রস্তুতির মধ্যে আজ মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকার ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে দলীয় এক অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দেন তারেক রহমান। বিএনপির উপস্থাপিত দেশ পরিচালনার পরিকল্পনাগুলো জনগণের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে নেতা–কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরার ট্র্যাক রেকর্ড বিএনপির আছে। এ কাজটি করতে গিয়েই খালেদা জিয়া সরকার দুর্নীতি দমন কমিশন গঠন করেছিল। সে সময় এ কমিশনকে এতটাই ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল যে সরকারের কোনো বিষয়ে তদন্ত করতে চাইলে সরকারের অনুমতির প্রয়োজন ছিল না। এই নিয়ম স্বৈরাচার সরকার পাল্টে দিয়েছিল। বিএনপি জনগণের রায় নিয়ে ক্ষমতায় এলে প্রয়োজনে দেশের স্বার্থে এটি আবার পরিবর্তন করা হবে।

দুর্নীতির সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাও ঠিক রাখতে হবে বলে উল্লেখ করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, ‘দুর্নীতির মতো আমাদের আরেকটি কাজে সফল হতে হবে। সেটাও দুর্নীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। সেটি হচ্ছে দেশের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা। যেকোনো মূল্যে আমাদের দেশের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা ঠিক রাখতে হবে।’

বিএনপির মূল পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করতে হলে অবশ্যই আইনশৃঙ্খলার বিষয়ে কঠোর হতে হবে বলে মনে করেন তারেক রহমান। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের অতীত উদাহরণ বিএনপির আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিএনপি যখন রাষ্ট্র পরিচালনায় থেকেছে তখনো দলের কোনো সদস্য অন্যায় করলে চেষ্টা করেছে দলীয় দৃষ্টিকোণ থেকে না দেখে আইন দিয়ে বিচার করতে।’

বিজয়ের মাস উপলক্ষে বিএনপি আয়োজিত ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানে লন্ডন থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন তারেক রহমান। আজকের এই অনুষ্ঠানে স্বেচ্ছাসেবক দল ও ওলামা দলের নেতারা অংশ নেন।

নেতা–কর্মীদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরা, দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করা, শিল্পে উন্নতি করা, কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা, নারীদের শিক্ষার ব্যবস্থা করা, খাদ্য উৎপাদন দ্বিগুণ করার কাজ অতীতে সফলভাবে করার ট্র্যাক রেকর্ড একমাত্র বিএনপির আছে। প্রতিটি কাজ আবার শুরুর পরিকল্পনা একমাত্র বিএনপিই উপস্থাপন করেছে। এই পরিকল্পনাগুলো গ্রামে গ্রামে ছড়িয়ে দিতে হবে।

দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিএনপির কাছেই নিরাপদ দাবি করে তারেক রহমান বলেন, ‘একটি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দল হিসেবে জনগণ আমাদের কাছে শুধু কথার ফুলঝুরি প্রত্যাশা করে না। জনগণ আমাদের কাছে প্রত্যাশা করে যে আমরা কীভাবে দেশ পরিচালনা করব। জনগণের সমস্যাগুলোকে কীভাবে মিটআপ (মোকাবিলা) করব। পুরো পরিকল্পনা জনগণ আমাদের কাছে দেখতে চান।’

অনুষ্ঠানে বিএনপির যেসব পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে, সেগুলো জনগণের কাছে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘আত্মবিশ্বাস নিয়ে বলতে চাই, ইনশা আল্লাহ জনগণের রায় নিয়ে আগামীতে বিএনপি সরকার গঠন করতে সক্ষম হবে। সেই সরকারকে সফল করতে হলে সারা দেশে ছড়িয়ে–ছিটিয়ে থাকা বিএনপির লাখ লাখ নেতা–কর্মীকে সহযোগিতা করতে হবে। পরিকল্পনা গ্রামে গ্রামে, ঘরে ঘরে ছড়িয়ে দিতে হবে।’

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ক্রীড়া, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, কর্মসংস্থানসহ আটটি বিষয়ে কীভাবে কাজ করবে—এ নিয়ে অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর জন্য ধারাবাহিক কর্মশালা বা ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে বিএনপি। শুক্রবার বাদে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই অনুষ্ঠান চলবে। এতে ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ওলামা দলসহ অন্যান্য সহযোগী সংগঠন অংশ নেবে। এরপর বুদ্ধিজীবী দিবস ও বিজয় দিবসের বাইরে অন্য কোনো একটি দিনে হবে সমাপনী অনুষ্ঠান।

সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান আজকের অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক, বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি মীর শাহে আলম প্রমুখ।

বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। সঞ্চালনা করেন আরেক যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান (সোহেল)।

শ্রীপুরে বিক্রিত জমি পুনর্দখলের চেষ্টার অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৫৩ অপরাহ্ণ
শ্রীপুরে বিক্রিত জমি পুনর্দখলের চেষ্টার অভিযোগ

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার কেওয়া বাজার এলাকায় বিক্রিত একটি জমি পুনরায় জবর দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারটি চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে বলে জানিয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত জমির মালিক হারিসুল হকের মেয়ে তাসলিমা আক্তার। উল্লেখ্য, জমিটি ৭ নম্বর কেওয়া মৌজায় অবস্থিত। এর এসএ দাগ নম্বর ১৬৬৪ এবং আরএস দাগ নম্বর ৩৩৮৬ ও ৩৩৮৭। ২০০৯ সালে তিনি জমিটি প্রথমে মোক্তার হোসেনের কাছে বিক্রি করেন। পরবর্তীতে মোক্তার হোসেন থেকে মাহমুদা আক্তার রিনা জমির মালিকানা অর্জন করেন।

কিন্তু তৎকালীন পৌর শ্রমিক লীগের সভাপতি জালাল উদ্দীনের প্রলোভনে পড়ে তাসলিমা আক্তার একই জমি পুনরায় বিক্রি করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২২ সালে জালাল পাওয়ার অব অ্যাটর্নির মাধ্যমে প্রায় ১৩ গন্ডা জমি ক্রয় করেন। পরবর্তীতে তিনি ও তার স্ত্রী শিরিনা আক্তারের নামে সমহারে ৩.৫০ শতাংশ জমি সাফ কবলা দলিলের মাধ্যমে রেজিস্ট্রি করেন। এরপর প্রভাব খাটিয়ে জমিটি জবর দখল করেন বলেও দাবি ভুক্তভোগীদের।

পরে ৫ আগস্টের পর জালাল উদ্দীন এলাকা ছেড়ে চলে গেলে মাহমুদা আক্তার রিনা পুনরায় জমির দখল বুঝে পান।

বর্তমানে জালাল শেখের সহযোগী শিরিন আক্তার এবং স্থানীয় জাকির মন্ডলের নেতৃত্বে একদল লোকজন নিয়ে পুনরায় জমি দখলের চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী পরিবারকে মামলা-হামলার ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে বলেও তারা দাবি করেন।

মাহমুদা আক্তার রিনা বলেন, “আমরা এখন ভয়ের মধ্যে বসবাস করছি। যেকোনো সময় হামলার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। প্রশাসনের কাছে আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি।”

রিনার ভাই মাসুদ রানা বলেন, “আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করার চেষ্টা করা হয়েছে। তা না পেরে এখন হামলার চেষ্টা করছে।”
আরেক ভাই আমিনুল ইসলাম জানান, “আমাদের নামে মিথ্যা মামলা হয়েছে বলে ভয় দেখানো হচ্ছে। জমি ছেড়ে না দিলে যেকোনো সময় হামলা হতে পারে বলেও হুমকি দিচ্ছে তারা।”

অপর দিকে জাকির মন্ডল বলেন, “তাসলিমা আক্তার জালাল শেখের কাছে জমি বিক্রি করেছেন। তবে সম্পূর্ণ জমির মালিক তাসলিমা আক্তার না হওয়ায় মাসুদ রানা কিছু অংশ বিক্রিতে সম্মতি দেন। কিন্তু রেজিস্ট্রি সম্পূর্ণ করা হয়নি। আমি জালাল শেখের কাছ থেকে বায়না করেছি। কোনো ধরনের মামলা, হামলা বা হুমকি দেওয়া হয়নি।”

এ বিষয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।

কল্পনা

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৪৩ অপরাহ্ণ
কল্পনা

বাংলাদেশ বাংলাদেশ বাংলাদেশ বাংলাদেশ বাংলাদেশ

হজ ব্যবসায় ব্যস্ত প্রভাষক

লতিফপুর আশরাফুল উলুম আলিম মাদ্রাসায় অনিয়মের অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৫৫ অপরাহ্ণ
লতিফপুর আশরাফুল উলুম আলিম মাদ্রাসায় অনিয়মের অভিযোগ

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার লতিফপুর আশরাফুল উলুম আলিম মাদ্রাসায় দীর্ঘদিন ধরে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। প্রতিষ্ঠানের ইবতেদায়ী শাখার শিক্ষিকা আলেয়া আক্তার প্রায় এক বছর ধরে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থেকেও বেতন-ভাতা গ্রহণ করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অন্যদিকে, আরবি বিভাগের প্রভাষক গোলাম কিবরিয়া হজ্ব ও উমরার ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত থাকায় নিয়মিত পাঠদানে মনোযোগী নন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

জানা যায়, তিনি বছরে দুইবার করে সৌদি আরব যান এবং গত দুই বছরে অন্তত চারবার সেখানে গিয়েছেন।
প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আলেয়া আক্তার ২০২৫ সালের মে মাস থেকে বিভিন্ন অজুহাতে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত রয়েছেন। প্রথমদিকে তিনি একজন প্রক্সি শিক্ষক নিয়োগ দিলেও কয়েক মাস পর সেই শিক্ষকও চলে যান। ফলে ইবতেদায়ী শাখার শিক্ষার্থীরা কার্যত শিক্ষকশূন্য অবস্থায় পড়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষক জানান, প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান দিন দিন নিম্নমুখী হচ্ছে। অনেক শিক্ষক নিয়মিত শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত থাকেন না এবং শ্রেণি কার্যক্রমে অবহেলা করেন। সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে প্রতিষ্ঠানটি ইচ্ছেমতো পরিচালিত হচ্ছে বলেও অভিযোগ তাদের।

মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রফি উদ্দিন আহমেদ বলেন,আলেয়া আক্তার ১১ মাস অনুপস্থিত থাকার পর গত মাস থেকে তার বেতন বন্ধ করা হয়েছে। অপর শিক্ষক গোলাম কিবরিয়া হজ্ব ও উমরার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত, তিনি গত বছর সৌদি আরব গিয়েছিলেন এবং এ বছরও যাওয়ার আবেদন দিয়েছেন। আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগতি করেছি।

অভিযুক্ত দুইজন শিক্ষকের মুঠোফোনে একধিক বার যোগাযোগের চেষ্ঠা করলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ব্যারিস্টার সজীব আহমেদ বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অপরদিকে শ্রীপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন,বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।