খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন, ১৪৩২

দলের বিপর্যয়ে হাল ধরেছিলেন খালেদা জিয়া

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১১:০৮ পূর্বাহ্ণ
দলের বিপর্যয়ে হাল ধরেছিলেন খালেদা জিয়া

বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া আর নেই। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। ৮০ বছর বয়সে আজ সকাল ৬টায় তিনি রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।

দীর্ঘ চার দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে অন্যতম প্রধান চরিত্র খালেদা জিয়া ছিলেন। গৃহবধূ থেকে রাজনীতিতে নামা খালেদা জিয়া মাত্র দশ বছরের মধ্যে বিএনপিকে ক্ষমতায় নিয়ে যান।

১৯৮১ সালে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা হওয়ার পর বিপর্যস্ত দলকে টিকিয়ে রাখতে খালেদা জিয়া হাল ধরেন। বিশ্লেষকরা মনে করেন, ক্ষমতার বলয়ের বাইরে থাকা অবস্থায় তিনি দলকে রাজনৈতিকভাবে এগিয়ে নিয়েছিলেন।

জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর বিএনপিতে অভ্যন্তরীণ কোন্দল শুরু হয়।

একই সময়ে অনেক নেতা সামরিক শাসক জেনারেল এরশাদের সঙ্গে শরিক হন। সব মিলিয়ে দল চরম সংকটে পড়ে। সেই সময় ১৯৮৩ সালের ৩ জানুয়ারি খালেদা জিয়া বিএনপিতে যোগ দেন এবং প্রথমে ভাইস চেয়ারম্যান হন। পরের বছর, ১৯৮৪ সালের ১০ মে তিনি দলের চেয়ারপার্সন নির্বাচিত হন।

খালেদা জিয়া ১৯৪৬ সালের ১৫ আগস্ট তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের জলপাইগুড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবার নাম ইস্কান্দর মজুমদার এবং মায়ের নাম তৈয়বা মজুমদার। পরিবারের আদি ভিটা ফেনীর ফুলগাজী উপজেলায়, তবে তারা স্থায়ীভাবে দিনাজপুর শহরের মুদিপাড়া এলাকায় বসবাস করতেন। পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে খালেদা জিয়া ছিলেন তৃতীয়।

তিনি সব সময় পারিবারিক দায়িত্বের সঙ্গে রাজনীতিতেও সক্রিয় ছিলেন, বলেছেন খালেদা জিয়ার ঘনিষ্ঠ ও বিএনপির নেত্রী সেলিমা রহমান।

১৯৮২ সালে বিএনপির নেতৃত্ব গ্রহণের সময় বাংলাদেশে জেনারেল এরশাদের সামরিক শাসন ছিল। নয় বছর ধরে কঠোর আন্দোলনের মধ্য দিয়ে খালেদা জিয়া দলের ও নিজের অবস্থান শক্ত করেন। ১৯৮৩ সালে তিনি সাত দলীয় ঐক্যজোট গঠন করে এরশাদের শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেমেছিলেন।

আওয়ামী লীগ ও বামপন্থী দলগুলোর জোটও তৎকালীন সময়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিল। কিন্তু বিএনপি অংশ না নিয়ে রাজপথের আন্দোলনে থাকার কারণে খালেদা জিয়া আপোষহীন নেত্রী হিসেবে পরিচিত হন। তিনি এরশাদ সরকারের বিরোধিতা করে তিনবার গ্রেপ্তার হন।

এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে খালেদা জিয়া বিএনপিকে পুনরুজ্জীবিত করেছিলেন। এরশাদ সরকারের পতনের পর ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি সব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচনের মাধ্যমে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি ক্ষমতায় আসে।

তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হন। নির্বাচনে তিনি পাঁচটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সবকটিতেই বিজয়ী হন। নির্বাচনের আগে তিন জোটের রূপরেখায় সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের অঙ্গীকার ছিল। নির্বাচনের পর গঠিত পঞ্চম সংসদে খালেদা জিয়া সংসদীয় সরকার পদ্ধতি চালু করার জন্য বিল উত্থাপন করেন, যা ঐকমত্যের ভিত্তিতে পাশ হয়।

৬২ হাজার টাকায় কেনা বিড়াল অসুস্থ, টাকা ফেরত দিতে আইনি নোটিশ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ৯:২৭ অপরাহ্ণ
৬২ হাজার টাকায় কেনা বিড়াল অসুস্থ, টাকা ফেরত দিতে  আইনি নোটিশ

গাজীপুরের শ্রীপুরের মাওনা চৌরাস্তা এলাকার গৃহবধূ সানিলা জাহান জুঁইয়ের শখ বিড়াল পালন। আগে থেকেই তাঁর বাসায় একটি মাদী বিড়াল ছিল। সেটির সঙ্গে জুটি করতে তিনি একটি পুরুষ বিড়াল খুঁজছিলেন। এ সময় অনলাইনে বিড়াল বিক্রির একটি বিজ্ঞাপন তাঁর নজরে আসে।

বিজ্ঞাপন দেখে তিনি ঢাকার মালিবাগের সিদ্ধেশ্বরী বয়েজ স্কুলের পাশে অবস্থিত সোহাগ ডিপার্টমেন্টাল স্টোরের দ্বীন ইসলাম মাজেদ ও রাফসান নামের দুই ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তারা একটি বিড়াল দেখিয়ে এর দাম ৬২ হাজার টাকা দাবি করেন। পরে ওই দামে বিড়ালটি কিনতে জুঁই প্রথমে ২ হাজার টাকা অগ্রিম পরিশোধ করেন।

পরে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে বিড়ালটি পাঠানো হয়। কুরিয়ার থেকে বিড়ালটি গ্রহণ করার সময় বাকি ৬০ হাজার টাকা পরিশোধ করেন তিনি। কিন্তু বাসায় আনার পর দেখা যায় বিড়ালটি অসুস্থ।

ভুক্তভোগী সানিলা জাহান জুঁই বলেন, বিড়ালটি কেনার সময় শর্ত ছিল এটি সুস্থ হতে হবে এবং তাঁর বাসায় থাকা মাদী বিড়ালের সঙ্গে মিল (ম্যাচিং) থাকতে হবে। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি বিড়ালটি বাসায় আনার পর দেখা যায় এটি অসুস্থ এবং বাসায় থাকা বিড়ালের সঙ্গে মিলও হচ্ছে না। বিষয়টি জানিয়ে বিক্রেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা বিড়াল ফেরত নিতে ও টাকা ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানান।

তিনি অভিযোগ করেন, বিক্রেতারা তাঁর সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। এ ঘটনায় তিনি আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন।

ভুক্তভোগীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান জানান, বিড়াল বিক্রেতাদের কাছে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নোটিশ পাওয়ার ১০ দিনের মধ্যে তারা যদি বিড়ালটি ফেরত নিয়ে জুঁইয়ের টাকা ফেরত না দেন, তবে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে বিড়াল বিক্রেতাদের সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাদের পাওয়া যায়নি।

শ্রীপুরে আরসিসি ঢালাই রাস্তার উদ্বোধন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬, ২:১৪ অপরাহ্ণ
শ্রীপুরে আরসিসি ঢালাই রাস্তার উদ্বোধন

গাজীপুরের শ্রীপুরে চৌরাস্তা সংলগ্ন আনসার রোড কলিম উদ্দিন চেয়ারম্যান বাড়ি মোড়মুখী ১২০ মিটার আরসিসি (RCC) ঢালাই রাস্তার শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় আনুষ্ঠানিকভাবে এ রাস্তার উদ্বোধন করেন গাজীপুর-৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. এস. এম. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল মোতালিব, শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ব্যারিস্টার সজীব আহমেদ, শ্রীপুর পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী সাহেদ, সহকারী প্রকৌশলী হারুন অর রশিদ, প্রকৌশলী উপসহকারী তানভির আহমেদ এবং ঢাকা বিভাগ সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি হাসান ইকবাল কাজল মৃধা, শ্রীপুর উপজেলা বিআরডিভি চেয়ারম্যান মাহফুল হাসান হান্নান।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন শ্রীপুর পৌর বিএনপির আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির সরকার, সদস্য সচিব বিল্লাল হোসেন বেপারী, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শরিফ সিদ্দিকীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

বক্তারা বলেন, নতুন করে নির্মিত আরসিসি ঢালাই রাস্তার ফলে এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের যাতায়াতের দুর্ভোগ কমবে এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত হবে। পরে দোয়া ও মোনাজাতের মধ্য দিয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান এ এম আর এন্টারপ্রাইজ।

শ্রীপুরে মোটর ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ৪:৫৪ অপরাহ্ণ
শ্রীপুরে মোটর ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন

“সঠিক প্রশিক্ষণ, নিরাপদ ভ্রমণ” স্লোগানকে সামনে রেখে গাজীপুরের শ্রীপুরে মোটর ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। দক্ষতা উন্নয়নমূলক কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এনএসডিএ) অনুমোদিত অ্যাসেট প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছে প্রশিকা ইনস্টিটিউট অব স্কিলস ফর এমপ্লয়মেন্ট।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন মো. আহাদ উল্লাহ।
অনুষ্ঠানে উদ্বোধন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর হক এবং সভাপতিত্ব করেন প্রশিকা মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্রের পরিচালক মো. আজিজির রহমান। তিনি বলেন, দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে কারিগরি প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং তারা স্বাবলম্বী হতে পারবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রশিকা মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্রের প্রধান নির্বাহী শওকত চক্রবর্তী, সাবেক উপ-প্রধান নির্বাহী কামরুল হাসান কামাল, জহিরুল ইসলাম কাজল, মমতাজ উদ্দিন ও আবুল বাশারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
এই মোটর ড্রাইভিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স গ্রহণের জন্য প্রস্তুতি নিতে পারবে। এতে স্থানীয় বেকার যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।